স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানের মিনাব শহরের শাজারাহ তাইয়েবাহ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলার ঘটনাকে ‘ভয়াবহ অমানবিক’ বলে আখ্যায়িত করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার তুর্ক। গত ২৮ ফেব্রুয়ারির এই হামলায় ১৭০-এর বেশি প্রাণহানির (যাদের বেশিরভাগই স্কুলছাত্রী) ঘটনায় ন্যায়বিচার এবং স্বচ্ছ তদন্তের জোর দাবি জানিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের (ইউএনএইচআরসি) এক জরুরি সভায় ভলকার তুর্ক বলেন, ‘এই হামলা যারা চালিয়েছে, তাঁদেরকেই দ্রুত, নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ এবং পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে এই ঘটনার তদন্ত করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হামলার বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। আমি চাই এই প্রক্রিয়া যত দ্রুত সম্ভব শেষ হোক এবং এর ফলাফল জনসমক্ষে প্রকাশ করা হোক। এই ভয়ংকর ক্ষতির জন্য অবশ্যই ন্যায়বিচার হতে হবে।’
একই সভায় অংশ নিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, যুদ্ধের প্রথম দিনেই এই হামলা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ‘সুপরিকল্পিত’। ভিডিও বার্তায় দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, ‘ওই হামলায় ১৭৫ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী ও শিক্ষককে ঠান্ডা মাথায় হত্যা করা হয়েছে।’ এই হামলাকে ‘যুদ্ধাপরাধ ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ আখ্যা দিয়ে তিনি এর নিন্দা এবং দোষীদের জবাবদিহির দাবি জানান।
এদিকে দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রাথমিক তদন্তের বরাতে জানানো হয়েছে, লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে পুরোনো তথ্যের নির্ভরতার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ‘টমাহক’ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র বিদ্যালয়ে আঘাত হানে। এই বিদ্যালয় আগে একটি ইরানি সামরিক ঘাঁটির অংশ ছিল।
বিস্ময়কর ব্যাপার হলো, ইরানের কাছে কোনো টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র না থাকা সত্ত্বেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রাথমিকভাবে এই হামলার জন্য উল্টো ইরানকেই দায়ী করেছিলেন।
আরাগচি বলেন, ‘যাদের কাছে বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত প্রযুক্তি ও নির্ভুল সামরিক ডেটা সিস্টেম রয়েছে, তারা ভুল করে একটি স্কুলে হামলা চালিয়েছে—এটি কেউ বিশ্বাস করবে না। এই হামলা ছিল সম্পূর্ণ ইচ্ছাকৃত। এই নৃশংসতাকে কোনোভাবেই ধামাচাপা দেওয়া যায় না। নিজেদের অপরাধ ঢাকতে যুক্তরাষ্ট্রের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য কোনোভাবেই তাদের দায়মুক্তি দিতে পারে না।’
হামলায় দুই সন্তান হারানো মা মোহাদ্দেসেহ ফালাহাত ভিডিওর মাধ্যমে পরিষদে যুক্ত হয়ে বলেন, ‘আমার সন্তান আর কখনো ফিরে আসবে না—এই কথা শুনতে কোনো মা-ই প্রস্তুত নন। আমার অনুরোধ, আপনারা এই ট্র্যাজেডি যেন ভুলে না যান।’

ইরানের মিনাব শহরের শাজারাহ তাইয়েবাহ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলার ঘটনাকে ‘ভয়াবহ অমানবিক’ বলে আখ্যায়িত করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার তুর্ক। গত ২৮ ফেব্রুয়ারির এই হামলায় ১৭০-এর বেশি প্রাণহানির (যাদের বেশিরভাগই স্কুলছাত্রী) ঘটনায় ন্যায়বিচার এবং স্বচ্ছ তদন্তের জোর দাবি জানিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের (ইউএনএইচআরসি) এক জরুরি সভায় ভলকার তুর্ক বলেন, ‘এই হামলা যারা চালিয়েছে, তাঁদেরকেই দ্রুত, নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ এবং পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে এই ঘটনার তদন্ত করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হামলার বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। আমি চাই এই প্রক্রিয়া যত দ্রুত সম্ভব শেষ হোক এবং এর ফলাফল জনসমক্ষে প্রকাশ করা হোক। এই ভয়ংকর ক্ষতির জন্য অবশ্যই ন্যায়বিচার হতে হবে।’
একই সভায় অংশ নিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, যুদ্ধের প্রথম দিনেই এই হামলা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ‘সুপরিকল্পিত’। ভিডিও বার্তায় দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, ‘ওই হামলায় ১৭৫ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী ও শিক্ষককে ঠান্ডা মাথায় হত্যা করা হয়েছে।’ এই হামলাকে ‘যুদ্ধাপরাধ ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ আখ্যা দিয়ে তিনি এর নিন্দা এবং দোষীদের জবাবদিহির দাবি জানান।
এদিকে দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রাথমিক তদন্তের বরাতে জানানো হয়েছে, লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে পুরোনো তথ্যের নির্ভরতার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ‘টমাহক’ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র বিদ্যালয়ে আঘাত হানে। এই বিদ্যালয় আগে একটি ইরানি সামরিক ঘাঁটির অংশ ছিল।
বিস্ময়কর ব্যাপার হলো, ইরানের কাছে কোনো টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র না থাকা সত্ত্বেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রাথমিকভাবে এই হামলার জন্য উল্টো ইরানকেই দায়ী করেছিলেন।
আরাগচি বলেন, ‘যাদের কাছে বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত প্রযুক্তি ও নির্ভুল সামরিক ডেটা সিস্টেম রয়েছে, তারা ভুল করে একটি স্কুলে হামলা চালিয়েছে—এটি কেউ বিশ্বাস করবে না। এই হামলা ছিল সম্পূর্ণ ইচ্ছাকৃত। এই নৃশংসতাকে কোনোভাবেই ধামাচাপা দেওয়া যায় না। নিজেদের অপরাধ ঢাকতে যুক্তরাষ্ট্রের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য কোনোভাবেই তাদের দায়মুক্তি দিতে পারে না।’
হামলায় দুই সন্তান হারানো মা মোহাদ্দেসেহ ফালাহাত ভিডিওর মাধ্যমে পরিষদে যুক্ত হয়ে বলেন, ‘আমার সন্তান আর কখনো ফিরে আসবে না—এই কথা শুনতে কোনো মা-ই প্রস্তুত নন। আমার অনুরোধ, আপনারা এই ট্র্যাজেডি যেন ভুলে না যান।’

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের ‘দ্রুত ও স্থায়ী’ সমাধান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে চার শক্তিধর রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র
৫ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ২৫০ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এই সময়ে দেশটির অন্তত ৬০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
৭ ঘণ্টা আগে
ওসামা বিন লাদেনকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে একসময় পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিকভাবে একপ্রকার একঘরে করে দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেই পাকিস্তান এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।
৯ ঘণ্টা আগে
আফগানিস্তানের বিভিন্ন স্থানে গত ২৪ ঘণ্টায় ভারী বর্ষণ, বজ্রপাত, ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যায় অন্তত ১৭ জন নিহত এবং ২৬ জন আহত হয়েছেন। রোববার (২৯ মার্চ) দেশটির কর্তৃপক্ষের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
৯ ঘণ্টা আগে