স্ট্রিম প্রতিবেদক

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ভিডিওতে দাবি করা হয়, চাঁদা না দেওয়ায় ট্রাকচালককে বিএনপির একজন নেতা প্রকাশ্যে মারধর করেছেন (১,২)। কোথাও কোথাও তাকে শ্রমিক দলের নেতা বলেও উল্লেখ করা হয়।
ভিডিওটি ঘিরে অনেকে মন্তব্য করেন। একজন ব্যবহারকারী লেখেন, ‘সে যেই দলের হোক রাস্তায় চাঁদাবাজি চলবে না, এদেরকে প্রতিরোধ করা আমাদের জনগণের দায়িত্ব।’
আরেকজন মন্তব্য করেন, ‘চাঁদা কেন দিবে না? জনগণ তো জেনেশুনেই চাঁদাবাজ দলকে ভোট দিছে। আগামী ৫ বছর জনগণের উচিত চাঁদা দেওয়া।’
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা যায়, দাবিটি সঠিক নয়। ভিডিওটি মূলত ট্রাক-সিএনজির সংঘর্ষ কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে ঘটা একটি ঘটনার।
অনুসন্ধানে জানা যায়, একই ঘটনার ভিডিও একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশ করা হয়েছে। যেখানে দাবি করা হয়, একটি ট্রাক তাদের সিএনজি অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজি চালক ক্ষুব্ধ হয়ে ট্রাকচালকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। ভিডিওতে ট্রাকের সামনে ক্ষতিগ্রস্ত অটোরিকশা এবং উভয় পক্ষের তর্কের দৃশ্য দেখা যায়। এখানে, কোথাও বিএনপি নেতা পরিচয়ের প্রমাণ মেলেনি।
যাচাইয়ে আরও দেখা যায়, ভাইরাল ভিডিওটি কেটে আংশিকভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, ফলে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ চিত্র প্রকাশ পায়নি। সম্পূর্ণ ভিডিওতে ট্রাক ও সিএনজির সংঘর্ষের বিষয়টি স্পষ্ট থাকলেও আলোচিত ভিডিওতে তা উল্লেখ করা হয়নি।
সুতরাং, সড়ক দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিএনজি চালকের ট্রাকচালককে মারধরের ঘটনাকে ‘চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি নেতার মারধর’ হিসেবে প্রচার করা বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন। মূল ঘটনা রাজনৈতিক চাঁদাবাজির ঘটনা নয়; বরং দুর্ঘটনা পরবর্তী তাৎক্ষণিক উত্তেজনার ফল।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ভিডিওতে দাবি করা হয়, চাঁদা না দেওয়ায় ট্রাকচালককে বিএনপির একজন নেতা প্রকাশ্যে মারধর করেছেন (১,২)। কোথাও কোথাও তাকে শ্রমিক দলের নেতা বলেও উল্লেখ করা হয়।
ভিডিওটি ঘিরে অনেকে মন্তব্য করেন। একজন ব্যবহারকারী লেখেন, ‘সে যেই দলের হোক রাস্তায় চাঁদাবাজি চলবে না, এদেরকে প্রতিরোধ করা আমাদের জনগণের দায়িত্ব।’
আরেকজন মন্তব্য করেন, ‘চাঁদা কেন দিবে না? জনগণ তো জেনেশুনেই চাঁদাবাজ দলকে ভোট দিছে। আগামী ৫ বছর জনগণের উচিত চাঁদা দেওয়া।’
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা যায়, দাবিটি সঠিক নয়। ভিডিওটি মূলত ট্রাক-সিএনজির সংঘর্ষ কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে ঘটা একটি ঘটনার।
অনুসন্ধানে জানা যায়, একই ঘটনার ভিডিও একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশ করা হয়েছে। যেখানে দাবি করা হয়, একটি ট্রাক তাদের সিএনজি অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজি চালক ক্ষুব্ধ হয়ে ট্রাকচালকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। ভিডিওতে ট্রাকের সামনে ক্ষতিগ্রস্ত অটোরিকশা এবং উভয় পক্ষের তর্কের দৃশ্য দেখা যায়। এখানে, কোথাও বিএনপি নেতা পরিচয়ের প্রমাণ মেলেনি।
যাচাইয়ে আরও দেখা যায়, ভাইরাল ভিডিওটি কেটে আংশিকভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, ফলে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ চিত্র প্রকাশ পায়নি। সম্পূর্ণ ভিডিওতে ট্রাক ও সিএনজির সংঘর্ষের বিষয়টি স্পষ্ট থাকলেও আলোচিত ভিডিওতে তা উল্লেখ করা হয়নি।
সুতরাং, সড়ক দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিএনজি চালকের ট্রাকচালককে মারধরের ঘটনাকে ‘চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি নেতার মারধর’ হিসেবে প্রচার করা বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন। মূল ঘটনা রাজনৈতিক চাঁদাবাজির ঘটনা নয়; বরং দুর্ঘটনা পরবর্তী তাৎক্ষণিক উত্তেজনার ফল।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অপতথ্যের ছড়াছড়ি। ছাত্র সংসদ, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পরেও সমানে ছড়ানো হচ্ছে অপতথ্য কিংবা বিকৃত তথ্য। এর মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করা হচ্ছে, যা ফ্যাক্টচেক রিপোর্টেও স্পষ্ট।
১৪ ঘণ্টা আগে
জিক মাধ্যমে ফেসবুকে একটি ছবি ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, গভীর রাতে তেল আসার সংবাদে শত শত মোটরসাইকেল একটি ফিলিং স্টেশনে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে এবং অনেক চালক স্টেশন চত্বরে ঘুমিয়ে পড়েছেন। তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ব্যবহৃত ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি।
১ দিন আগে
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ঘিরে নতুন করে মৃত্যু বা আহত হওয়ার জল্পনার কথা সামনে এনেছে।
১৯ দিন আগে
ইরান ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাত নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা দাবি, ভিডিও ও ছবি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। আকাশে পাল্টাপাল্টি হামলার শিরোনামের আড়ালে অনলাইনে ঘুরছে নেতাদের মৃত্যু, বেঁচে থাকা, টার্গেট ধ্বংস, বিমানবন্দরে হামলা, এমনকি শেষকৃত্যের মতো দৃশ্যের দাবিও।
০৩ মার্চ ২০২৬