সিএনএনের প্রতিবেদন
স্ট্রিম ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান যদি সত্যিই আলোচনার আগ্রহী হয়, তাহলে পাকিস্তান আলোচনার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান হতে পারে। ইরান প্রকাশ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘যুদ্ধ বিরতি আলোচনার’ দাবি অস্বীকার করেছে। তবুও দুই দেশ বৈঠকে বসতে রাজি হলে কোথায় এবং কীভাবে অনুষ্ঠিত হতে পারে তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে।
গুঞ্জন রয়েছে ব্যক্তিগত পর্যায়ে পাকিস্তানে আলোচনার শুরু হতে পারে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানায়, পাকিস্তান দুই দেশের বৈঠক আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছে। সূত্রগুলো জানিয়েছে, এই সপ্তাহের শেষের দিকে ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও অংশ নিতে পারেন।
তবে বিষয়টি সংবেদনশীল হওয়ায় পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ সূত্রগুলো সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি বলে জানিয়েছে সিএনএন।
কয়েকটি কারণে পাকিস্তান আলোচনার জন্য আদর্শ স্থান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে বলে জানায় সিএনএন। দেশটির সঙ্গে ইরানের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। এছাড়া সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয়ভাবে সম্পর্কযুক্ত পাকিস্তানে ইরানের পর সবচেয়ে বেশি শিয়া মুসলিম বসবাস করে।
উপসাগরীয় দেশগুলোর মতো পাকিস্তানে কোনো মার্কিন সামরিক ঘাঁটি নেই। ইরান পাকিস্তানে কোনো ধরণের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলাও চালায়নি। এছাড়া তেহরান দেশটির জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি দিয়েছে।
ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে পাকিস্তান। এ ক্ষেত্রে দেশটির বিরল ও মূল্যবান খনিজ সম্পদও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে জানায় সিএনএন।
ট্রাম্পের সঙ্গে পাকিস্তানের সেনা প্রধান আসিম মুনিরের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। মুনিরকে তিনি ‘প্রিয় ফিল্ড মার্শাল’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং একাধিকবার সাক্ষাৎ করেন। এক সাক্ষাতে ট্রাম্প বলেছেন, ‘পাকিস্তানিরা ইরানকে খুব ভালোভাবে চেনে। সবার চেয়ে বেশি।’
তবে দুই দেশের আলোচনায় পাকিস্তানের নিজস্ব স্বার্থও জড়িত। দক্ষিণ এশিয়ার ২৩ কোটি মানুষের দেশটি জ্বালানি সরবরাহের ওপর নির্ভরশীল। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে দেশটি ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান যদি সত্যিই আলোচনার আগ্রহী হয়, তাহলে পাকিস্তান আলোচনার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান হতে পারে। ইরান প্রকাশ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘যুদ্ধ বিরতি আলোচনার’ দাবি অস্বীকার করেছে। তবুও দুই দেশ বৈঠকে বসতে রাজি হলে কোথায় এবং কীভাবে অনুষ্ঠিত হতে পারে তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে।
গুঞ্জন রয়েছে ব্যক্তিগত পর্যায়ে পাকিস্তানে আলোচনার শুরু হতে পারে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানায়, পাকিস্তান দুই দেশের বৈঠক আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছে। সূত্রগুলো জানিয়েছে, এই সপ্তাহের শেষের দিকে ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও অংশ নিতে পারেন।
তবে বিষয়টি সংবেদনশীল হওয়ায় পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ সূত্রগুলো সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি বলে জানিয়েছে সিএনএন।
কয়েকটি কারণে পাকিস্তান আলোচনার জন্য আদর্শ স্থান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে বলে জানায় সিএনএন। দেশটির সঙ্গে ইরানের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। এছাড়া সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয়ভাবে সম্পর্কযুক্ত পাকিস্তানে ইরানের পর সবচেয়ে বেশি শিয়া মুসলিম বসবাস করে।
উপসাগরীয় দেশগুলোর মতো পাকিস্তানে কোনো মার্কিন সামরিক ঘাঁটি নেই। ইরান পাকিস্তানে কোনো ধরণের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলাও চালায়নি। এছাড়া তেহরান দেশটির জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি দিয়েছে।
ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে পাকিস্তান। এ ক্ষেত্রে দেশটির বিরল ও মূল্যবান খনিজ সম্পদও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে জানায় সিএনএন।
ট্রাম্পের সঙ্গে পাকিস্তানের সেনা প্রধান আসিম মুনিরের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। মুনিরকে তিনি ‘প্রিয় ফিল্ড মার্শাল’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং একাধিকবার সাক্ষাৎ করেন। এক সাক্ষাতে ট্রাম্প বলেছেন, ‘পাকিস্তানিরা ইরানকে খুব ভালোভাবে চেনে। সবার চেয়ে বেশি।’
তবে দুই দেশের আলোচনায় পাকিস্তানের নিজস্ব স্বার্থও জড়িত। দক্ষিণ এশিয়ার ২৩ কোটি মানুষের দেশটি জ্বালানি সরবরাহের ওপর নির্ভরশীল। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে দেশটি ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের ‘দ্রুত ও স্থায়ী’ সমাধান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে চার শক্তিধর রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র
৫ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ২৫০ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এই সময়ে দেশটির অন্তত ৬০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
৮ ঘণ্টা আগে
ওসামা বিন লাদেনকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে একসময় পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিকভাবে একপ্রকার একঘরে করে দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেই পাকিস্তান এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।
৯ ঘণ্টা আগে
আফগানিস্তানের বিভিন্ন স্থানে গত ২৪ ঘণ্টায় ভারী বর্ষণ, বজ্রপাত, ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যায় অন্তত ১৭ জন নিহত এবং ২৬ জন আহত হয়েছেন। রোববার (২৯ মার্চ) দেশটির কর্তৃপক্ষের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
১০ ঘণ্টা আগে