টিআরটি ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদন
স্ট্রিম ডেস্ক

ইউএনএইচসিআর-এর মুখপাত্র জানিয়েছেন, যুদ্ধ শুরুর পর ইরান থেকে দেশত্যাগের ঘটনা ঘটছে না। অর্থাৎ, ইরান থেকে সীমান্ত পারাপারের সংখ্যা এখনও মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের আগের স্বাভাবিক দৈনিক গড় সীমার মধ্যেই রয়েছে। টিআরটি ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
জেনেভায় শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) জানায়, যুদ্ধ পরিস্থিতির অবনতি, ঘরবাড়ির ক্ষয়ক্ষতি এবং দেশের ভেতরে চলাচলে বিধিনিষেধ থাকা সত্ত্বেও ইরান থেকে অন্য দেশে পাড়ি দেওয়ার মতো বড় ধরনের কোনো ঘটনা এখনও ঘটেনি। ইউএনএইচসিআর-এর মুখপাত্র বাবর বালোচ বলেন, ‘আমরা ইরান থেকে প্রতিবেশী দেশগুলোতে বড় ধরনের কোনো সীমান্ত পারাপারের প্রবণতা দেখছি না।’
তুর্কি কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে তিনি জানান, প্রায় ১১ হাজার ৪০০ ইরানি নাগরিক তুরস্কে প্রবেশ করেছেন। অন্যদিকে ২৪ হাজার ৬০০-এর বেশি আফগান নাগরিক ইরান থেকে আফগানিস্তানে ফিরে গেছেন। মুখপাত্র উল্লেখ করেন যে, উভয় সংখ্যাই বর্তমান সংকটের আগের স্বাভাবিক দৈনিক পারাপারের গড়ের মধ্যেই রয়েছে।
উল্লেখ্য যে, ইরানি নাগরিকরা কোনো ভিসা ছাড়াই ৯০ দিন পর্যন্ত তুরস্কে অবস্থান করতে পারেন।
জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা জানিয়েছে যে, সীমান্ত পারাপারের ঘটনা সীমিত থাকলেও এই সংঘাত ইরানের ভেতরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। দেশের অভ্যন্তরেই মানুষ ঘরছাড়া হতে বাধ্য হচ্ছে।
ইরানে নিযুক্ত আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) মিশন প্রধান সালভাদর গুটিয়েরেজ জানান, প্রায় ২২ হাজার বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র তেহরানেই ১৭ হাজারের বেশি আবাসিক ভবন রয়েছে। ফলে হাজার হাজার পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার এখন হোটেল, জরুরি আশ্রয়কেন্দ্র এবং কমিউনিটি সেন্টারগুলোতে আশ্রয় নিচ্ছে।
চলাচলের তথ্য থেকেও দেখা গেছে যে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ দেশের ভেতরে অন্য এলাকায় সরে যাচ্ছে। মার্চ মাসের শুরুতে কাস্পিয়ান সাগর তীরবর্তী প্রদেশগুলোতে ৪ লাখের বেশি যানবাহনের প্রবেশ রেকর্ড করা হয়েছে। এতে বোঝা যায়, মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত শহরগুলোর অনেক বাসিন্দা নিরাপদ উত্তরের অঞ্চলগুলোতে চলে গেছেন।

ইউএনএইচসিআর-এর মুখপাত্র জানিয়েছেন, যুদ্ধ শুরুর পর ইরান থেকে দেশত্যাগের ঘটনা ঘটছে না। অর্থাৎ, ইরান থেকে সীমান্ত পারাপারের সংখ্যা এখনও মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের আগের স্বাভাবিক দৈনিক গড় সীমার মধ্যেই রয়েছে। টিআরটি ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
জেনেভায় শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) জানায়, যুদ্ধ পরিস্থিতির অবনতি, ঘরবাড়ির ক্ষয়ক্ষতি এবং দেশের ভেতরে চলাচলে বিধিনিষেধ থাকা সত্ত্বেও ইরান থেকে অন্য দেশে পাড়ি দেওয়ার মতো বড় ধরনের কোনো ঘটনা এখনও ঘটেনি। ইউএনএইচসিআর-এর মুখপাত্র বাবর বালোচ বলেন, ‘আমরা ইরান থেকে প্রতিবেশী দেশগুলোতে বড় ধরনের কোনো সীমান্ত পারাপারের প্রবণতা দেখছি না।’
তুর্কি কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে তিনি জানান, প্রায় ১১ হাজার ৪০০ ইরানি নাগরিক তুরস্কে প্রবেশ করেছেন। অন্যদিকে ২৪ হাজার ৬০০-এর বেশি আফগান নাগরিক ইরান থেকে আফগানিস্তানে ফিরে গেছেন। মুখপাত্র উল্লেখ করেন যে, উভয় সংখ্যাই বর্তমান সংকটের আগের স্বাভাবিক দৈনিক পারাপারের গড়ের মধ্যেই রয়েছে।
উল্লেখ্য যে, ইরানি নাগরিকরা কোনো ভিসা ছাড়াই ৯০ দিন পর্যন্ত তুরস্কে অবস্থান করতে পারেন।
জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা জানিয়েছে যে, সীমান্ত পারাপারের ঘটনা সীমিত থাকলেও এই সংঘাত ইরানের ভেতরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। দেশের অভ্যন্তরেই মানুষ ঘরছাড়া হতে বাধ্য হচ্ছে।
ইরানে নিযুক্ত আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) মিশন প্রধান সালভাদর গুটিয়েরেজ জানান, প্রায় ২২ হাজার বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র তেহরানেই ১৭ হাজারের বেশি আবাসিক ভবন রয়েছে। ফলে হাজার হাজার পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার এখন হোটেল, জরুরি আশ্রয়কেন্দ্র এবং কমিউনিটি সেন্টারগুলোতে আশ্রয় নিচ্ছে।
চলাচলের তথ্য থেকেও দেখা গেছে যে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ দেশের ভেতরে অন্য এলাকায় সরে যাচ্ছে। মার্চ মাসের শুরুতে কাস্পিয়ান সাগর তীরবর্তী প্রদেশগুলোতে ৪ লাখের বেশি যানবাহনের প্রবেশ রেকর্ড করা হয়েছে। এতে বোঝা যায়, মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত শহরগুলোর অনেক বাসিন্দা নিরাপদ উত্তরের অঞ্চলগুলোতে চলে গেছেন।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের ‘দ্রুত ও স্থায়ী’ সমাধান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে চার শক্তিধর রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র
৭ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ২৫০ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এই সময়ে দেশটির অন্তত ৬০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
৯ ঘণ্টা আগে
ওসামা বিন লাদেনকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে একসময় পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিকভাবে একপ্রকার একঘরে করে দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেই পাকিস্তান এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।
১১ ঘণ্টা আগে
আফগানিস্তানের বিভিন্ন স্থানে গত ২৪ ঘণ্টায় ভারী বর্ষণ, বজ্রপাত, ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যায় অন্তত ১৭ জন নিহত এবং ২৬ জন আহত হয়েছেন। রোববার (২৯ মার্চ) দেশটির কর্তৃপক্ষের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
১১ ঘণ্টা আগে