স্ট্রিম ডেস্ক

ডাবলিনের নীল আকাশে তখন শরতের রোদ মৃদু সোনালি আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে। আয়ারল্যান্ডের বাতাসে হালকা শীতের ছোঁয়া। সেই বিকেলে রাজধানীর রেড কাউ হোটেলের হলরুম যেন রঙিন হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশি প্রবাসীদের পদচারণায়। কেউ এসেছেন কর্ক থেকে, কেউ লিমেরিক থেকে, কেউ-বা গ্যালওয়ের দূর প্রান্ত থেকে—সবার চোখেমুখে একই প্রত্যাশা, একটাই নাম ‘অল বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশন’।
সেই বিকেলেই অনুষ্ঠিত হলো বহু প্রতীক্ষিত মুহূর্ত। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ঘোষণা করলেন, আগামী ২৩ নভেম্বর আয়ারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে অল বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন। এ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে করতালিতে মুখরিত হলো প্রবাসী সমাজের হৃদয়।
এই ঘোষণা আয়ারল্যান্ডে প্রবাসী বাংলাদেশিদের গণতান্ত্রিক চেতনার পুনর্জাগরণ। দূর ইউরোপের এই দ্বীপদেশে থেকেও প্রবাসীরা ভুলে যায়নি নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আমরা চাই একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। এ নির্বাচন হবে প্রবাসী সমাজের ঐক্যের প্রতীক’। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হয়েছে নির্বাচনী নীতিমালাও। প্রার্থী ও সমর্থকদের জন্য কিছু সতর্কতামূলক নির্দেশনাও দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। নির্বাচনের সময় শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।
রেড কাউ হোটেলের সেদিনের পরিবেশ ছিল উৎসবের মতো। দেয়ালে ঝুলে থাকা বাংলাদেশের পতাকায়, চোখে-মুখে হাসিতে, কথোপকথনের স্রোতে যেন ভেসে আসছিল বাংলাদেশের সুবাস। নির্বাচন কমিশনার জানান, প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে ১১ই অক্টোবরের মধ্যে। মনোনয়ন যাচাই-বাছাই হবে ১৭ই অক্টোবর, আর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ অক্টোবর। তারপরই অপেক্ষা ২৩ নভেম্বরের, সেদিন ভোটগ্রহণ হবে।
তফসিল ঘোষণার পর প্রবাসীরা নির্বাচন কমিশনের প্রতি তাদের নানা পরামর্শ তুলে ধরেন। ভোটার রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া আরও সহজ করার কথাও উঠে আসে প্রবাসীদের কথায়। কেউ বলেন, প্রবাসের ব্যস্ত জীবনে অংশগ্রহণের সুযোগ আরও বিস্তৃত হওয়া উচিত। মতবিনিময় শেষে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, সবার মতামত বিবেচনা করার আশ্বাস দেওয়া হয়।
আয়ারল্যান্ডের বাংলাদেশি প্রবাসীরা মনে করেন, এই নির্বাচন তাদের নিজেদের কমিউনিটিকে আরও সংগঠিত ও প্রাণবন্ত করে তুলবে। এক তরুণ প্রবাসী বলেন, আমরা এখানে কাজ করি, পড়াশোনা করি, পরিবার গড়ি—কিন্তু নিজের পরিচয়টা সবসময় বাংলাদেশের সঙ্গে জড়ানো। এই নির্বাচন সেই পরিচয়কে আরও দৃঢ় করে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাঁর বক্তব্যের শেষে এক গুরুত্বপূর্ণ আহ্বান জানান, সবাই এখন থেকেই ভোটার রেজিস্ট্রেশন করুন। যেন কেউ বঞ্চিত না হয় অংশগ্রহণ থেকে।

ডাবলিনের নীল আকাশে তখন শরতের রোদ মৃদু সোনালি আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে। আয়ারল্যান্ডের বাতাসে হালকা শীতের ছোঁয়া। সেই বিকেলে রাজধানীর রেড কাউ হোটেলের হলরুম যেন রঙিন হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশি প্রবাসীদের পদচারণায়। কেউ এসেছেন কর্ক থেকে, কেউ লিমেরিক থেকে, কেউ-বা গ্যালওয়ের দূর প্রান্ত থেকে—সবার চোখেমুখে একই প্রত্যাশা, একটাই নাম ‘অল বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশন’।
সেই বিকেলেই অনুষ্ঠিত হলো বহু প্রতীক্ষিত মুহূর্ত। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ঘোষণা করলেন, আগামী ২৩ নভেম্বর আয়ারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে অল বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন। এ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে করতালিতে মুখরিত হলো প্রবাসী সমাজের হৃদয়।
এই ঘোষণা আয়ারল্যান্ডে প্রবাসী বাংলাদেশিদের গণতান্ত্রিক চেতনার পুনর্জাগরণ। দূর ইউরোপের এই দ্বীপদেশে থেকেও প্রবাসীরা ভুলে যায়নি নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আমরা চাই একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। এ নির্বাচন হবে প্রবাসী সমাজের ঐক্যের প্রতীক’। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হয়েছে নির্বাচনী নীতিমালাও। প্রার্থী ও সমর্থকদের জন্য কিছু সতর্কতামূলক নির্দেশনাও দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। নির্বাচনের সময় শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।
রেড কাউ হোটেলের সেদিনের পরিবেশ ছিল উৎসবের মতো। দেয়ালে ঝুলে থাকা বাংলাদেশের পতাকায়, চোখে-মুখে হাসিতে, কথোপকথনের স্রোতে যেন ভেসে আসছিল বাংলাদেশের সুবাস। নির্বাচন কমিশনার জানান, প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে ১১ই অক্টোবরের মধ্যে। মনোনয়ন যাচাই-বাছাই হবে ১৭ই অক্টোবর, আর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ অক্টোবর। তারপরই অপেক্ষা ২৩ নভেম্বরের, সেদিন ভোটগ্রহণ হবে।
তফসিল ঘোষণার পর প্রবাসীরা নির্বাচন কমিশনের প্রতি তাদের নানা পরামর্শ তুলে ধরেন। ভোটার রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া আরও সহজ করার কথাও উঠে আসে প্রবাসীদের কথায়। কেউ বলেন, প্রবাসের ব্যস্ত জীবনে অংশগ্রহণের সুযোগ আরও বিস্তৃত হওয়া উচিত। মতবিনিময় শেষে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, সবার মতামত বিবেচনা করার আশ্বাস দেওয়া হয়।
আয়ারল্যান্ডের বাংলাদেশি প্রবাসীরা মনে করেন, এই নির্বাচন তাদের নিজেদের কমিউনিটিকে আরও সংগঠিত ও প্রাণবন্ত করে তুলবে। এক তরুণ প্রবাসী বলেন, আমরা এখানে কাজ করি, পড়াশোনা করি, পরিবার গড়ি—কিন্তু নিজের পরিচয়টা সবসময় বাংলাদেশের সঙ্গে জড়ানো। এই নির্বাচন সেই পরিচয়কে আরও দৃঢ় করে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাঁর বক্তব্যের শেষে এক গুরুত্বপূর্ণ আহ্বান জানান, সবাই এখন থেকেই ভোটার রেজিস্ট্রেশন করুন। যেন কেউ বঞ্চিত না হয় অংশগ্রহণ থেকে।

স্বাক্ষরটি বেশ বড়, স্পষ্ট আর নজরকাড়া। বহু বছর ধরেই তাঁর এই স্বাক্ষরটি মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করে আসছে। ট্রাম্প নিজেও নিজের স্বাক্ষর নিয়ে বেশ গর্বিত। ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সামরিক নেতাদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি আমার স্বাক্ষর খুব ভালোবাসি, সত্যি বলছি। সবাই আমার স্বাক্ষর পছন্দ করে।
১২ ঘণ্টা আগে
কিছুদিন আগেই মাইগ্রেনের ব্যথায় মৃত্যুবরণ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ইউএনও। মাইগ্রেন আর সাধারণ মাথাব্যথা যে এক জিনিস নয়, এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত হয়েছেন ঠিকই কিন্তু এই ব্যথা কেন হয় বা কীভাবে এই ব্যথাকে জীবন থেকে পুরোপুরি বিদায় করা যায়, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি।
১৩ ঘণ্টা আগে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবট মানুষের একাকীত্ব কমাতে বেশ সাহায্য করে। বিশেষ করে যাদের আশেপাশে কথা বলার মতো কেউ নেই, তাদের জন্য এটি খুব উপকারী।
২ দিন আগে
আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা অন্যদের সঙ্গে মেলামেশা করতে কিংবা আড্ডা দিতে খুব পছন্দ করেন। এই মানুষদের আমরা ‘সামাজিক মানুষ’ বলে জানি। তাদের নিয়ে সাধারণত কারও কোনো দুশ্চিন্তা বা অভিযোগ থাকে না। কিন্তু যারা একটু চুপচাপ বা একা থাকতে ভালোবাসেন, তাদের নিয়ে আমাদের অনেকেরই অভিযোগের শেষ নেই।
২ দিন আগে