স্ট্রিম ডেস্ক

রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে এক গাড়িবোমা বিস্ফোরণে নিহত হয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফানিল সারভারভ। তিনি রুশ সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফের অপারেশনাল ট্রেনিং অধিদপ্তরের প্রধান ছিলেন। এই হামলাকে লক্ষ্যভিত্তিক হত্যাকাণ্ড হিসেবে দেখছে রুশ কর্তৃপক্ষ।
দক্ষিণ মস্কোর ইয়াসেনেভো এলাকায় এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। একটি পার্কিং এলাকা থেকে গাড়ি বের করার সময় বিস্ফোরণটি হয়। রুশ তদন্ত সংস্থা এটিকে সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তারা ইউক্রেনের বিশেষ বাহিনীর সম্পৃক্ততার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেছে। তবে এখনো কোনো গোষ্ঠী হামলার দায় স্বীকার করেনি।
২০২৫ সালে মস্কো অঞ্চলে কোনো উচ্চপদস্থ রুশ জেনারেল হত্যার এটি তৃতীয় ঘটনা। এর আগেও একই ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেছে। রুশ কর্তৃপক্ষ সেসব ঘটনার জন্য ইউক্রেনকে দায়ী করেছে।
সোমবার সকালে (২২ ডিসেম্বর ২০২৫) ইয়াসেনেভো জেলার ইয়াসেনেভা স্ট্রিটে বিস্ফোরণটি ঘটে। নিহত ফানিল সারভারভের বয়স আনুমানিক ৫৬ বছর। তিনি রুশ সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ ও অপারেশনাল প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন।
তদন্তকারীদের মতে, তাঁর কিয়া সোরেন্তো গাড়ির নিচে একটি শক্তিশালী বিস্ফোরক ডিভাইস রাখা হয়েছিল। গাড়িটি আবাসিক পার্কিং এলাকা থেকে বের করার সময় বোমাটি বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের ফলে তিনি ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।
এই ঘটনায় অন্য কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে আশপাশে থাকা কয়েকটি গাড়ি ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ঘটনার পরপরই জরুরি সেবা সংস্থা এবং রাশিয়ার তদন্ত কমিটির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। বিস্ফোরক ও ময়নাতদন্ত-সংক্রান্ত পরীক্ষা চালানো হচ্ছে।
হামলার ধরন আগের হত্যাকাণ্ডগুলোর সঙ্গে মিল রয়েছে। সেসব ক্ষেত্রেও গাড়িতে টাইমার বা রিমোট-নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছিল।
রাশিয়ার তদন্ত কমিটি হত্যা এবং অবৈধ বিস্ফোরক ব্যবহারের অভিযোগে ফৌজদারি মামলা করেছে। সংস্থাটির মুখপাত্র স্বেতলানা পেত্রেঙ্কো ঘটনার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, তদন্তের একটি প্রধান দিক হলো ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থার সম্ভাব্য ভূমিকা। ক্রেমলিন-ঘনিষ্ঠ বিশ্লেষক ও সরকারি সমর্থক ব্যক্তিরা সরাসরি ইউক্রেনকে দায়ী করেছেন।
রাশিয়ার নাগরিক চেম্বারের কয়েকজন সদস্য এই হত্যাকাণ্ডকে ইউক্রেনীয় জাতীয়তাবাদী সন্ত্রাসের অংশ বলে মন্তব্য করেছেন। রুশ কর্তৃপক্ষ দোষীদের শনাক্ত করে কঠোর শাস্তি দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে।
২০২২ সালে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রাশিয়ার ভেতরে উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে।
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইগর কিরিলভ নিহত হন। তিনি রাশিয়ার রেডিয়েশন, কেমিক্যাল ও বায়োলজিক্যাল সুরক্ষা বাহিনীর প্রধান ছিলেন। মস্কোতে তাঁর বাসার বাইরে একটি বৈদ্যুতিক স্কুটারে লুকানো বোমা বিস্ফোরণে তিনি নিহত হন। ওই ঘটনার দায় ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংস্থা এসবিইউ স্বীকার করেছিল।
২০২৫ সালের এপ্রিলে মস্কোর কাছে বালাশিখা শহরে গাড়িবোমা বিস্ফোরণে নিহত হন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়ারোস্লাভ মোসকালিক। তিনি জেনারেল স্টাফের প্রধান অপারেশনাল অধিদপ্তরের উপপ্রধান ছিলেন।
এই ঘটনাগুলো দেখায় যে, কঠোর নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও রাশিয়ার ভেতরে উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল সারভারভের মৃত্যু রুশ সামরিক কাঠামোর জন্য একটি বড় ধাক্কা। বিশেষ করে যুদ্ধকালীন প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাপনায় এর প্রভাব পড়তে পারে।
এই ঘটনার পর উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নতুন করে পর্যালোচনা করা হতে পারে। একই সঙ্গে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ আরও জোরালো করতে পারে রাশিয়া।
বিশ্লেষকদের মতে, এটি চলমান যুদ্ধের পাশাপাশি এক ধরনের গোপন সংঘাতেরও প্রতিফলন। দুই পক্ষই লক্ষ্যভিত্তিক হামলার কৌশল ব্যবহার করছে।
আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, এ ধরনের হত্যাকাণ্ড সংঘাত আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। তবে বর্তমান যুদ্ধে এটি এখন প্রায় নিয়মিত একটি চিত্র হয়ে উঠেছে।

রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে এক গাড়িবোমা বিস্ফোরণে নিহত হয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফানিল সারভারভ। তিনি রুশ সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফের অপারেশনাল ট্রেনিং অধিদপ্তরের প্রধান ছিলেন। এই হামলাকে লক্ষ্যভিত্তিক হত্যাকাণ্ড হিসেবে দেখছে রুশ কর্তৃপক্ষ।
দক্ষিণ মস্কোর ইয়াসেনেভো এলাকায় এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। একটি পার্কিং এলাকা থেকে গাড়ি বের করার সময় বিস্ফোরণটি হয়। রুশ তদন্ত সংস্থা এটিকে সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তারা ইউক্রেনের বিশেষ বাহিনীর সম্পৃক্ততার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেছে। তবে এখনো কোনো গোষ্ঠী হামলার দায় স্বীকার করেনি।
২০২৫ সালে মস্কো অঞ্চলে কোনো উচ্চপদস্থ রুশ জেনারেল হত্যার এটি তৃতীয় ঘটনা। এর আগেও একই ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেছে। রুশ কর্তৃপক্ষ সেসব ঘটনার জন্য ইউক্রেনকে দায়ী করেছে।
সোমবার সকালে (২২ ডিসেম্বর ২০২৫) ইয়াসেনেভো জেলার ইয়াসেনেভা স্ট্রিটে বিস্ফোরণটি ঘটে। নিহত ফানিল সারভারভের বয়স আনুমানিক ৫৬ বছর। তিনি রুশ সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ ও অপারেশনাল প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন।
তদন্তকারীদের মতে, তাঁর কিয়া সোরেন্তো গাড়ির নিচে একটি শক্তিশালী বিস্ফোরক ডিভাইস রাখা হয়েছিল। গাড়িটি আবাসিক পার্কিং এলাকা থেকে বের করার সময় বোমাটি বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের ফলে তিনি ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।
এই ঘটনায় অন্য কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে আশপাশে থাকা কয়েকটি গাড়ি ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ঘটনার পরপরই জরুরি সেবা সংস্থা এবং রাশিয়ার তদন্ত কমিটির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। বিস্ফোরক ও ময়নাতদন্ত-সংক্রান্ত পরীক্ষা চালানো হচ্ছে।
হামলার ধরন আগের হত্যাকাণ্ডগুলোর সঙ্গে মিল রয়েছে। সেসব ক্ষেত্রেও গাড়িতে টাইমার বা রিমোট-নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছিল।
রাশিয়ার তদন্ত কমিটি হত্যা এবং অবৈধ বিস্ফোরক ব্যবহারের অভিযোগে ফৌজদারি মামলা করেছে। সংস্থাটির মুখপাত্র স্বেতলানা পেত্রেঙ্কো ঘটনার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, তদন্তের একটি প্রধান দিক হলো ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থার সম্ভাব্য ভূমিকা। ক্রেমলিন-ঘনিষ্ঠ বিশ্লেষক ও সরকারি সমর্থক ব্যক্তিরা সরাসরি ইউক্রেনকে দায়ী করেছেন।
রাশিয়ার নাগরিক চেম্বারের কয়েকজন সদস্য এই হত্যাকাণ্ডকে ইউক্রেনীয় জাতীয়তাবাদী সন্ত্রাসের অংশ বলে মন্তব্য করেছেন। রুশ কর্তৃপক্ষ দোষীদের শনাক্ত করে কঠোর শাস্তি দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে।
২০২২ সালে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রাশিয়ার ভেতরে উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে।
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইগর কিরিলভ নিহত হন। তিনি রাশিয়ার রেডিয়েশন, কেমিক্যাল ও বায়োলজিক্যাল সুরক্ষা বাহিনীর প্রধান ছিলেন। মস্কোতে তাঁর বাসার বাইরে একটি বৈদ্যুতিক স্কুটারে লুকানো বোমা বিস্ফোরণে তিনি নিহত হন। ওই ঘটনার দায় ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংস্থা এসবিইউ স্বীকার করেছিল।
২০২৫ সালের এপ্রিলে মস্কোর কাছে বালাশিখা শহরে গাড়িবোমা বিস্ফোরণে নিহত হন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়ারোস্লাভ মোসকালিক। তিনি জেনারেল স্টাফের প্রধান অপারেশনাল অধিদপ্তরের উপপ্রধান ছিলেন।
এই ঘটনাগুলো দেখায় যে, কঠোর নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও রাশিয়ার ভেতরে উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল সারভারভের মৃত্যু রুশ সামরিক কাঠামোর জন্য একটি বড় ধাক্কা। বিশেষ করে যুদ্ধকালীন প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাপনায় এর প্রভাব পড়তে পারে।
এই ঘটনার পর উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নতুন করে পর্যালোচনা করা হতে পারে। একই সঙ্গে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ আরও জোরালো করতে পারে রাশিয়া।
বিশ্লেষকদের মতে, এটি চলমান যুদ্ধের পাশাপাশি এক ধরনের গোপন সংঘাতেরও প্রতিফলন। দুই পক্ষই লক্ষ্যভিত্তিক হামলার কৌশল ব্যবহার করছে।
আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, এ ধরনের হত্যাকাণ্ড সংঘাত আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। তবে বর্তমান যুদ্ধে এটি এখন প্রায় নিয়মিত একটি চিত্র হয়ে উঠেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের ‘দ্রুত ও স্থায়ী’ সমাধান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে চার শক্তিধর রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র
৮ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ২৫০ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এই সময়ে দেশটির অন্তত ৬০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
১১ ঘণ্টা আগে
ওসামা বিন লাদেনকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে একসময় পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিকভাবে একপ্রকার একঘরে করে দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেই পাকিস্তান এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।
১২ ঘণ্টা আগে
আফগানিস্তানের বিভিন্ন স্থানে গত ২৪ ঘণ্টায় ভারী বর্ষণ, বজ্রপাত, ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যায় অন্তত ১৭ জন নিহত এবং ২৬ জন আহত হয়েছেন। রোববার (২৯ মার্চ) দেশটির কর্তৃপক্ষের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
১৩ ঘণ্টা আগে