ফ্যাক্টচেকার ও রিপোর্টার

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অপতথ্যের ছড়াছড়ি। ছাত্র সংসদ, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পরেও সমানে ছড়ানো হচ্ছে অপতথ্য কিংবা বিকৃত তথ্য। এর মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করা হচ্ছে, যা ফ্যাক্টচেক রিপোর্টেও স্পষ্ট।

ভোর ৬টা ২০ মিনিটের দিকে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ চত্বরে নামতে শুরু করে মানুষের ঢল। কারও হাতে গাঁদা আর রজনীগন্ধা ফুলের তোড়া, কারও সঙ্গে ছোট সন্তান, কেউ আবার দল বেঁধে এগোচ্ছেন শহীদ বেদির দিকে। পায়ের শব্দ, ফুলের সুবাস আর সকালের নরম আলোয় কিছুক্ষণের মধ্যেই শ্রদ্ধার ফুলে ভরে ওঠে স্মৃতিসৌধের বেদি।

ইরান ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাত নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা দাবি, ভিডিও ও ছবি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। আকাশে পাল্টাপাল্টি হামলার শিরোনামের আড়ালে অনলাইনে ঘুরছে নেতাদের মৃত্যু, বেঁচে থাকা, টার্গেট ধ্বংস, বিমানবন্দরে হামলা, এমনকি শেষকৃত্যের মতো দৃশ্যের দাবিও।

আসন্ন নির্বাচনে মাঠের লড়াইয়ে প্রার্থীরা জড়াচ্ছেন বাকযুদ্ধে। একইসঙ্গে অনুসারীদের মাধ্যমে রাজত্ব চালাচ্ছেন ডিজিটাল মাধ্যমেও। এরই অংশ হিসেবে এআই দিয়ে ভুয়া ভিডিও বানিয়ে চলছে ভোটের প্রচার ও প্রতিপক্ষ ঘায়েল।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও এবং কিছু স্থিরচিত্র ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দাবি করা হয়েছে , এক তরুণীর বাবা আওয়ামী লীগের সমর্থক হওয়ার অপরাধে ছাত্রশিবিরের কর্মীরা তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে তিন দিন ধরে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেছে এবং মুমূর্ষু অবস্থায় রাস্তায় ফেলে গেছে।

সামাজিক মাধ্যমে ঘুরছে একটি ছবি। এতে ডাইনিং টেবিলে বসে তারেক রহমানের পরিবারের সঙ্গে খাবার খাচ্ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের সঙ্গী গৃহকর্মী ফাতেমা বেগম।