স্ট্রিম ডেস্ক

আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ত্বকেও লাগে পরিবর্তনের ছোঁয়া। বিশেষ করে, শীতকালে ত্বকের সুরক্ষায় সবাইকেই বাড়তি মনযোগ দিতে হয়। আর শীতের তীব্রতা বেশি হলে তো কথাই নেই। কারণ, শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ত্বক তার স্বাভাবিক আর্দ্রতা হারিয়ে রুক্ষ ও খসখসে হয়ে পড়ে।
এছাড়া অতিরিক্ত শীতে বাতাসে আর্দ্রতা স্বাভাবিকের চেয়ে কমে যায়। শুষ্ক বাতাসের কারণে ধুলাবালি সহজে উড়ে বেড়ায়, ফলে ত্বক আরও বেশি শুষ্ক হয়ে পড়তে পারে। যার ফলে ত্বকের আর্দ্রতা কমে যাওয়ার পাশাপাশি মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণে ময়লা জমে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। অতিরিক্ত শীতে ত্বকের যত্নে নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চললে ত্বক নিয়ে আর দুশ্চিন্তায় পড়তে হবে না।
মায়ো ক্লিনিক-এর মতে, শীতকালে দীর্ঘ সময় ধরে গরম পানিতে গোসল করা ত্বকের জন্য বেশ ক্ষতিকর। কারণ গরম পানি ত্বকের প্রাকৃতিক তেল ধুয়ে ফেলে। গোসলের জন্য ফুটন্ত গরম পানির বদলে ‘কুসুম গরম’ পানি ব্যবহার করুন। গোসল বা শাওয়ারের সময় ৫ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখুন।
স্বাস্থ্য বিষয়ক জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হেলথলাইন বলছে, শীতে ওয়াটার-বেসড বা পাতলা লোশনের চেয়ে অয়েল-বেসড বা ঘন অয়েনমেন্ট এবং ময়েশ্চারাইজার বেশি কার্যকর। পণ্য কেনার সময় লেবেলে দেখুন—গ্লিসারিন, সিয়া বাটার, কোকো বাটার, সেরামাইড বা হায়ালুরোনিক অ্যাসিড আছে কি না। এই উপাদানগুলো ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে জাদুকরী ভূমিকা রাখে। তবে ময়েশ্চারাইজার কেনার সময় অবশ্যই ত্বকের ধরণ বুঝে কিনতে হবে।
আমেরিকান একাডেমি অফ ডার্মাটোলজি ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখতে একটি বিশেষ নিয়মের কথা বলে, যা ‘৩ মিনিটের নিয়ম’ নামে পরিচিত। গা মোছার পর ত্বক পুরোপুরি শুকিয়ে ফেলার আগেই, অর্থাৎ গোসলের ৩ মিনিটের মধ্যে ময়েশ্চারাইজার লাগালে ত্বক ভালো থাকবে। এতে ত্বকের ছিদ্রগুলো খোলা থাকে এবং আর্দ্রতা বা ময়েশ্চার ত্বকের গভীরে লক হয়ে যায়।
শীতে আমরা উলের কাপড় বেশি পরি। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরাসরি উলের কাপড় ত্বকের সংস্পর্শে এলে অনেকের একজিমা বা চুলকানি বেড়ে যেতে পারে। উলের সোয়েটার বা জ্যাকেটের নিচে হালকা সুতির পোশাক পরুন। এটি ত্বকের জন্য একটি সুরক্ষা স্তর বা ব্যারিয়ার হিসেবে কাজ করবে।
ত্বক ভালো রাখতে শুধু ক্রিম মাখলেই হবে না, খেতে হবে সঠিক খাবার। শীতে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার (যেমন—সামুদ্রিক মাছ, আখরোট, ফ্ল্যাক্স সিড বা তিসির বীজ) খান। এগুলো ত্বকের কোষকে সজীব রাখে। এছাড়া ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা রোধে দিনে অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করা জরুরি।
শীতের মিঠে রোদে বসতে সবারই ভালো লাগে। কিন্তু শীতকালেও সূর্যের ক্ষতিকর ইউভি রশ্মি সক্রিয় থাকে, যা ত্বকের বার্ধক্য ও পিগমেন্টেশনের জন্য দায়ী। তাই বাইরে বের হওয়ার আগে অবশ্যই এসপিএফ ৩০ বা তার বেশি মাত্রার সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।
ঘরে জলীয় বাষ্পের অনুপাত ঠিক রাখতে হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করতে পারেন। এর মাধ্যমে রুমের জলীয় বাষ্প ৪০ থেকে ৬০ শতাংশে রাখ্তে হবে। বিশেষ করে একজিমা, সোরিয়াসিস, ইকথাওসিস ইত্যাদি রোগে যারা ভুগে থাকেন তাদের জন্য হিউমিডিফায়ার বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখে।
এই পরামর্শগুলো মেনে চললে হাড়কাঁপানো শীতেও আপনার ত্বক থাকবে কোমল, সজীব ও সুরক্ষিত।

আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ত্বকেও লাগে পরিবর্তনের ছোঁয়া। বিশেষ করে, শীতকালে ত্বকের সুরক্ষায় সবাইকেই বাড়তি মনযোগ দিতে হয়। আর শীতের তীব্রতা বেশি হলে তো কথাই নেই। কারণ, শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ত্বক তার স্বাভাবিক আর্দ্রতা হারিয়ে রুক্ষ ও খসখসে হয়ে পড়ে।
এছাড়া অতিরিক্ত শীতে বাতাসে আর্দ্রতা স্বাভাবিকের চেয়ে কমে যায়। শুষ্ক বাতাসের কারণে ধুলাবালি সহজে উড়ে বেড়ায়, ফলে ত্বক আরও বেশি শুষ্ক হয়ে পড়তে পারে। যার ফলে ত্বকের আর্দ্রতা কমে যাওয়ার পাশাপাশি মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণে ময়লা জমে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। অতিরিক্ত শীতে ত্বকের যত্নে নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চললে ত্বক নিয়ে আর দুশ্চিন্তায় পড়তে হবে না।
মায়ো ক্লিনিক-এর মতে, শীতকালে দীর্ঘ সময় ধরে গরম পানিতে গোসল করা ত্বকের জন্য বেশ ক্ষতিকর। কারণ গরম পানি ত্বকের প্রাকৃতিক তেল ধুয়ে ফেলে। গোসলের জন্য ফুটন্ত গরম পানির বদলে ‘কুসুম গরম’ পানি ব্যবহার করুন। গোসল বা শাওয়ারের সময় ৫ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখুন।
স্বাস্থ্য বিষয়ক জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হেলথলাইন বলছে, শীতে ওয়াটার-বেসড বা পাতলা লোশনের চেয়ে অয়েল-বেসড বা ঘন অয়েনমেন্ট এবং ময়েশ্চারাইজার বেশি কার্যকর। পণ্য কেনার সময় লেবেলে দেখুন—গ্লিসারিন, সিয়া বাটার, কোকো বাটার, সেরামাইড বা হায়ালুরোনিক অ্যাসিড আছে কি না। এই উপাদানগুলো ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে জাদুকরী ভূমিকা রাখে। তবে ময়েশ্চারাইজার কেনার সময় অবশ্যই ত্বকের ধরণ বুঝে কিনতে হবে।
আমেরিকান একাডেমি অফ ডার্মাটোলজি ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখতে একটি বিশেষ নিয়মের কথা বলে, যা ‘৩ মিনিটের নিয়ম’ নামে পরিচিত। গা মোছার পর ত্বক পুরোপুরি শুকিয়ে ফেলার আগেই, অর্থাৎ গোসলের ৩ মিনিটের মধ্যে ময়েশ্চারাইজার লাগালে ত্বক ভালো থাকবে। এতে ত্বকের ছিদ্রগুলো খোলা থাকে এবং আর্দ্রতা বা ময়েশ্চার ত্বকের গভীরে লক হয়ে যায়।
শীতে আমরা উলের কাপড় বেশি পরি। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরাসরি উলের কাপড় ত্বকের সংস্পর্শে এলে অনেকের একজিমা বা চুলকানি বেড়ে যেতে পারে। উলের সোয়েটার বা জ্যাকেটের নিচে হালকা সুতির পোশাক পরুন। এটি ত্বকের জন্য একটি সুরক্ষা স্তর বা ব্যারিয়ার হিসেবে কাজ করবে।
ত্বক ভালো রাখতে শুধু ক্রিম মাখলেই হবে না, খেতে হবে সঠিক খাবার। শীতে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার (যেমন—সামুদ্রিক মাছ, আখরোট, ফ্ল্যাক্স সিড বা তিসির বীজ) খান। এগুলো ত্বকের কোষকে সজীব রাখে। এছাড়া ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা রোধে দিনে অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করা জরুরি।
শীতের মিঠে রোদে বসতে সবারই ভালো লাগে। কিন্তু শীতকালেও সূর্যের ক্ষতিকর ইউভি রশ্মি সক্রিয় থাকে, যা ত্বকের বার্ধক্য ও পিগমেন্টেশনের জন্য দায়ী। তাই বাইরে বের হওয়ার আগে অবশ্যই এসপিএফ ৩০ বা তার বেশি মাত্রার সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।
ঘরে জলীয় বাষ্পের অনুপাত ঠিক রাখতে হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করতে পারেন। এর মাধ্যমে রুমের জলীয় বাষ্প ৪০ থেকে ৬০ শতাংশে রাখ্তে হবে। বিশেষ করে একজিমা, সোরিয়াসিস, ইকথাওসিস ইত্যাদি রোগে যারা ভুগে থাকেন তাদের জন্য হিউমিডিফায়ার বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখে।
এই পরামর্শগুলো মেনে চললে হাড়কাঁপানো শীতেও আপনার ত্বক থাকবে কোমল, সজীব ও সুরক্ষিত।

স্বাক্ষরটি বেশ বড়, স্পষ্ট আর নজরকাড়া। বহু বছর ধরেই তাঁর এই স্বাক্ষরটি মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করে আসছে। ট্রাম্প নিজেও নিজের স্বাক্ষর নিয়ে বেশ গর্বিত। ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সামরিক নেতাদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি আমার স্বাক্ষর খুব ভালোবাসি, সত্যি বলছি। সবাই আমার স্বাক্ষর পছন্দ করে।
১৪ ঘণ্টা আগে
কিছুদিন আগেই মাইগ্রেনের ব্যথায় মৃত্যুবরণ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ইউএনও। মাইগ্রেন আর সাধারণ মাথাব্যথা যে এক জিনিস নয়, এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত হয়েছেন ঠিকই কিন্তু এই ব্যথা কেন হয় বা কীভাবে এই ব্যথাকে জীবন থেকে পুরোপুরি বিদায় করা যায়, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি।
১৫ ঘণ্টা আগে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবট মানুষের একাকীত্ব কমাতে বেশ সাহায্য করে। বিশেষ করে যাদের আশেপাশে কথা বলার মতো কেউ নেই, তাদের জন্য এটি খুব উপকারী।
২ দিন আগে
আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা অন্যদের সঙ্গে মেলামেশা করতে কিংবা আড্ডা দিতে খুব পছন্দ করেন। এই মানুষদের আমরা ‘সামাজিক মানুষ’ বলে জানি। তাদের নিয়ে সাধারণত কারও কোনো দুশ্চিন্তা বা অভিযোগ থাকে না। কিন্তু যারা একটু চুপচাপ বা একা থাকতে ভালোবাসেন, তাদের নিয়ে আমাদের অনেকেরই অভিযোগের শেষ নেই।
৩ দিন আগে