leadT1ad

হামের জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু রোববার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুরা। ছবি: সংগৃহীত

দেশে হামের সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় আগামী রোববার থেকে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। বুধবার (১ এপ্রিল) সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে অধিক সংক্রমণপ্রবণ উপজেলায় এই বিশেষ কর্মসূচি শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে ছয় মাস থেকে ১০ বছর বয়সী সব শিশুকে এই টিকাদানের আওতায় আনা হবে। টিকাদান কর্মসূচি সফল করতে সংশ্লিষ্ট সব স্বাস্থ্যকর্মীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

Ad 300x250

তিনি জানান, টিকা সংগ্রহ ও বিতরণের আন্তর্জাতিক উদ্যোগ গ্যাভির কাছে ২১ দশমিক ৯ মিলিয়ন হামের টিকার মজুত রয়েছে। এই টিকা সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ ছাড়া টিকা কেনার জন্য ৬০১ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। টিকা কেনা হলে গ্যাভির কাছ থেকে নেওয়া টিকা প্রতিস্থাপন করা হবে।

তিনি আরও জানান, আগে ৯ মাস থেকে ১৫ মাস বয়সীরা এই টিকা পেলেও, বিশেষ কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশু-কিশোরেরা এই টিকা নিতে পারবে।

বুধবার দুপুর পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এ-সংক্রান্ত নানা জটিলতায় আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সর্বশেষ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে আজ এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের মুখপাত্র ও জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস। তিনি জানান, বুধবার দুপুর পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ২২ জন ভর্তি হয়েছে। বিপরীতে সুস্থ হয়ে ১৪ শিশু বাড়ি ফিরে গেছে। এ নিয়ে বর্তমানে হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ১১৭ শিশু চিকিৎসাধীন। রামেক হাসপাতালে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

সবমিলে চলতি বছরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৫ জনে দাঁড়াল। তবে সরকারের কাছে মৃত্যুর কোনো পূর্ণাঙ্গ হিসাব না থাকায় প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ছড়িয়ে পড়ার চেয়েও দ্রুত গতিতে প্রতিরোধের চেষ্টা চলছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কিছু ক্যাজুয়ালটি হয়েছে। তবে অবশ্যই বলব, আমরা এটি যথাযথভাবে ম্যানেজ করেছি। বিভিন্ন জায়গায় ওয়ার্ড ম্যানেজ করেছি। আমরা দ্রুত বেসরকারি খাত থেকে ভেন্টিলেটর সংগ্রহ করেছি। ভেন্টিলেটর সংগ্রহ করে আমরা সব জায়গায় পাঠানোর ব্যবস্থা করেছি, যাতে শিশুরা অক্সিজেনের অভাবে মারা না যায়।’

leadT1ad

সম্পর্কিত

leadT1ad
leadT1ad