দর্জিদের অনেকেই বলছেন, গত বছরের তুলনায় এবার কাজের চাপ বেশি। এর বড় কারণ বর্তমান ফ্যাশন ট্রেন্ড।
লেখা:

ঈদের চাঁদ উঠতে এখনো কয়েকদিন বাকি। কিন্তু দর্জিদের ‘ক্যালেন্ডারে ঈদ’ যেন এসে গেছে শবে বরাতের পর থেকেই। সেই সময় থেকেই শুরু হয়ে যায় ব্যস্ততা, যা দিন যত যায় ততই বাড়তে থাকে।
ঈদ মানেই নতুন পোশাক। আর নতুন পোশাক মানেই দর্জির দোকানে ভিড়। তাই ঈদুল ফিতর হোক বা ঈদুল আজহা—এই সময়টাই দর্জি বা টেইলরিং শিল্পের মানুষের জন্য বছরের সবচেয়ে ব্যস্ততম সময়।
ঢাকার নিউমার্কেট, ধানমন্ডি, আজিমপুর বা সাভার—যেখানেই যাওয়া যায়, একই দৃশ্য। দোকানের ভেতরে কাঁচির কচ-কচ শব্দ, সেলাই মেশিনের খটখট আওয়াজ, সব মিলিয়ে এক ধরনের উৎসবের পরিবেশ। ব্যস্ত হাতে কাপড় কাটছেন কেউ, কেউ আবার সেলাই মেশিনে ঝুঁকে শেষ করছেন অর্ডার।
দর্জিদের অনেকেই বলছেন, গত বছরের তুলনায় এবার কাজের চাপ বেশি। এর বড় কারণ বর্তমান ফ্যাশন ট্রেন্ড। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন পাকিস্তানি ড্রেসের দারুণ প্রভাব। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম বা টিকটক খুললেই চোখে পড়ে বিভিন্ন ডিজাইনের সালোয়ার-কামিজ বা ফারসি স্টাইলের পোশাক। অভিনেত্রী হানিয়া আমির বা ইয়ুমনার মতো তারকার পোশাক দেখে অনেক তরুণী সেগুলো অনুসরণ করছেন।
এই ধরনের পোশাকের বেশিরভাগই আনস্টিচড থাকে। ফলে নিজের পছন্দমতো ডিজাইন করাতে সবাই দর্জির কাছে ছুটছেন। তাই দর্জিপাড়ায় এখন কাজের চাপ বেড়েছে কয়েক গুণ।
ধানমন্ডির শংকরের দর্জি আবদুল্লাহ্ জানান, ‘আমি যা অর্ডার পেয়েছি তার মধ্যে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশই পাকিস্তানি স্টাইলের। গত বছরের তুলনায় কাজের চাপ অনেক বেশি। ১৫ রোজার পর আমরা নতুন অর্ডার নেওয়া বন্ধ করে দিই। তারপরও প্রতিদিন ২০-৩০টা অর্ডারের অনুরোধ আসে। আগে নেওয়া কাজগুলো সময়মতো দিতে পারব কি না, সেই চিন্তাও থাকে।’
নিউমার্কেটের চাঁদনি চক এলাকার দর্জি রহমান জানান, এবারে সুতি কাপড়ের থ্রি-পিসে বেশি কাজ হচ্ছে। ভারী এমব্রয়ডারির পাশাপাশি সিম্পল কাটও বেশ জনপ্রিয়। কুর্তিতে রাজস্থানি কাট, আফগানি সালোয়ারের চাহিদা বেড়েছে। কামিজের হাতায় পাফ স্লিভস, অর্গানজা বর্ডার—এসব এখন ট্রেন্ডে আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘গত এক-দেড় বছর ধরে ঢিলেঢালা পোশাকের চাহিদা বেড়েছে। জামার ঝুল লম্বা হচ্ছে, হাতা ফুল স্লিভস হচ্ছে। আবার ফারসি স্টাইলের পোশাকে ঝুল তুলনামূলক ছোট থাকে। রঙের ক্ষেত্রে প্যাস্টেল টোন বেশি জনপ্রিয়। পাশাপাশি জামায় জরি ও সিকুইনসের কাজও বেড়েছে।’
তবে দর্জিদের মজুরি নিয়ে ক্রেতাদের কিছু অসন্তোষের কথাও শোনা যাচ্ছে। এক ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এবার দর্জিরা অনেক বেশি টাকা নিচ্ছে। একটা সাধারণ সুতি জামা বানাতে ১৫০০ টাকা কেন লাগবে?’ কারও কারও অভিযোগ, বেশি টাকা নেওয়ার পরও পছন্দমতো ডিজাইন করা হচ্ছে না, আবার সময়মতো ডেলিভারিও পাওয়া যাচ্ছে না।
অন্যদিকে দর্জিরা বলছেন, সেলাইয়ের সুতা, চেইন, বোতাম, লাইনিং (আস্তর) ও বকরমের দাম গত বছরের তুলনায় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। কারিগরদের মজুরিও বেড়েছে।
দর্জিপাড়ার আসল প্রাণ হলো কারিগররা। তারাই সুঁই-সুতা হাতে বসে তৈরি করেন ঈদের নতুন পোশাক। সুমি নামে সাভারের একজন কারিগর জানান, ঈদের সময় তাঁরা দিনে ১৫-১৬ ঘণ্টা কাজ করেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পিস হিসেবে মজুরি পান। সারারাত জেগে অন্যের ঈদের আনন্দের পোশাক সেলাই করলেও, নিজেদের ঘরে ঈদের আয়োজন করতে গিয়ে অনেক সময়ই হিমশিম খেতে হয়। তাঁর কথায়, ‘মালিকরা জামার মজুরি বাড়ালেও আমাদের পারিশ্রমিক সে হারে বাড়ে না।’
অন্যদিকে, দোকান মালিকদের দাবি, দোকান ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, সুতা, কাপড়সহ অন্যান্য কাঁচামালের দাম অনেক বেড়েছে। এসব খরচ সামলে কারিগরদের বেশি মজুরি দেওয়া সব সময় সম্ভব হয় না।
ঢাকার আজিমপুরের এক দোকান মালিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘ঈদের সময় সবাই দ্রুত কাজ চায়। কিন্তু একটা জামা ঠিকভাবে বানাতে সময় লাগে। তাড়াহুড়ো করলে ভুল হয়, আবার সময়মতো না দিলে ক্রেতা অসন্তুষ্ট হয়। এই দুইয়ের মাঝে ব্যালান্স করাটাই সবচেয়ে কঠিন।’
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দর্জি পেশা বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষুদ্র অর্থনৈতিক খাত। এই খাতের সঙ্গে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে জড়িত আছেন হাজার হাজার মানুষ—দর্জি, কারিগর, কাপড় ব্যবসায়ী, অ্যাকসেসরিজ সরবরাহকারী—সব মিলিয়ে অনেক মানুষ। ঈদের সময় এই খাতের অর্থনৈতিক কার্যক্রম কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
কিন্তু এই ব্যস্ততার ভেতরেই রয়ে যায় এক অদৃশ্য বাস্তবতা—কারিগরদের কর্মঘণ্টা, আর অনিশ্চিত মজুরি। তবুও তাঁরা থেমে থাকেন না। কারণ তাঁদের হাতের কাজেই তৈরি হয় অন্যের উৎসবের আনন্দ।
ঈদের সকালে আমরা যখন নতুন পোশাক পরে আয়নার সামনে দাঁড়াই, তখন হয়তো ভাবি না, এই পোশাকের পেছনে আছে কারো নির্ঘুম রাত, ক্লান্ত চোখ আর অগণিত সেলাইয়ের দাগ। আসলে সুঁই-সুতার সেই অদৃশ্য ছন্দই আমাদের ঈদকে করে তোলে পূর্ণ, সুন্দর আর পরিপাটি।

ঈদের চাঁদ উঠতে এখনো কয়েকদিন বাকি। কিন্তু দর্জিদের ‘ক্যালেন্ডারে ঈদ’ যেন এসে গেছে শবে বরাতের পর থেকেই। সেই সময় থেকেই শুরু হয়ে যায় ব্যস্ততা, যা দিন যত যায় ততই বাড়তে থাকে।
ঈদ মানেই নতুন পোশাক। আর নতুন পোশাক মানেই দর্জির দোকানে ভিড়। তাই ঈদুল ফিতর হোক বা ঈদুল আজহা—এই সময়টাই দর্জি বা টেইলরিং শিল্পের মানুষের জন্য বছরের সবচেয়ে ব্যস্ততম সময়।
ঢাকার নিউমার্কেট, ধানমন্ডি, আজিমপুর বা সাভার—যেখানেই যাওয়া যায়, একই দৃশ্য। দোকানের ভেতরে কাঁচির কচ-কচ শব্দ, সেলাই মেশিনের খটখট আওয়াজ, সব মিলিয়ে এক ধরনের উৎসবের পরিবেশ। ব্যস্ত হাতে কাপড় কাটছেন কেউ, কেউ আবার সেলাই মেশিনে ঝুঁকে শেষ করছেন অর্ডার।
দর্জিদের অনেকেই বলছেন, গত বছরের তুলনায় এবার কাজের চাপ বেশি। এর বড় কারণ বর্তমান ফ্যাশন ট্রেন্ড। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন পাকিস্তানি ড্রেসের দারুণ প্রভাব। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম বা টিকটক খুললেই চোখে পড়ে বিভিন্ন ডিজাইনের সালোয়ার-কামিজ বা ফারসি স্টাইলের পোশাক। অভিনেত্রী হানিয়া আমির বা ইয়ুমনার মতো তারকার পোশাক দেখে অনেক তরুণী সেগুলো অনুসরণ করছেন।
এই ধরনের পোশাকের বেশিরভাগই আনস্টিচড থাকে। ফলে নিজের পছন্দমতো ডিজাইন করাতে সবাই দর্জির কাছে ছুটছেন। তাই দর্জিপাড়ায় এখন কাজের চাপ বেড়েছে কয়েক গুণ।
ধানমন্ডির শংকরের দর্জি আবদুল্লাহ্ জানান, ‘আমি যা অর্ডার পেয়েছি তার মধ্যে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশই পাকিস্তানি স্টাইলের। গত বছরের তুলনায় কাজের চাপ অনেক বেশি। ১৫ রোজার পর আমরা নতুন অর্ডার নেওয়া বন্ধ করে দিই। তারপরও প্রতিদিন ২০-৩০টা অর্ডারের অনুরোধ আসে। আগে নেওয়া কাজগুলো সময়মতো দিতে পারব কি না, সেই চিন্তাও থাকে।’
নিউমার্কেটের চাঁদনি চক এলাকার দর্জি রহমান জানান, এবারে সুতি কাপড়ের থ্রি-পিসে বেশি কাজ হচ্ছে। ভারী এমব্রয়ডারির পাশাপাশি সিম্পল কাটও বেশ জনপ্রিয়। কুর্তিতে রাজস্থানি কাট, আফগানি সালোয়ারের চাহিদা বেড়েছে। কামিজের হাতায় পাফ স্লিভস, অর্গানজা বর্ডার—এসব এখন ট্রেন্ডে আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘গত এক-দেড় বছর ধরে ঢিলেঢালা পোশাকের চাহিদা বেড়েছে। জামার ঝুল লম্বা হচ্ছে, হাতা ফুল স্লিভস হচ্ছে। আবার ফারসি স্টাইলের পোশাকে ঝুল তুলনামূলক ছোট থাকে। রঙের ক্ষেত্রে প্যাস্টেল টোন বেশি জনপ্রিয়। পাশাপাশি জামায় জরি ও সিকুইনসের কাজও বেড়েছে।’
তবে দর্জিদের মজুরি নিয়ে ক্রেতাদের কিছু অসন্তোষের কথাও শোনা যাচ্ছে। এক ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এবার দর্জিরা অনেক বেশি টাকা নিচ্ছে। একটা সাধারণ সুতি জামা বানাতে ১৫০০ টাকা কেন লাগবে?’ কারও কারও অভিযোগ, বেশি টাকা নেওয়ার পরও পছন্দমতো ডিজাইন করা হচ্ছে না, আবার সময়মতো ডেলিভারিও পাওয়া যাচ্ছে না।
অন্যদিকে দর্জিরা বলছেন, সেলাইয়ের সুতা, চেইন, বোতাম, লাইনিং (আস্তর) ও বকরমের দাম গত বছরের তুলনায় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। কারিগরদের মজুরিও বেড়েছে।
দর্জিপাড়ার আসল প্রাণ হলো কারিগররা। তারাই সুঁই-সুতা হাতে বসে তৈরি করেন ঈদের নতুন পোশাক। সুমি নামে সাভারের একজন কারিগর জানান, ঈদের সময় তাঁরা দিনে ১৫-১৬ ঘণ্টা কাজ করেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পিস হিসেবে মজুরি পান। সারারাত জেগে অন্যের ঈদের আনন্দের পোশাক সেলাই করলেও, নিজেদের ঘরে ঈদের আয়োজন করতে গিয়ে অনেক সময়ই হিমশিম খেতে হয়। তাঁর কথায়, ‘মালিকরা জামার মজুরি বাড়ালেও আমাদের পারিশ্রমিক সে হারে বাড়ে না।’
অন্যদিকে, দোকান মালিকদের দাবি, দোকান ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, সুতা, কাপড়সহ অন্যান্য কাঁচামালের দাম অনেক বেড়েছে। এসব খরচ সামলে কারিগরদের বেশি মজুরি দেওয়া সব সময় সম্ভব হয় না।
ঢাকার আজিমপুরের এক দোকান মালিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘ঈদের সময় সবাই দ্রুত কাজ চায়। কিন্তু একটা জামা ঠিকভাবে বানাতে সময় লাগে। তাড়াহুড়ো করলে ভুল হয়, আবার সময়মতো না দিলে ক্রেতা অসন্তুষ্ট হয়। এই দুইয়ের মাঝে ব্যালান্স করাটাই সবচেয়ে কঠিন।’
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দর্জি পেশা বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষুদ্র অর্থনৈতিক খাত। এই খাতের সঙ্গে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে জড়িত আছেন হাজার হাজার মানুষ—দর্জি, কারিগর, কাপড় ব্যবসায়ী, অ্যাকসেসরিজ সরবরাহকারী—সব মিলিয়ে অনেক মানুষ। ঈদের সময় এই খাতের অর্থনৈতিক কার্যক্রম কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
কিন্তু এই ব্যস্ততার ভেতরেই রয়ে যায় এক অদৃশ্য বাস্তবতা—কারিগরদের কর্মঘণ্টা, আর অনিশ্চিত মজুরি। তবুও তাঁরা থেমে থাকেন না। কারণ তাঁদের হাতের কাজেই তৈরি হয় অন্যের উৎসবের আনন্দ।
ঈদের সকালে আমরা যখন নতুন পোশাক পরে আয়নার সামনে দাঁড়াই, তখন হয়তো ভাবি না, এই পোশাকের পেছনে আছে কারো নির্ঘুম রাত, ক্লান্ত চোখ আর অগণিত সেলাইয়ের দাগ। আসলে সুঁই-সুতার সেই অদৃশ্য ছন্দই আমাদের ঈদকে করে তোলে পূর্ণ, সুন্দর আর পরিপাটি।

স্বাক্ষরটি বেশ বড়, স্পষ্ট আর নজরকাড়া। বহু বছর ধরেই তাঁর এই স্বাক্ষরটি মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করে আসছে। ট্রাম্প নিজেও নিজের স্বাক্ষর নিয়ে বেশ গর্বিত। ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সামরিক নেতাদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি আমার স্বাক্ষর খুব ভালোবাসি, সত্যি বলছি। সবাই আমার স্বাক্ষর পছন্দ করে।
১২ ঘণ্টা আগে
কিছুদিন আগেই মাইগ্রেনের ব্যথায় মৃত্যুবরণ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ইউএনও। মাইগ্রেন আর সাধারণ মাথাব্যথা যে এক জিনিস নয়, এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত হয়েছেন ঠিকই কিন্তু এই ব্যথা কেন হয় বা কীভাবে এই ব্যথাকে জীবন থেকে পুরোপুরি বিদায় করা যায়, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি।
১৩ ঘণ্টা আগে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবট মানুষের একাকীত্ব কমাতে বেশ সাহায্য করে। বিশেষ করে যাদের আশেপাশে কথা বলার মতো কেউ নেই, তাদের জন্য এটি খুব উপকারী।
২ দিন আগে
আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা অন্যদের সঙ্গে মেলামেশা করতে কিংবা আড্ডা দিতে খুব পছন্দ করেন। এই মানুষদের আমরা ‘সামাজিক মানুষ’ বলে জানি। তাদের নিয়ে সাধারণত কারও কোনো দুশ্চিন্তা বা অভিযোগ থাকে না। কিন্তু যারা একটু চুপচাপ বা একা থাকতে ভালোবাসেন, তাদের নিয়ে আমাদের অনেকেরই অভিযোগের শেষ নেই।
২ দিন আগে