স্ট্রিম ডেস্ক

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা কত টাকা বেতন-ভাতা পান, এ প্রশ্নটি সাধারণ মানুষের মধ্যে বরাবরই কৌতূহলের জন্ম দেয়। বিশেষ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠনের সময় এই আলোচনা আরও জোরালো হয়। বেতনের বাইরে তাঁরা আর কী কী সুযোগ-সুবিধা পান, রাষ্ট্র তাঁদের পেছনে কী ধরনের খরচ বহন করে, এসব নিয়েও মানুষের আগ্রহ কম নয়।
মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের বেতন-ভাতা নির্ধারিত হয় ‘দ্য মিনিস্টার্স, মিনিস্টার্স অব স্টেট অ্যান্ড ডেপুটি মিনিস্টার্স (রিমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) অ্যাক্ট’ অনুযায়ী। ১৯৭৩ সালের ৪ এপ্রিল তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর আদেশে এই অধ্যাদেশ জারি হয়। সর্বশেষ ২০১৬ সালের ১২ মে এ আইনে সংশোধন আনা হয়। এই আইনের আওতায় মন্ত্রীপরিষদের সদস্যদের বেতন ও অন্যান্য সুবিধা নির্ধারণ করা হয়।
দেশে সর্বোচ্চ বেতন পান রাষ্ট্রপতি; মাসিক ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। প্রধানমন্ত্রীর মাসিক বেতন ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত ও সরকারি সব ব্যয় রাষ্ট্র বহন করে।
একজন মন্ত্রীর মাসিক বেতন ১ লাখ ৫ হাজার টাকা। প্রতিমন্ত্রী পান ৯২ হাজার টাকা এবং উপমন্ত্রী পান ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা। অসুস্থ হলে তাঁদের চিকিৎসা ব্যয়ও সরকার বহন করে।
সরকারি কাজে বিদেশ সফরে গেলে মন্ত্রীদের দৈনিক ৫০০ থেকে ৭০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত ভ্রমণ ভাতা দেওয়া হয়।
মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা সরকারি খরচে একটি করে গাড়ি পান। জ্বালানি বাবদ তাঁরা দৈনিক ১৮ লিটার জ্বালানি তেলের সমপরিমাণ অর্থ পান। এ ছাড়া মাসিক পরিবহন ভাতা হিসেবে পান ৭০ হাজার টাকা। নির্বাচনী এলাকায় যাতায়াতের জন্য আলাদাভাবে মাসে ১২ হাজার ৫০০ টাকা দেওয়া হয়।
সংসদ সদস্যরা সরকারের কাছ থেকে প্লট পেয়ে থাকেন। মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা পান সরকারি বাসা। তাঁদের বাসভবনের বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি ও টেলিফোন ব্যয় সরকার বহন করে। সরকারি বাসায় না থাকলে একজন মন্ত্রী মাসে ৮০ হাজার টাকা এবং প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী মাসে ৭০ হাজার টাকা করে বাড়িভাড়া পান।
সরকারি বাসভবনের সাজসজ্জার জন্য একজন মন্ত্রী বছরে ৫ লাখ টাকা পান। প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা পান ৪ লাখ টাকা। নিজ বাড়ি বা ভাড়া বাড়িতে থাকলে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বছরে তিন মাসের বাড়িভাড়ার সমপরিমাণ অর্থ দেওয়া হয়।
মন্ত্রীরা মাসে ৫ হাজার টাকা সম্মানী ভাতা পান। টেলিফোন ভাতা ৭ হাজার ৮০০ টাকা, লন্ড্রি ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং ক্রোকারিজ ও টয়লেট্রিজ কেনার জন্য মাসে ৬ হাজার টাকা পান।
আপ্যায়ন ভাতা বাবদ একজন মন্ত্রী মাসে ১০ হাজার টাকা পান। প্রতিমন্ত্রী পান ৭ হাজার ৫০০ টাকা এবং উপমন্ত্রী পান ৫ হাজার টাকা।
নিজ নির্বাচনী এলাকায় মসজিদ-মন্দির উন্নয়নসহ দাতব্য কাজে একজন মন্ত্রী বছরে ১০ লাখ টাকা পান। প্রতিমন্ত্রী পান সাড়ে ৭ লাখ টাকা এবং উপমন্ত্রী পান ৫ লাখ টাকা। এ ছাড়া রয়েছে বছরে ৫ লাখ টাকার স্বেচ্ছাধীন তহবিল।
নির্বাচনী এলাকায় অফিস খরচের জন্য প্রতি মাসে ১৫ হাজার টাকা পান সংসদ সদস্যরা। স্থানীয় পর্যায়ে কাজের বিনিময়ে খাদ্য, বয়স্ক ভাতা, নানা ধরনের সামাজিক নিরাপত্তা-বেষ্টনীসহ প্রায় ৪০ ধরনের প্রকল্প আছে। এসব প্রকল্প থেকে কারা সুবিধা পাবেন, তা সংসদ সদস্যের সম্মতির ভিত্তিতে হয়ে থাকে।
আইন অনুযায়ী মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা উপসচিব পদমর্যাদার একজন একান্ত সচিব (পিএস), একজন সহকারী একান্ত সচিব এবং নিজ পছন্দের একজন সহকারী একান্ত সচিব পান। তাঁদের দপ্তরে আরও থাকেন দুইজন ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, একজন জমাদার, একজন আরদালি, দুইজন অফিস সহায়ক ও একজন পাচক। সরকারি দায়িত্ব পালনে দাপ্তরিক সমন্বয় ও ব্যক্তিগত কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধার্থে এ জনবল কাঠামো নির্ধারিত রয়েছে।
অন্যদিকে প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা পান একজন একান্ত সচিব, একজন ব্যক্তিগত সহকারী, একজন জমাদার, একজন আরদালি ও একজন অফিস সহায়ক। পাশাপাশি মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা একটি করে সরকারি মোবাইল ফোন সুবিধা পেয়ে থাকেন, যার ব্যয় সরকার বহন করে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা কত টাকা বেতন-ভাতা পান, এ প্রশ্নটি সাধারণ মানুষের মধ্যে বরাবরই কৌতূহলের জন্ম দেয়। বিশেষ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠনের সময় এই আলোচনা আরও জোরালো হয়। বেতনের বাইরে তাঁরা আর কী কী সুযোগ-সুবিধা পান, রাষ্ট্র তাঁদের পেছনে কী ধরনের খরচ বহন করে, এসব নিয়েও মানুষের আগ্রহ কম নয়।
মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের বেতন-ভাতা নির্ধারিত হয় ‘দ্য মিনিস্টার্স, মিনিস্টার্স অব স্টেট অ্যান্ড ডেপুটি মিনিস্টার্স (রিমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) অ্যাক্ট’ অনুযায়ী। ১৯৭৩ সালের ৪ এপ্রিল তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর আদেশে এই অধ্যাদেশ জারি হয়। সর্বশেষ ২০১৬ সালের ১২ মে এ আইনে সংশোধন আনা হয়। এই আইনের আওতায় মন্ত্রীপরিষদের সদস্যদের বেতন ও অন্যান্য সুবিধা নির্ধারণ করা হয়।
দেশে সর্বোচ্চ বেতন পান রাষ্ট্রপতি; মাসিক ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। প্রধানমন্ত্রীর মাসিক বেতন ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত ও সরকারি সব ব্যয় রাষ্ট্র বহন করে।
একজন মন্ত্রীর মাসিক বেতন ১ লাখ ৫ হাজার টাকা। প্রতিমন্ত্রী পান ৯২ হাজার টাকা এবং উপমন্ত্রী পান ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা। অসুস্থ হলে তাঁদের চিকিৎসা ব্যয়ও সরকার বহন করে।
সরকারি কাজে বিদেশ সফরে গেলে মন্ত্রীদের দৈনিক ৫০০ থেকে ৭০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত ভ্রমণ ভাতা দেওয়া হয়।
মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা সরকারি খরচে একটি করে গাড়ি পান। জ্বালানি বাবদ তাঁরা দৈনিক ১৮ লিটার জ্বালানি তেলের সমপরিমাণ অর্থ পান। এ ছাড়া মাসিক পরিবহন ভাতা হিসেবে পান ৭০ হাজার টাকা। নির্বাচনী এলাকায় যাতায়াতের জন্য আলাদাভাবে মাসে ১২ হাজার ৫০০ টাকা দেওয়া হয়।
সংসদ সদস্যরা সরকারের কাছ থেকে প্লট পেয়ে থাকেন। মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা পান সরকারি বাসা। তাঁদের বাসভবনের বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি ও টেলিফোন ব্যয় সরকার বহন করে। সরকারি বাসায় না থাকলে একজন মন্ত্রী মাসে ৮০ হাজার টাকা এবং প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী মাসে ৭০ হাজার টাকা করে বাড়িভাড়া পান।
সরকারি বাসভবনের সাজসজ্জার জন্য একজন মন্ত্রী বছরে ৫ লাখ টাকা পান। প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা পান ৪ লাখ টাকা। নিজ বাড়ি বা ভাড়া বাড়িতে থাকলে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বছরে তিন মাসের বাড়িভাড়ার সমপরিমাণ অর্থ দেওয়া হয়।
মন্ত্রীরা মাসে ৫ হাজার টাকা সম্মানী ভাতা পান। টেলিফোন ভাতা ৭ হাজার ৮০০ টাকা, লন্ড্রি ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং ক্রোকারিজ ও টয়লেট্রিজ কেনার জন্য মাসে ৬ হাজার টাকা পান।
আপ্যায়ন ভাতা বাবদ একজন মন্ত্রী মাসে ১০ হাজার টাকা পান। প্রতিমন্ত্রী পান ৭ হাজার ৫০০ টাকা এবং উপমন্ত্রী পান ৫ হাজার টাকা।
নিজ নির্বাচনী এলাকায় মসজিদ-মন্দির উন্নয়নসহ দাতব্য কাজে একজন মন্ত্রী বছরে ১০ লাখ টাকা পান। প্রতিমন্ত্রী পান সাড়ে ৭ লাখ টাকা এবং উপমন্ত্রী পান ৫ লাখ টাকা। এ ছাড়া রয়েছে বছরে ৫ লাখ টাকার স্বেচ্ছাধীন তহবিল।
নির্বাচনী এলাকায় অফিস খরচের জন্য প্রতি মাসে ১৫ হাজার টাকা পান সংসদ সদস্যরা। স্থানীয় পর্যায়ে কাজের বিনিময়ে খাদ্য, বয়স্ক ভাতা, নানা ধরনের সামাজিক নিরাপত্তা-বেষ্টনীসহ প্রায় ৪০ ধরনের প্রকল্প আছে। এসব প্রকল্প থেকে কারা সুবিধা পাবেন, তা সংসদ সদস্যের সম্মতির ভিত্তিতে হয়ে থাকে।
আইন অনুযায়ী মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা উপসচিব পদমর্যাদার একজন একান্ত সচিব (পিএস), একজন সহকারী একান্ত সচিব এবং নিজ পছন্দের একজন সহকারী একান্ত সচিব পান। তাঁদের দপ্তরে আরও থাকেন দুইজন ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, একজন জমাদার, একজন আরদালি, দুইজন অফিস সহায়ক ও একজন পাচক। সরকারি দায়িত্ব পালনে দাপ্তরিক সমন্বয় ও ব্যক্তিগত কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধার্থে এ জনবল কাঠামো নির্ধারিত রয়েছে।
অন্যদিকে প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা পান একজন একান্ত সচিব, একজন ব্যক্তিগত সহকারী, একজন জমাদার, একজন আরদালি ও একজন অফিস সহায়ক। পাশাপাশি মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা একটি করে সরকারি মোবাইল ফোন সুবিধা পেয়ে থাকেন, যার ব্যয় সরকার বহন করে।

স্বাক্ষরটি বেশ বড়, স্পষ্ট আর নজরকাড়া। বহু বছর ধরেই তাঁর এই স্বাক্ষরটি মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করে আসছে। ট্রাম্প নিজেও নিজের স্বাক্ষর নিয়ে বেশ গর্বিত। ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সামরিক নেতাদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি আমার স্বাক্ষর খুব ভালোবাসি, সত্যি বলছি। সবাই আমার স্বাক্ষর পছন্দ করে।
১৩ ঘণ্টা আগে
কিছুদিন আগেই মাইগ্রেনের ব্যথায় মৃত্যুবরণ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ইউএনও। মাইগ্রেন আর সাধারণ মাথাব্যথা যে এক জিনিস নয়, এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত হয়েছেন ঠিকই কিন্তু এই ব্যথা কেন হয় বা কীভাবে এই ব্যথাকে জীবন থেকে পুরোপুরি বিদায় করা যায়, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি।
১৪ ঘণ্টা আগে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবট মানুষের একাকীত্ব কমাতে বেশ সাহায্য করে। বিশেষ করে যাদের আশেপাশে কথা বলার মতো কেউ নেই, তাদের জন্য এটি খুব উপকারী।
২ দিন আগে
আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা অন্যদের সঙ্গে মেলামেশা করতে কিংবা আড্ডা দিতে খুব পছন্দ করেন। এই মানুষদের আমরা ‘সামাজিক মানুষ’ বলে জানি। তাদের নিয়ে সাধারণত কারও কোনো দুশ্চিন্তা বা অভিযোগ থাকে না। কিন্তু যারা একটু চুপচাপ বা একা থাকতে ভালোবাসেন, তাদের নিয়ে আমাদের অনেকেরই অভিযোগের শেষ নেই।
৩ দিন আগে