১২৭ বছর আগে উপমহাদেশে বোম্বেতে প্রথমবারের মতো দেখানো হয় চলমান ছবি, যা দর্শকদের মধ্যে ছড়িয়ে দেয় অবাক বিস্ময়। লুমিয়ের ব্রাদার্সের সেই প্রদর্শনী থেকেই শুরু হয় এ অঞ্চলে সিনেমার ইতিহাস। পরে হীরালাল সেনের হাতে উপমহাদেশের চলচ্চিত্র নির্মাণ পায় নতুন দিগন্ত আর দৃঢ় ভিত্তি। বইপত্র ঘেঁটে বিস্তারিত লিখেছেন মোরসালিনা অনিকা
স্ট্রিম ডেস্ক

এক শতকেরও বেশি সময় আগে আমাদের উপমহাদেশে প্রথমবারের মতো মানুষ দেখেছিল চলমান ছবি। তখনকার মানুষের কাছে পর্দায় একের পর এক দৃশ্য নড়াচড়া দেখার অভিজ্ঞতা ছিল রীতিমতো বিস্ময়কর।
গুহাচিত্র আঁকার দিন থেকে শুরু করে ছায়া আর ছবি নিয়ে মানুষের এই দীর্ঘ পথচলা শেষ পর্যন্ত গিয়ে মিশেছে চলচ্চিত্রের যাত্রায়, যা সত্যিই এক অদ্ভুত বিস্ময়ের ইতিহাস।
চলমান চিত্র কথাটিই পরে হয়ে যায় চলচ্চিত্র বা সিনেমা। আজ আমরা বড় পর্দায় তারকাদের ঝলক, রঙিন সেট আর কোটি কোটি টাকার বাজেট দেখে অভ্যস্ত। কিন্তু পেছনে ফিরে তাকালে দেখা যায় কত সাধারণভাবে শুরু হয়েছিল উপমহাদেশের সিনেমার প্রথম গল্প।
ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, ১৮৯৬ সালের ৭ জুলাই ভারতের বোম্বে শহরের সোয়াস্কি ওয়াটসন হোটেলে উপমহাদেশের প্রথম সিনেমা দেখানো হয়। সেখানে লুমিয়ের ব্রাদার্সের বানানো কয়েকটি ছোট ছবি প্রদর্শন করা হয়েছিল। মারিয়াস সেস্টার নামে এক ভদ্রলোক এই ছবিগুলো বয়ে আনেন। তখনকার দর্শক ছিলেন প্রায় সবাই ব্রিটিশ নাগরিক।
সেই সময় এক স্থানীয় ফটোগ্রাফার হরিশ্চন্দ্র ভাতাব্দেকার বোম্বের ওই প্রদর্শনী দেখে এতটাই অনুপ্রাণিত হন যে, সঙ্গে সঙ্গেই তিনি নিজের জন্য ইংল্যান্ড থেকে একটি ক্যামেরা অর্ডার করে আনেন। সেখান থেকেই এই অঞ্চলে সিনেমার বীজ রোপণ হয়।
বোম্বতে প্রদর্শিত সিনেমাটি দুই বছর পর কলকাতায় বসে দেখেন হীরালাল সেন। তাঁর কথা বলছি কারণ, উপমহাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের কথা বললে সবার আগে উঠে আসে হীরালাল সেনের নাম। তাঁকেই বলা হয় এই অঞ্চলের চলচ্চিত্রের জনক।
১৮৯৮ সালে তিনি তৈরি করেন তাঁর প্রথম ছবি ‘দ্য ড্যান্সিং সিন ফ্রম দ্য ফ্লাওয়ার অব পার্সিয়া’। আজ থেকে প্রায় ১২৭ বছর আগে এই ছবিটি নির্মিত হয়েছিল। এরপর তিনি আরও অনেক ছবি বানিয়েছেন এবং উপমহাদেশের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রও তাঁর হাতেই তৈরি হয়েছিল।
হীরালাল সেন শুধু একজন পরিচালকই ছিলেন না, তিনি ছিলেন শিক্ষক ও গবেষক। তিনি ছবির আকার বড় করার নানা উপায় বের করেছিলেন। নিজের উদ্ভাবনী চিন্তা আর দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে তিনি সিনেমা নির্মাণ আর প্রদর্শনের কাজ সহজ ও সমৃদ্ধ করে তুলেছিলেন।
শুরুর দিকে এই উপমহাদেশে যে ছবিগুলো তৈরি হতো, সেসব ছিল নির্বাক। দৈর্ঘ্যে হতো এক মিনিটেরও কম। সাদাকালো অনেকগুলো স্থিরচিত্র একের পর এক সাজিয়ে তাকে চলমান করা হতো। পরে একাধিক শট আর বিভিন্ন দৃশ্য মিশিয়ে সিনেমার দৈর্ঘ্য কয়েক মিনিটে পৌঁছায়। সেই সময় অভিনেতা-অভিনেত্রীরা মুখে কোনো সংলাপ বলতেন না, শুধু অঙ্গভঙ্গি আর অভিব্যক্তিতে গল্প বলতেন। এরপর ধীরে ধীরে শব্দ রেকর্ড, ক্যামেরার মান, সম্পাদনা, বিবরণ এসব যুক্ত হতে থাকে এবং সিনেমা আরও পূর্ণতা পায়।
কালের সঙ্গে সঙ্গে প্রযুক্তি আরও এগিয়ে যায়। সাদাকালো নির্বাক চলচ্চিত্র এখন রঙিন, শব্দে ভরা আর থ্রিডি প্রযুক্তিতেও পৌঁছে গেছে। কিন্তু আজকের এই উন্নত চলচ্চিত্রের পেছনে আছে সেই একফালি ছোট প্রদর্শনী আর হীরালাল সেনের স্বপ্ন ও সাহস। সেই ছোট্ট শুরু থেকেই সিনেমা আজ হয়ে দাঁড়িয়েছে কোটি মানুষের বিনোদনের সবচেয়ে বড় মাধ্যম।

এক শতকেরও বেশি সময় আগে আমাদের উপমহাদেশে প্রথমবারের মতো মানুষ দেখেছিল চলমান ছবি। তখনকার মানুষের কাছে পর্দায় একের পর এক দৃশ্য নড়াচড়া দেখার অভিজ্ঞতা ছিল রীতিমতো বিস্ময়কর।
গুহাচিত্র আঁকার দিন থেকে শুরু করে ছায়া আর ছবি নিয়ে মানুষের এই দীর্ঘ পথচলা শেষ পর্যন্ত গিয়ে মিশেছে চলচ্চিত্রের যাত্রায়, যা সত্যিই এক অদ্ভুত বিস্ময়ের ইতিহাস।
চলমান চিত্র কথাটিই পরে হয়ে যায় চলচ্চিত্র বা সিনেমা। আজ আমরা বড় পর্দায় তারকাদের ঝলক, রঙিন সেট আর কোটি কোটি টাকার বাজেট দেখে অভ্যস্ত। কিন্তু পেছনে ফিরে তাকালে দেখা যায় কত সাধারণভাবে শুরু হয়েছিল উপমহাদেশের সিনেমার প্রথম গল্প।
ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, ১৮৯৬ সালের ৭ জুলাই ভারতের বোম্বে শহরের সোয়াস্কি ওয়াটসন হোটেলে উপমহাদেশের প্রথম সিনেমা দেখানো হয়। সেখানে লুমিয়ের ব্রাদার্সের বানানো কয়েকটি ছোট ছবি প্রদর্শন করা হয়েছিল। মারিয়াস সেস্টার নামে এক ভদ্রলোক এই ছবিগুলো বয়ে আনেন। তখনকার দর্শক ছিলেন প্রায় সবাই ব্রিটিশ নাগরিক।
সেই সময় এক স্থানীয় ফটোগ্রাফার হরিশ্চন্দ্র ভাতাব্দেকার বোম্বের ওই প্রদর্শনী দেখে এতটাই অনুপ্রাণিত হন যে, সঙ্গে সঙ্গেই তিনি নিজের জন্য ইংল্যান্ড থেকে একটি ক্যামেরা অর্ডার করে আনেন। সেখান থেকেই এই অঞ্চলে সিনেমার বীজ রোপণ হয়।
বোম্বতে প্রদর্শিত সিনেমাটি দুই বছর পর কলকাতায় বসে দেখেন হীরালাল সেন। তাঁর কথা বলছি কারণ, উপমহাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের কথা বললে সবার আগে উঠে আসে হীরালাল সেনের নাম। তাঁকেই বলা হয় এই অঞ্চলের চলচ্চিত্রের জনক।
১৮৯৮ সালে তিনি তৈরি করেন তাঁর প্রথম ছবি ‘দ্য ড্যান্সিং সিন ফ্রম দ্য ফ্লাওয়ার অব পার্সিয়া’। আজ থেকে প্রায় ১২৭ বছর আগে এই ছবিটি নির্মিত হয়েছিল। এরপর তিনি আরও অনেক ছবি বানিয়েছেন এবং উপমহাদেশের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রও তাঁর হাতেই তৈরি হয়েছিল।
হীরালাল সেন শুধু একজন পরিচালকই ছিলেন না, তিনি ছিলেন শিক্ষক ও গবেষক। তিনি ছবির আকার বড় করার নানা উপায় বের করেছিলেন। নিজের উদ্ভাবনী চিন্তা আর দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে তিনি সিনেমা নির্মাণ আর প্রদর্শনের কাজ সহজ ও সমৃদ্ধ করে তুলেছিলেন।
শুরুর দিকে এই উপমহাদেশে যে ছবিগুলো তৈরি হতো, সেসব ছিল নির্বাক। দৈর্ঘ্যে হতো এক মিনিটেরও কম। সাদাকালো অনেকগুলো স্থিরচিত্র একের পর এক সাজিয়ে তাকে চলমান করা হতো। পরে একাধিক শট আর বিভিন্ন দৃশ্য মিশিয়ে সিনেমার দৈর্ঘ্য কয়েক মিনিটে পৌঁছায়। সেই সময় অভিনেতা-অভিনেত্রীরা মুখে কোনো সংলাপ বলতেন না, শুধু অঙ্গভঙ্গি আর অভিব্যক্তিতে গল্প বলতেন। এরপর ধীরে ধীরে শব্দ রেকর্ড, ক্যামেরার মান, সম্পাদনা, বিবরণ এসব যুক্ত হতে থাকে এবং সিনেমা আরও পূর্ণতা পায়।
কালের সঙ্গে সঙ্গে প্রযুক্তি আরও এগিয়ে যায়। সাদাকালো নির্বাক চলচ্চিত্র এখন রঙিন, শব্দে ভরা আর থ্রিডি প্রযুক্তিতেও পৌঁছে গেছে। কিন্তু আজকের এই উন্নত চলচ্চিত্রের পেছনে আছে সেই একফালি ছোট প্রদর্শনী আর হীরালাল সেনের স্বপ্ন ও সাহস। সেই ছোট্ট শুরু থেকেই সিনেমা আজ হয়ে দাঁড়িয়েছে কোটি মানুষের বিনোদনের সবচেয়ে বড় মাধ্যম।

স্বাক্ষরটি বেশ বড়, স্পষ্ট আর নজরকাড়া। বহু বছর ধরেই তাঁর এই স্বাক্ষরটি মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করে আসছে। ট্রাম্প নিজেও নিজের স্বাক্ষর নিয়ে বেশ গর্বিত। ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সামরিক নেতাদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি আমার স্বাক্ষর খুব ভালোবাসি, সত্যি বলছি। সবাই আমার স্বাক্ষর পছন্দ করে।
১৯ ঘণ্টা আগে
কিছুদিন আগেই মাইগ্রেনের ব্যথায় মৃত্যুবরণ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ইউএনও। মাইগ্রেন আর সাধারণ মাথাব্যথা যে এক জিনিস নয়, এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত হয়েছেন ঠিকই কিন্তু এই ব্যথা কেন হয় বা কীভাবে এই ব্যথাকে জীবন থেকে পুরোপুরি বিদায় করা যায়, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি।
২০ ঘণ্টা আগে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবট মানুষের একাকীত্ব কমাতে বেশ সাহায্য করে। বিশেষ করে যাদের আশেপাশে কথা বলার মতো কেউ নেই, তাদের জন্য এটি খুব উপকারী।
৩ দিন আগে
আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা অন্যদের সঙ্গে মেলামেশা করতে কিংবা আড্ডা দিতে খুব পছন্দ করেন। এই মানুষদের আমরা ‘সামাজিক মানুষ’ বলে জানি। তাদের নিয়ে সাধারণত কারও কোনো দুশ্চিন্তা বা অভিযোগ থাকে না। কিন্তু যারা একটু চুপচাপ বা একা থাকতে ভালোবাসেন, তাদের নিয়ে আমাদের অনেকেরই অভিযোগের শেষ নেই।
৩ দিন আগে