স্ট্রিম প্রতিবেদক

মাঝে মাঝে রাস্তায় চলাফেরার সময় আমরা দেখি পথচারীর খিঁচুনি হচ্ছে। সবাই মিলে গোল হয়ে দেখতে থাকি। কেউ কেউ চামড়ার জুতা তাঁর নাকে ধরি। দাঁত লেগে গেলে মুখে আঙুল দিয়ে ছুটাতে যাই। এগুলো বিজ্ঞানসম্মত নয়। আবহমানকাল ধরে চলে আসছে। তাই আমরাও করি।
খাবার খাওয়ার সময় শ্বাসনালীতে আটকে মৃত্যুর ঘটনাও বেশ কমন। সে সময় মাথা ঠান্ডা রেখে প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে পারলে মৃত্যু রোধ করা সম্ভব। আবার কেউ পানিতে ডুবে গেলে তাঁকে তুলে এনে মাথায় তুলে চারপাশে ঘোরানো হয়। এতে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। জরুরি চিকিৎসা পদ্ধতি শেখা থাকলে ডুবন্ত ব্যক্তিকে সাহায্য করা যায়।
বিপদগ্রস্ত মানুষের উপকারে আসে– এমন সব বিষয়ের সমাধান পদ্ধতি নিয়ে অমর একুশে বইমেলায় আলোচনায় এসেছে ‘ছোটদের ফার্স্ট এইড’ বই। ডা. হুমায়ুন কবীর হিমুর বইটিতে ৫০টির মতো জরুরি চিকিৎসা পদ্ধতি সম্বন্ধে বিশদ আলোচনা রয়েছে। মজার বিষয়– বইটি শিশুদের উপযোগী করে লেখা, পড়লে যেন তারা হাতে-কলমে শিখতে পারে। সহজপাঠ্য বলে সহজেই শিশুরা জটিল চিকিৎসা পদ্ধতি শিখে বাস্তব জীবনে কাজে লাগাতে পারবে।

লেখক ডা. হুমায়ুন কবীর হিমু বলেছেন, আমাদের শিশুদের জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থা শেখানো গেলে, তারা বিদ্যমান কুসংস্কারগুলো ভাঙতে পারবে। বিজ্ঞানসম্মত জরুরি চিকিৎসা পদ্ধতি জানা থাকলে শিশুরাই আপৎকালীন চিকিৎসক হিসেবে অনেকের প্রাণ রক্ষা করতে পারবে।
তিনি বলেন, ১১টি অধ্যায়ে বইটিতে তুলে ধরেছি ফার্স্ট এইড চিকিৎসার আদ্যোপান্ত। বইটি সবার ঘরে রাখা উচিত। কিংবা থাকা উচিৎ ব্যাকপ্যাকে।
ছোটদের ফার্স্ট এইড বইটির প্রকাশক ‘কাকাতুয়া’। প্রচ্ছদ করেছেন সেলিম হোসেন সাজু। মেলার ১১০-১১১ নম্বর স্টলে মিলছে মাত্র ২৫০ টাকায়।

মাঝে মাঝে রাস্তায় চলাফেরার সময় আমরা দেখি পথচারীর খিঁচুনি হচ্ছে। সবাই মিলে গোল হয়ে দেখতে থাকি। কেউ কেউ চামড়ার জুতা তাঁর নাকে ধরি। দাঁত লেগে গেলে মুখে আঙুল দিয়ে ছুটাতে যাই। এগুলো বিজ্ঞানসম্মত নয়। আবহমানকাল ধরে চলে আসছে। তাই আমরাও করি।
খাবার খাওয়ার সময় শ্বাসনালীতে আটকে মৃত্যুর ঘটনাও বেশ কমন। সে সময় মাথা ঠান্ডা রেখে প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে পারলে মৃত্যু রোধ করা সম্ভব। আবার কেউ পানিতে ডুবে গেলে তাঁকে তুলে এনে মাথায় তুলে চারপাশে ঘোরানো হয়। এতে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। জরুরি চিকিৎসা পদ্ধতি শেখা থাকলে ডুবন্ত ব্যক্তিকে সাহায্য করা যায়।
বিপদগ্রস্ত মানুষের উপকারে আসে– এমন সব বিষয়ের সমাধান পদ্ধতি নিয়ে অমর একুশে বইমেলায় আলোচনায় এসেছে ‘ছোটদের ফার্স্ট এইড’ বই। ডা. হুমায়ুন কবীর হিমুর বইটিতে ৫০টির মতো জরুরি চিকিৎসা পদ্ধতি সম্বন্ধে বিশদ আলোচনা রয়েছে। মজার বিষয়– বইটি শিশুদের উপযোগী করে লেখা, পড়লে যেন তারা হাতে-কলমে শিখতে পারে। সহজপাঠ্য বলে সহজেই শিশুরা জটিল চিকিৎসা পদ্ধতি শিখে বাস্তব জীবনে কাজে লাগাতে পারবে।

লেখক ডা. হুমায়ুন কবীর হিমু বলেছেন, আমাদের শিশুদের জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থা শেখানো গেলে, তারা বিদ্যমান কুসংস্কারগুলো ভাঙতে পারবে। বিজ্ঞানসম্মত জরুরি চিকিৎসা পদ্ধতি জানা থাকলে শিশুরাই আপৎকালীন চিকিৎসক হিসেবে অনেকের প্রাণ রক্ষা করতে পারবে।
তিনি বলেন, ১১টি অধ্যায়ে বইটিতে তুলে ধরেছি ফার্স্ট এইড চিকিৎসার আদ্যোপান্ত। বইটি সবার ঘরে রাখা উচিত। কিংবা থাকা উচিৎ ব্যাকপ্যাকে।
ছোটদের ফার্স্ট এইড বইটির প্রকাশক ‘কাকাতুয়া’। প্রচ্ছদ করেছেন সেলিম হোসেন সাজু। মেলার ১১০-১১১ নম্বর স্টলে মিলছে মাত্র ২৫০ টাকায়।

স্বাক্ষরটি বেশ বড়, স্পষ্ট আর নজরকাড়া। বহু বছর ধরেই তাঁর এই স্বাক্ষরটি মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করে আসছে। ট্রাম্প নিজেও নিজের স্বাক্ষর নিয়ে বেশ গর্বিত। ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সামরিক নেতাদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি আমার স্বাক্ষর খুব ভালোবাসি, সত্যি বলছি। সবাই আমার স্বাক্ষর পছন্দ করে।
১২ ঘণ্টা আগে
কিছুদিন আগেই মাইগ্রেনের ব্যথায় মৃত্যুবরণ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ইউএনও। মাইগ্রেন আর সাধারণ মাথাব্যথা যে এক জিনিস নয়, এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত হয়েছেন ঠিকই কিন্তু এই ব্যথা কেন হয় বা কীভাবে এই ব্যথাকে জীবন থেকে পুরোপুরি বিদায় করা যায়, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি।
১৩ ঘণ্টা আগে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবট মানুষের একাকীত্ব কমাতে বেশ সাহায্য করে। বিশেষ করে যাদের আশেপাশে কথা বলার মতো কেউ নেই, তাদের জন্য এটি খুব উপকারী।
২ দিন আগে
আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা অন্যদের সঙ্গে মেলামেশা করতে কিংবা আড্ডা দিতে খুব পছন্দ করেন। এই মানুষদের আমরা ‘সামাজিক মানুষ’ বলে জানি। তাদের নিয়ে সাধারণত কারও কোনো দুশ্চিন্তা বা অভিযোগ থাকে না। কিন্তু যারা একটু চুপচাপ বা একা থাকতে ভালোবাসেন, তাদের নিয়ে আমাদের অনেকেরই অভিযোগের শেষ নেই।
২ দিন আগে