স্ট্রিম ডেস্ক


শপথের আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর পিতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেছেন। মঙ্গলবার রাতে শেরেবাংলার জিয়া উদ্যানে তাঁদের কবর জিয়ারত করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান, কন্যা জায়মা রহমান ও পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
শেয়ার করুন
নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কার্যালয়ে নিয়োগ পেয়েছেন জনপ্রশাসনের তিন কর্মকর্তা। মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতির আদেশে ৩ আলাদা প্রজ্ঞাপনে প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব, প্রটোকল অফিসার-১ এবং সহকারী একান্ত সচিব-১ নিয়োগ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম সচিব মিঞা মুহাম্মাদ আশরাফ রেজা ফরিদী। সহকারী একান্ত সচিব-১ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মোহাম্মাদ মামুন শিবলী এবং প্রটোকল অফিসার-১ সিনিয়র সহকারী সচিব মো. উজ্জ্বল হোসেন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী যতদিন তাদের পদে বহাল রাখার অভিপ্রায় পোষণ করবেন, ততদিন এ নিয়োগ আদেশ কার্যকর থাকবে।
শেয়ার করুন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬–এর রুল ২(বি)– এর ক্ষমতাবলে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিরা অবিলম্বে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
পূর্ণমন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা হয়েছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক সচিব ইসমাঈল জবিউল্লাহ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
আর প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় উপদেষ্টা নিয়োগ পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের ফরেন এডভাইজারি কাউন্সিলের সদস্য হুমায়ূন কবির, বিএনপি চেয়ারম্যানের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডা. জাহেদুর রহমান, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন ও বিএনপির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য রেহান আসিফ আসাদ।
শেয়ার করুন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে মনোনীত হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। বিরোধী দলীয় উপনেতা হয়েছেন দলের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। এ ছাড়া চিফ হুইপ হিসেবে মনোনীত হয়েছেন জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের শরিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
এনসিপির মিডিয়া কমিটির সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে সংসদ ভবনে শপথ গ্রহণের পর জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে ১১ দলীয় ঐক্যের সংসদ সদস্যদের নিয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভা থেকেই সর্বসম্মতিক্রমে বিরোধী দলীয় নেতা, উপনেতা ও চিফ হুইপ মনোনীত করা হয়।
শেয়ার করুন

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৫০ জনের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন হয়েছে। মঙ্গলবার পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হিসেবে ২৫ ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। পরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন করা হয়। মন্ত্রীদের মধ্যে সালাহউদ্দিন আহমেদকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেওয়া হয়েছে বলে বিএনপির মিডিয়া সেলের পেজে জানানো হয়েছে।
ওই পেজে বেশ কয়েকটি দপ্তরের মন্ত্রীদের তথ্য দেওয়া হয়েছে।
ওই তথ্য ও দল সূত্র জানায়, অন্য মন্ত্রীদের মধ্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন
স্থায়ী কমিটি সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়
ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
আবদুল আউয়াল মিন্টু, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়
কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, ধর্ম মন্ত্রণালয়
মিজানুর রহমান মিনু, ভূমি মন্ত্রণালয়
নিতাই রায় চৌধুরী, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়
খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর, বাণিজ্য,শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়
আরিফুল হক চৌধুরী, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়
আফরোজা খানম রিতা, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়
আসাদুল হাবিব দুলু ,দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়
মো. আসাদুজ্জামান, আইন মন্ত্রণালয়
জাকারিয়া তাহের, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়
দীপেন দেওয়ান, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়
আ ন ম এহছানুল হক মিলন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়
সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
ফকির মাহবুব আনাম স্বপন, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
শেখ রবিউল আলম, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়
জহির উদ্দিন স্বপন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়
এছাড়া টেকনোক্র্যাট কোটায় আসা অন্তর্বর্তী সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং মোহাম্মদ আমিন উর রশীদকে কৃষি, খাদ্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
শেয়ার করুন
সকালে এমপিদের শপথ পাঠ করানোর পরে বিকালে মন্ত্রিপরিষদের শপথ পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধানেরা। এ ছাড়াও বিভিন্ন দেশ থেকে স্পিকার, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, মন্ত্রী, পররাষ্ট্র সচিবসহ নানা পর্যায়ের অতিথি যোগ দেন।
শপথ গ্রহণ পর্ব অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে। এ অনুষ্ঠানে অংশ নেন মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ড. মোহাম্মদ মুইজ্জু, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, যুক্তরাজ্যের ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয়-বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি সীমা মালহোত্রা, পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দা শর্মা, শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্যমন্ত্রী নালিন্দা জয়াতিসা, তুরস্কের আন্ডার সেক্রেটারি বেরিস একিনচি এবং ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি প্রমুখ।
এই শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ১৪টি দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানান। আমন্ত্রিত দেশগুলোর মধ্যে ছিল সৌদি আরব, চীন, জাপান, ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটান।
তবে আমন্ত্রিত ১৪ দেশের মধ্যে ৬ দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতরা। এসব দেশ হলো চীন, জাপান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও মালয়েশিয়া। ঢাকায় অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও ঢাকার বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
শেয়ার করুন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪১ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
সদ্য গঠন হওয়া মন্ত্রিসভার ১৭ নতুন মন্ত্রী হলেন তারেক রহমান, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট), আব্দুল আওয়াল মিন্টু, মিজানুর রহমান মিনু, খন্দকার আব্দুল মোকতাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ (টেকনোক্র্যাট), আফরোজা খানম রিতা, শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের সুমন, দীপেন দেওয়ান, ফকির মাহবুব আনাম স্বপন, সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল ও শেখ রবিউল আলম।
নতুন ২৪ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করছেন এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মো. শরিফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট), মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশীদ, মো. রাজিব আহসান, মো. আব্দুল বারী, মীর শাহে আলাম, জোনায়েদ সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক, ইয়াসের খান চৌধুরী, ইকবাল হোসেইন, এম এ মুহিত, আহমেদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ ও আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।
নতুন এই ৪১ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ছাড়াও পূর্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকারা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, নিতাই রায় চৌধুরী, আ ন ম এহসানুল হক মিলন ও আসাদুল হাবিব দুলু।
শেয়ার করুন

সরকারি দল জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায়কে অবজ্ঞা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা এবং গণভোটের রায়—এই দুইটার প্রতি সম্মান দেখানো রাজনৈতিক দল হিসেবে আমাদের পবিত্র দায়িত্ব মনে করেছি। কিন্তু সরকারি দল (বিএনপি) এই শপথ না নিয়ে জুলাইকে উপেক্ষা এবং অবজ্ঞা করেছে।’
শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘আজকে যিনি প্রধানমন্ত্রীর শপথ নেবেন, তিনি নিজেও নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে গিয়ে বলেছেন যে আপনারা গণভোটে “হ্যাঁ” বলুন। যদি এর প্রতি তারা শ্রদ্ধাশীল হতেন, তবে তারা ওই (সংবিধান সংস্কার) শপথটাও নিতেন। আমরা আশা করেছিলাম, তারাও শপথ নেবেন। কিন্তু তারা তা না করায় আমাদের একটা আফসোসের জায়গা থেকে গেল।’
রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা বর্জনের বিষয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘আমরা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সময় বলেছিলাম, আমাদের কেউ এমপি বা মন্ত্রী হলে সরকারি প্লটের সুবিধা নেব না এবং ট্যাক্সবিহীন গাড়িতে চড়ব না। আজকেও পুনর্ব্যক্ত করছি, আমাদের এই সিদ্ধান্তে আমরা অবিচল। আমরা স্বাচ্ছন্দ্যে মন্ত্রিসভার শপথে যেতে পারতাম, যদি আমাদের মতো তারাও (সরকারি দল) এই দুটি বিষয়ে শপথ নিতেন।’
নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘পরপর তিনটা নির্বাচন ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পরে জাতি বড় আশা করেছিল। কিন্তু ফলাফল প্রকাশের পর অনেক কিছু ঘটেছে, যার কারণে জাতির উৎসব ফল প্রকাশের সাথে সাথে মিলিয়ে গেছে। সেটা অন্য একসময় আমরা বলব।’
সরকারের প্রতি নিজেদের অবস্থানের কথা জানিয়ে শফিকুর বলেন, ‘আমরা দেশকে ভালোবাসি। দেশ ও জনগণের ভালোর জন্য সরকার যদি কোনো উদ্যোগ নেয়, আমাদের সমর্থন তারা পাবেন। কিন্তু জনস্বার্থ বিঘ্নকারী কিছু হলে আমরাই সবার আগে প্রতিবাদ এবং ক্ষেত্রবিশেষে প্রতিরোধ গড়ে তুলব।’
শেয়ার করুন

নতুন সরকারের প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, ‘আমাদের চ্যালেঞ্জ আছে, কিন্তু প্ল্যানও আছে। প্ল্যান অনুযায়ী বিভিন্ন সেক্টরে কাজ করার জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মপন্থাও আছে। সে অনুযায়ী কাজ করে যাব।’
মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
শামা ওবায়েদ বলেন, ‘আমাদের দায়িত্ব অনেক। আমরা যেন সংসদকে কার্যকর ও স্বচ্ছ এবং দায়বদ্ধ সংসদ করতে পারি। আজ এক ঐতিহাসিক দিন, জনগণের হাতে বাংলাদেশের ক্ষমতা ফিরে গেছে।’
শামা ওমায়েদ আরও বলেন, ‘১৭ বছর ভঙ্গুর অবস্থায় বাংলাদেশ ছিল। সেখান থেকে তুলে আনতে হবে। অনেক কাজ আছে। অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যব্যবস্থা ঠিক করতে হবে। আমাদের ডেভেলপমেন্ট হয়েছে, কিন্তু আরও ডেভেলপমেন্ট করতে হবে।’
শেয়ার করুন
বর্তমান মন্ত্রিসভা ও জাতীয় সংসদ বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।
মঙ্গলবার বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথের পর তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতন্ত্র দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হোক, এ জন্য মানুষ সুচিন্তিতভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে। আশা করি, এই মন্ত্রিসভা ও জাতীয় সংসদ জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম হবে।’
শেয়ার করুন
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, দেশকে প্রায় তিন যুগ ধরে বিধ্বস্ত করে ফেলা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে, অর্থনীতি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এ জন্য তারেক রহমান দেশকে পুনরুদ্ধারে উদ্যমী ও যোগ্য টিম গঠনের চেষ্টা করেছেন বলে জানান নজরুল ইসলাম খান।
মঙ্গলবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘তারেক রহমানের এই টিমে নতুন ও অভিজ্ঞসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ রয়েছেন। নির্বাচনী ইশতেহার হবে গাইডিং প্রিন্সিপাল। আমরা প্রতিশ্রুতিই শুধু দিইনি, কীভাবে পালন করব সেটিও দেখিয়েছি। জনগণের সমর্থন ও সহযোগিতা চাই। ত্রুটি হলে তারা যেন ধরিয়ে দেয়, পরামর্শ দেয়।’
শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘এটি ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠান ছিল। অনেক মানুষের সামনে শপথ নিলেন। জনগণের কল্যাণ করার জন্য দায়িত্ব গ্রহণ করলেন। ঘরের মধ্যে বা বদ্ধ জায়গায় নয়, উন্মুক্ত স্থানে শপথ নিলেন। এটি আগামী দিনের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।’
শেয়ার করুন

বিএনপির নেতৃত্বাধীন ৪৯ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভায় তিন নারী সদস্য স্থান পেয়েছেন। এর মধ্যে একজন পূর্ণমন্ত্রী এবং দুজন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন। ২০০১ সালের পর বিএনপির মন্ত্রিসভায় একাধিক নারী সদস্য যুক্ত হলেন।
মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়া তিন নারীর মধ্যে আফরোজা খানম রিতা পূর্ণমন্ত্রী এবং শামা ওবায়েদ ইসলাম ও ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
মানিকগঞ্জ-৩ (সদর ও সাটুরিয়া) আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আফরোজা খানম রিতা প্রথমবার সংসদ সদস্য হয়েই পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পাচ্ছেন। মানিকগঞ্জের এই আসনে তিনিই একমাত্র নারী সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা) আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন।
নাটোর-১ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুলও মন্ত্রিসভায় ডাক পেয়েছেন।
এর আগে ২০০১ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গঠিত বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় নারী সদস্যের সংখ্যা ছিল মাত্র একজন। সে সময় একমাত্র নারী হিসেবে মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছিলেন খুরশীদ জাহান হক, যিনি মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
শেয়ার করুন
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী ও ২৫ জন মন্ত্রীকে শপথ পড়ানোর পর সরকারের প্রতিমন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
শপথ নেওয়া প্রতিমন্ত্রীরা হলেন এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মো. শরিফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট), মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশীদ, মো. রাজিব আহসান, মো. আব্দুল বারী, মীর শাহে আলাম, জোনায়েদ সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক, ইয়াসের খান চৌধুরী, ইকবাল হোসেইন, এম এ মুহিত, আহমেদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ এবং আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।
এর আগে নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তারপর শপথগ্রহণ করেন মন্ত্রীরা।
পৃথকভাবে তাঁদের সবাইকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
এর মধ্য দিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের যাত্রা শুরু হলো। প্রায় দুই যুগ পর যাত্রা শুরু হলো বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারেরও।
গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি ২০৯ আসনে জয়ী হয়। বিএনপি জোটের শরিকেরা ৩টি আসন পায়।
শেয়ার করুন

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নিয়েছেন। ৪টা ২০ মিনিটের দিকে ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রীকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
এ সময় ২৫ জন মন্ত্রী শপথ নেন। তাঁরা হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ (টুকু), মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, অন্তর্বর্তী সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট), আবদুল আউয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ (টেকনোক্র্যাট), আফরোজা খানম (রিতা), শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, আসাদুল হাবিব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, আ ন ম এহছানুল হক মিলন, সরদার সাখাওয়াত হোসেন (বকুল), ফকির মাহবুব আনাম (স্বপন), শেখ রবিউল আলম।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শেয়ার করুন

নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শপথ পাঠ করিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সোয়া ৪টার দিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ পাঠ করেন তারেক রহমান।
পরে তিনি গোপনীয়তা রক্ষার শপথ পাঠ করেন।
শেয়ার করুন

নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
শেয়ার করুন

শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
শেয়ার করুন

জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এসময় তাঁর সঙ্গে স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমানও অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন।
শেয়ার করুন

কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হতে যাচ্ছে মন্ত্রিপরিষদের শপথ অনুষ্ঠান। প্রথমে শপথ গ্রহণ করবেন নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর শপথ গ্রহণ করবেন মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা।
বিকেল ৪টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শুরু হবে। খোলা আকাশের নীচে শপথ নিবেন মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. শাহবুদ্দিন।
ইতোমধ্যেই সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় উপস্থিত হতে শুরু করেছেন মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও আমন্ত্রিত দেশি-বিদেশি অতিথিরা। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গণি।
শেয়ার করুন

বিগত আওয়ামী লীগ আমলের সংসদের সঙ্গে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের খুব বেশি তফাৎ দেখেন না ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।
তিনি আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে সংসদ ভবনে শপথ নেওয়ার পর সাংবাদিকদের বলেন, ‘আগের তিনটি নির্বাচনে বিএনপির উপস্থিতি ছিল না। সে কারণে সেই সংসদকে অনেকসময় বলা হতো একতরফা সংসদ। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের উপস্থিতি নেই। সেই দিক থেকে দেখতে গেলে বাংলাদেশের মিনিমাম ৩০ শতাংশ মানুষের অংশগ্রহণ নেই। আমিতো আসলে খুব বেশি পার্থক্য দেখতে পাচ্ছি না।’
রুমিন ফারহানা আরও বলেন, ‘বিজয়ী দলকে আমি অবশ্যই অভিনন্দন জানাই। কিন্তু এ কথা ভুলে গেলেও চলবে না, মিনিমাম ৩০ শতাংশ মানুষের রিপ্রেজেনটেশন এ সংসদে থাকবে না, সেটাও মাথায় রেখেই সংসদে বসতে হবে, চলতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ। তাদের কীভাবে ফিরিয়ে আনা যায়, সেটা আমি বলতে পারব না। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ যদি দেওয়া যেত, তাহলে মানুষের ভোটেই জবাব দিত। ব্যালটের প্রতি আস্থা এত কম কেন? এই সুযোগটা মানুষকে দেওয়া উচিত।’
শেয়ার করুন

নতুন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হচ্ছেন অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র স্ট্রিমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সূত্র বলছে, ‘আমি যতটুকু জানি, তিনিই হচ্ছেন দেশের পরবর্তী পররাষ্ট্রমন্ত্রী। শপথ হওয়ার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে পারবো।’
এরআগে রোহিঙ্গা ইস্যুতে হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন খলিলুর রহমান। ১৯৭৭ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম নিয়মিত বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করে তিনি ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সার্ভিসে যোগ দেন। একই বছরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এমএ পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হন।
১৯৮০–৮৩ সময়কালে তিনি টাফটস বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্লেচার স্কুল অব ল’ অ্যান্ড ডিপ্লোম্যাসি এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কেনেডি স্কুল অব গভর্নমেন্টে অধ্যয়ন করেন এবং সেখান থেকে এমএ ইন ল’ অ্যান্ড ডিপ্লোম্যাসি ও অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ১৯৬৯ সালে ঢাকা বোর্ড থেকে এসএসসি পরীক্ষায় বাংলা-সহ ছয়টি বিষয়ে লেটার মার্কসহ উত্তীর্ণ হন। ১৯৭০ সালে তিনি কেন্দ্রীয় কচিকাঁচার আসরের সাহিত্য সম্পাদক ছিলেন।
১৯৮৩ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অর্থনৈতিক ও আর্থিক কমিটিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং স্বল্পোন্নত দেশসমূহের (এলডিসি) মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৯১ সালে ড. খলিলুর রহমান জেনেভায় জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলনে (ইউএনসিটিএডি) বিশেষ উপদেষ্টা হিসেবে জাতিসংঘ সচিবালয়ে যোগ দেন। পরবর্তী ২৫ বছরে তিনি নিউইয়র্ক ও জেনেভায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।
এর মধ্যে ছিল জাতিসংঘ মহাসচিবের নির্বাহী দপ্তরে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও উন্নয়ন বিষয়ক প্রধান; প্রযুক্তি ব্যাংক বিষয়ক মহাসচিবের উচ্চপর্যায়ের গ্রুপের নির্বাহী সচিব; ইউএনসিটিএডির প্রযুক্তি বিভাগ, ব্যবস্থাপনা বিভাগ ও বাণিজ্য নীতি বিশ্লেষণ বিভাগের প্রধান; জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ইউএনসিটিএডির ব্যুরো প্রধান; জাতিসংঘ সচিবালয়ে এলডিসি কর্মসূচির প্রধান; আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অশুল্ক বাধা বিষয়ক জাতিসংঘ আন্তঃসংস্থাগত গ্রুপের চেয়ার; এবং বিশ্ব বাণিজ্যের নতুন ও গতিশীল খাতসমূহ বিষয়ক কর্মসূচির সমন্বয়কারীসহ বিভিন্ন দায়িত্ব।
শেয়ার করুন
তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর নাম পাওয়া গেছে। এ তালিকায় আছেন এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মো. শরিফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, মো. আমিনুল হক, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ, মো. রাজিব আহসান, মো. আব্দুল বারী, মীর শাহে আলম, ফরহাদ হোসেন আজাদ, মো. জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, মো. নুরুল হক নুর, ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেইন, এম এ মুহিত, আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ ও আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।
শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নব নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের চতুর্থধাপে একা শপথ নিলেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী ও ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য জোনায়েদ সাকি। আজ মঙ্গলবার পৌনে ১টার দিকে তিনি জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
এ সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন তাঁকে শপথ বাক্য পাঠ করান।
শেয়ার করুন
তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভায় ডাক পেয়েছেন এমন ২৫ জনের নাম পেয়েছে স্ট্রিম। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্য সদস্যদের মধ্যে মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দীন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ও আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন।

টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী হচ্ছেন অন্তত দুইজন। তাঁরা হলেন— ড. খলিলুর রহমান ও মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ।
মন্ত্রিসভায় জায়গা পাওয়া অন্যদের মধ্যে রয়েছেন—আব্দুল আউয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আব্দুল মোক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দীন স্বপন, আফরোজা খানম রিতা, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আসাদুল হাবিব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, আ ন ম এহসানুল হক মিলন, মো. সাখাওয়াত হোসেন, ফকির মাহবুব আনাম, শেখ রবিউল আলম।
শেয়ার করুন

সংসদ সদস্য এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদ সদস্য এই দুটি বিষয়েই শপথ নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নবনির্বাচিত ছয় এমপি। তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দীন। এর আগে সকাল পৌনে ১১টায় প্রথম ধাপে বিএনপির সংসদ সদস্যরা এবং দ্বিতীয় ধাপে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা শপথ নেন।
এনসিপির ছয় সংসদ সদস্য হলেন, দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্যসচিব আখতার হোসেন, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ, যুগ্ম আহ্বায়ক আতিক মুজাহিদ, যুগ্ম সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল আমীন এবং যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ।
শেয়ার করুন

জাতীয় সংসদ হিসেবে শপথ নেওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়েছি, প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছি, আমাদের দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেছে।’
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) শপথ নিয়ে বেরিয়ে আসার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা জানান।
এ সময় সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এটা আমরা ক্ষমতা বলি না, এটাকে বলি দায়িত্ব। এদেশের জনগণের প্রত্যাশা, মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যাশা মুক্তিযোদ্ধাদের প্রত্যাশা, ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের প্রত্যাশাসহ সবকিছু আমাদের পূরণ করতে হবে। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ হবে সমস্ত বিষয়ের আলোচনার কেন্দ্র। আগে ছিল শুধু বিন্দু, এখন হবে কেন্দ্রবিন্দু।’
শপথ অনুষ্ঠানের পর সংসদীয় দলের বৈঠক করে বিএনপি। সেখানে সর্বসম্মতিক্রমে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৈঠকে তারেক রহমান বিএনপির সংসদ সদস্যদের দুটি অনুশাসন দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি জানান, তারেক রহমানের প্রথম অনুশাসনটি হলো, কোনো সংসদ সদস্য ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি নেবেন না। আর দ্বিতীয়টি হলো সরকারি কোনো প্লট সংসদ সদস্য হিসেবে গ্রহণ করবেন না। তিনি বলেন, ‘এটা আজ পরিবর্তনের শুরু হলো।’
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এখানে রাষ্ট্র কাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কার হবে, সংবিধানের গণতান্ত্রিক সংস্কার হবে, আমাদের জাতি ও তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্খা এবং প্রত্যাশা অনুযায়ী মেধাভিত্তিক প্রযুক্তিনির্ভর, জ্ঞান নির্ভর জাতি গঠন করতে হবে। সে জন্য আমাদের প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করতে হবে, আইন সংস্কার করতে হবে। এগুলো আমাদের অনেক বেশি দায়িত্ব। সুতরাং আমরা মনে করি এটা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা নয় রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব। আমরা এ দায়িত্বে বোঝা যাতে বহন করতে পারি সেজন্য আমরা সবার সহযোগিতা চাই। এ জাতির ঐক্যটাকে ধরে রেখে এই ঐক্যকে শক্তিতে পরিণত করে এ জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যেওেত হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।’
সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ কেনো বিএনপি নিচ্ছে না জানতে চাইলে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আমরা গতকাল থেকে বিষয়টি পরিষ্কার করেছি। গণভোটের রায় অনুসারে জনগণের যে ইচ্ছা সেটার প্রতিফলন ঘটতে হলে সংসদে যেতে হবে আগে। সংসদে প্রয়োজনীয় আইন এবং সংবিধান সংশোধন করতে হবে। সেটা সংশোধন করার পরে যিনি শপথবাক্য পাঠ করাবেন এবং শপথের ফরম সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে যুক্ত করা হবে। তারপর যিনি দায়িত্বে থাকবেন, তিনি শপথ বাক্য পাঠ করাতে পারবেন। এখন সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো বিধান সংবিধানে নেই। সংবিধান অনুযায়ী, প্রধান নির্বাচন কমিশনারেরও শপথ পাঠ করানোর এখতিয়ার নেই। সেজন্য তিনি আমাদের এপ্রোচও করেন নেই। যেহেতু তিনি এপ্রোচ করেন নেই সেহেতু আমরাও পাঠ করি নেই।’
শেয়ার করুন

তৃতীয় ধাপে শপথ নিচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে নির্বাচিত ছয় সংসদ সদস্য। দুপুর ১টার পর দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে এই তরুণ সংসদ সদস্যরা শপথ কক্ষে প্রবেশ করেন।
এর আগে প্রথম ধাপে বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা এবং দ্বিতীয় ধাপে জামায়াতে ইসলামীর ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা শপথ নেন।
সংসদ ভবনে প্রবেশের আগে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের বলেন, ‘জনগণ জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য আমাদের ম্যান্ডেট দিয়েছে, এজন্য আমরা দুটি শপথই নিচ্ছি। বিএনপি ক্ষমতামুখী দল হিসেবে শুধু সরকার গঠনের শপথ নিয়ে গণরায় উপেক্ষা করেছে।’
শেয়ার করুন
জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যদের শপথ নেওয়া প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব ও ঠাঁকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘এটি অত্যন্ত আনন্দের কথা। বিরোধীদলের সঙ্গে সংসদে অত্যন্ত আন্তরিকতা ও সৌহার্দ্যের সঙ্গে কাজ করতে চাই।’
আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) শপথ নেওয়ার পর সংসদ ভবন থেকে বের হওয়ার সময় তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, এই সংসদ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অঙ্গনে নেতৃত্ব দেবে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক কার্যক্রম সংসদকেন্দ্রিক হবে। বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে জাতিকে ঈপ্সিত লক্ষ্যের দিকে নিয়ে যাবে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে।
তিনি আরও বলেন, সংসদ নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই সংসদ নিঃসন্দেহে সকল কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে।
শেয়ার করুন

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জু আজ ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন। এর মধ্য দিয়ে দু’দেশের গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপিত হল।
আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছালে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানান বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
শেয়ার করুন

নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় এসেছেন পাকিস্তানের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বিশেষ উদ্যোগ বিষয়ক মন্ত্রী আহসান ইকবাল চৌধুরী। আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তিনি ঢাকায় এসে পৌঁছান।
পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী এরইমধ্যে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
শেয়ার করুন
প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা। এ কারণে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের কার্যক্রম দুপুর সোয়া ১টা পর্যন্ত চলবে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।
রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকীর সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনোত্তর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিদের শপথ অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিদের অংশগ্রহণের নিমিত্ত উভয় বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম দুপুর সোয়া ১টা পর্যন্ত চলবে।
শেয়ার করুন
সংসদ সদস্য হিসেবে এবং সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্য হিসেবে দুটি শপথ নিচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপ) থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরাও। এর আগে জামায়াতের সংসদ সদস্যরাও এ দুটি বিষয়ে শপথ নেন। তবে বিএনপির সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্য হিসেবে শপথ না নেওয়ায় মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনসিপি।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন শপথের আগে সাংবাদিকদের বলেন, ‘জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও জনরায়ের প্রতি সম্মান জানাতে সংবিধান সংস্কার পরিষদসহ সংসদ সদস্য হিসেবে পর পর দুইটি শপথ নিচ্ছেন এসনিপির নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। সেইসঙ্গে গণভোটের রায় না মেনে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নেওয়ায় আজ বিকেলে অনুষ্ঠিতব্য মন্ত্রিপরিষদের শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনসিপি।’
শেয়ার করুন
সংসদ সদস্য হিসেবে এবং সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্য হিসেবে দুটি শপথ নিচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপ) থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরাও। এর আগে জামায়াতের সংসদ সদস্যরাও এ দুটি বিষয়ে শপথ নেন।
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের বলেন, ‘জনগণ জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য আমাদের ম্যান্ডেট দিয়েছে, এজন্য আমরা দুটি শপথই নিচ্ছি। বিএনপি ক্ষমতামুখী দল হিসেবে শুধু সরকার গঠনের শপথ নিয়ে গণরায় উপেক্ষা করেছে।’
শেয়ার করুন
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নবনির্বাচিত বাংলাদেশ সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দ শর্মা ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন।
আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি)) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও তার প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. নজরুল ইসলাম এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি।
শেয়ার করুন
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নবনির্বাচিত বাংলাদেশ সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে। আজ মঙ্গলবার সকালে ভুটান দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে বাংলাদেশের নতুন মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। শপথ অনুষ্ঠানে ভুটান প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি বাংলাদেশের জনগণের প্রতি ভুটানের অব্যাহত সমর্থন ও বন্ধুত্বেরই প্রতিফলন।
ভুটান ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। পারস্পরিক আস্থা, শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে এই সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।
শেয়ার করুন
জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি মানিক মিয়া এভিনিউসহ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৬৪ জেলায় বড় স্ক্রিনের মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। যা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
এ ছাড়া স্থানীয় সরকার বিভাগের উদ্যোগে ঢাকার ২০টি স্থানে এলইডি স্ক্রিনে মন্ত্রিপরিষদের শপথ গ্রহণ সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
শপথ অনুষ্ঠানের নিরাপত্তার স্বার্থে জাতীয় সংসদ ও সন্নিহিত এলাকায় ড্রোন উড্ডয়ন নিষিদ্ধ থাকবে। মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানের জন্য আজ দুপুর ১২টার পর থেকে মানিক মিয়া এভিনিউতে যান চলাচল বন্ধ বা সীমিত থাকবে।
শেয়ার করুন

সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পর সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার আগে শপথ কক্ষ থেকে বের হয়ে গেছেন স্বতন্ত্র নির্বাচিত রুমিন ফারহানা ও বিএনপির ইশরাক হোসেন।
অন্যদিকে, সংসদ সদস্যের পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও শপথ নিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচিত ৬৮ জন। তাদের সঙ্গে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচিত রুমিন ফারহানা ও বিএনপির ইশরাক হোসেন। তবে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ শুরুর সময় তাঁরা কক্ষ থেকে বের হয়ে যান।
শপথ পড়ান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দীন। এর আগে সকাল পৌনে ১১টায় বিএনপির অন্য সংসদ সদস্যরা শপথ নেন।
শেয়ার করুন
সংসদ সদস্য হিসেবে এবং সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্য হিসেবে দুটি শপথ নিচ্ছেন জামায়াতের সংসদ সদস্যরা।
শপথ অনুষ্ঠানে সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা জানান, আমাকে জামায়াতের আমির জানিয়েছেন, তাঁরা সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দুটি বিষয়েই শপথ নেবেন।
শেয়ার করুন

জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষে জামায়াতসহ স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা উপস্থিত হয়েছেন। তাদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন সিইসি এএমএম নাসির উদ্দীন।
শেয়ার করুন

শপথ নিতে এসে সংসদ ভবনে প্রবেশের সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘একটি প্রাণবন্ত সংসদ পাবো বলেই আশা করি। এখানে নবীন এবং প্রবীণের মিশেল থাকবে। আমাদের জন্য এটি ইমোশনাল ঘটনা, আমরা ২০ বছর পর এলাম সংসদে। তবে একটা জিনিসি বোঝা যাচ্ছে গত ১৫ বছরে মাফিয়া সরকার সবকিছু ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। জাতীয় সংসদ ও তার সবকিছুই এলোমেলো হয়ে গেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কিছু কিছু অকালপক্ব ব্যক্তিত্ব জাতীয় সংসদে এসেছেন, যাদের সংসদ সম্পর্কে কোনও ধারণা নেই। যারা দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নে সংসদে আসছেন, দেশ-জাতি তাদের কাছে গৌণ বলেই মনে হচ্ছে। মনে সংসদে হচ্ছে আগামী দিনগুলো ঝঞ্ঝা-বিক্ষুব্ধই হবে। এ সংসদের ফলে দেশ গণতান্ত্রিক পথে দ্রুত এগিয়ে যাবে বলেই মনে করছি।’
শেয়ার করুন
জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্যদের শপথ না নেওয়ার গুঞ্জনের ব্যাপারে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম-১১ আসনের সংসদ সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘এটি তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার।
আজ মঙ্গলবার সকাল পৌনে ১১টায় শপথ নেন বিএনপি ও তাদের সমর্থিত ২১১ জন সংসদ সদস্য। তবে তাঁরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি।
সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নেওয়ায় এর মধ্যে জামায়াত ও এনসিপির পক্ষ থেকে শপথ না নেওয়ার কথাও উঠছে। সংসদ ভবনে বিষয়টি নিয়ে বৈঠকে বসেছে ১১ দলীয় জোট।
এ বিষয়ে আমীর খসরু সাংবাদিকদের বলেন, এটা তো (সংবিধান সংস্কার পরিষদ) সাংবিধানিকভাবে করতে হবে। এটা সংবিধানে নেই। তাই সংবিধান পরিবর্তনে আগে এই মুহূর্তে করার সুযোগ নেই। সাংবিধানিকভাবে তো সংসদ চলতে হবে।
তিনি বলেন, ‘কে শপথ নেবেন বা নেবেন না, এটা তাদের ব্যক্তিগত ব্যপার। আমরা নির্বাচিত হয়েছি। জনগণের প্রতি সম্মান জানাতে হয়, তাই শপথ নিয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজকে আনন্দের দিন। বাংলাদেশের মানুষ মালিকানা ফিরে পেল। মানুষ মুক্তভাবে চলতে পারবে, প্রতিনিধি নির্বাচিত করতে পারবে, জবাবদিহি করতে পারবে।’ সংসদ কার্যকর করার জন্য সব সংসদ সদস্যের সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও জানান আমীর খসরু।
শেয়ার করুন

বিএনপির নির্বাচিত কোনও সংসদ সদস্যই (এমপি) শুল্কমুক্ত গাড়ি নেবেন না বলে সংসদীয় দলের সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সংসদ ভবনে শপথ গ্রহণের পর সাড়ে ১১টার দিকে অনুষ্ঠিত সংসদীয় দলের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে বিএনপি মিডিয়া সেল নিশ্চিত করেছে।
বিএনপি মিডিয়া সেল আরও জানিয়েছে, বিএনপির কোনো এমপি সরকারি বরাদ্দে কোনো প্লট গ্রহণ করবেন না।
শেয়ার করুন

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল হক নুর শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন।
আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে বিষয়টি জানিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন।
দল থেকে পদত্যাগ করে রাশেদ খান বিএনপির হয়ে ঝিনাইদহ-৪ আসন থেকে নির্বাচন করেছেন। তবে তিনি জিততে পারেননি। নুরুল হক নুর বিএনপির সমর্থন নিয়ে নির্বাচন করে জিতেছেন।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন লিখেছেন, ‘আমি এমপি হতে পারি নাই, এতে আমার কোন আফসোস নাই, আমার সহযোদ্ধা প্রতিমন্ত্রী হতে পেরেছে, এতেই আমি মহাখুশি।’
শেয়ার করুন

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার পর সংসদীয় দলের সভাকক্ষে বৈঠকে তাঁকে সংসদ নেতা নির্বাচিত করা হয়। এসময় করতালির মাধ্যমে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা।
বিএনপির মিডিয়া সেল এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় তারেক রহমানকে সর্বসম্মতিক্রমে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
শেয়ার করুন
সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। এর পরিপ্রেক্ষিতে শপথ নেবেন কিনা, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠকে বসেছেন জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের দলগুলোর নেতারা।
এনসিপির মিডিয়া কমিটির সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত এ তথ্য নিশ্চিত করে স্ট্রিমকে জানয়েছেন, ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্যরা সংসদে বৈঠকে বসছেন, সেখানে শপথ নেওয়া কিংবা না নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।
সংসদ ভবনে প্রবেশের সময় জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের সাংবাদিকদের বলেন, তারা বৈঠক করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।
শেয়ার করুন

সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সামনে মান্ত্রিসভার নতুন সদস্যদের জন্য ৪৭টি গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি, সমপরিমাণ চালককেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় সরকারি পরিবহন পুল থেকে এসব গাড়ি এখানে আনা হয়েছে।
সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, কতটি গাড়ি যাবে—তাদের কাছে মন্ত্রিাপরিষদ থেকে এখনো কোনো নির্দেশনা আসেনি। তারা ৪৭টি গাড়ি ও তাদের চালককে প্রস্তুত রেখেছেন। পরিবর্তীতে নির্দেশনা অনুসারে নতুন মন্ত্রীদের জন্য গাড়ি পাঠানো হবে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেন, সকালে এমপিদের শপথের পর মন্ত্রীদের জন্য গাড়ি চেয়ে নির্দেশনা আসবে, আমরা সে অনুসারে গাড়ি পাঠাবো।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মোট ৬৮টি গাড়ি রয়েছে, এর মধ্যে ৪৮টি গাড়ি সচিবালয়ে প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। তবে ৪৭টি গাড়িই লাগবে না, এর মধ্যে চার-পাঁচটা বেশি রাখা হয়েছে। কারণ, কোনো গাড়িতে সমস্যা দেখা দিলে যেন এখানে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
গাড়ির মধ্যে বেশিরভাগই টয়োটা ক্যামরি, কিছু মিটসুবিশি ল্যান্সারও রয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার শপথ হবে। এজন্য প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের সচিবিক কার্যক্রম করে থাকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
শেয়ার করুন
বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ শেষ হওয়ার পর সংসদ ভবনে প্রবেশ করছেন জামায়াত থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। তবে এরইমধ্যে দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের গণমাধ্যমে জানিয়েছেন, বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নিলে জামায়াতে ইসলামীর সদস্যরা কোনো শপথই নেবেন না।
আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, দুপুর ১২টায় তাঁদের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের সময় নির্ধারিত রয়েছে, তাঁরা সেখানে যাবেন। তবে বিএনপি যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নেন, জামায়াতের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা কোনো শপথই নেবেন না। কারণ তাঁরা মনে করেন, সংস্কারবিহীন সংসদ অর্থহীন।
সংসদ সচিবালয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের প্রস্তুতি রেখেছিল। তবে বিএনপি এরই মধ্যে জানিয়েছে, সংসদ সদস্য হিসেবে তাঁরা শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন না।
শেয়ার করুন
এরই মধ্যে বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নিয়েছেন। সকাল সাড়ে ১১টায় বিএনপির সংসদ সদস্যদের সংসদীয় দলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
শপথ নেওয়ার আগে ডায়াসে উঠে এমন ঘোষণা দেন সালাহউদ্দিন আহমেদ। বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের শেষে নিয়ম অনুযায়ী জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে আপনাদের প্রত্যেকের ছবি, দস্তখত, ইলেকট্রনিক সিগনেচার দেবেন। আনুষ্ঠানিকতার পরে সাড়ে ১১টায় আমাদের সংসদীয় দলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।’
পরে তাঁদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দীন।
শেয়ার করুন
জাতীয় সংসদ ভবনে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদীন ফারুক বলেন, ‘জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে পালন করব’। এ সময় তিনি নির্বাচনের ফলাফল এবং আগামী দিনের পথচলা নিয়ে নিজের অবস্থানের কথা জানান।
নতুন সরকার পরিচালনায় সামনে কোনো চ্যালেঞ্জ বা প্রতিবন্ধকতা রয়েছে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই, যেহেতু জনগণ আমাদেরকে একক মেজরিটি দিয়েছে।'
এ সময় বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে ‘ছায়া সংসদের’ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘শক্তিশালী বিরোধী দল কামনা করি’।
জনগণের আস্থার প্রতিদান দেওয়ার বিষয়ে প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে পালন করব।’
এরপর তিনি শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ ভবনের ভেতরে প্রবেশ করেন।
শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া দল বিএনপি ও তাদের জোটসঙ্গী দলগুলোর মনোনয়নে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নিয়েছেন।
সকাল ১০টা ৪৪ মিনিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দীন তাঁদের শপথ পড়ান। পরে তাঁরা শপথ ফরমে সই করেন।
পরের ধাপে অন্য দলগুলোর সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন।
শেয়ার করুন

শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন।
শেয়ার করুন

বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিচ্ছেন না। আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে শপথ গ্রহণ কক্ষে বিএনপির সংসদ সদস্যদের সামনে এ কথা জানান দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপস্থিতিতে ডায়াসে উঠে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমরা কেউ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হইনি। সংবিধানে এটি এখনও ধারণ করা হয়নি। গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন হলে সেটি সংবিধান সংস্কার পরিষদে আগে ধারণ করাতে হবে। সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যকে কে শপথ নেওয়াবেন সেটা বিধান করাতে হবে।’
সংসদ সদস্যদের শপথ ফরম দেখিয়ে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘সাদা ফরমটি তৃতীয় তফসিলে আছে। এরকম ফরম তৃতীয় তফসিলে আরেকটি আসবে। সেটি সাংবিধানিকভাবে গৃহীত হওয়ার পর সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ করানো যাবে। আমরা সংবিধান মেনে চলছি, আশা করছি সামনেও চলব।’
সালাহউদ্দিন আরও বলেন, ‘এটি আমাদের দলীয় সিদ্ধান্ত। চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে আমাদের দলীয় সিদ্ধান্তটি জানালাম।’
শেয়ার করুন

জাতীয় সংসদ ভবনে শপথ নেওয়ার জন্য প্রবেশ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি শপথ কক্ষে প্রবেশ করেন। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান।

শেয়ার করুন

শপথ নিতে এসে সংসদ ভবনে প্রবেশের সময় কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. এম ওসমান ফারুক বলেন, ‘আমি সুন্দর সর্বাঙ্গীন একটি সংসদ চাই। সংসদ সদস্যদের এবার আগের চেয়ে ভিন্ন দায়িত্ব পালন করতে হবে। অনেক সমস্যা রয়েছে সেগুলো মনেপ্রাণে সমাধান করতে হবে। আমি বিশ্বাস করি, সেটা আমাদের দ্বারা সম্ভব হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তবে একটা সুষ্ঠু সরকার ব্যবস্থা, জনহিতকর সরকার ব্যবস্থা বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে ঢাকা শহরের বাইরে যেসব পল্লী-গ্রাম রয়েছে সেগুলোর উন্নয়নের দিকে লক্ষ্য রাখা।’
শেয়ার করুন

শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে সারা দেশ থেকে আসা নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সঙ্গে নেতাকর্মীরাও ভিড় করছেন সংসদ সদস্য ভবন এলাকায়। নেতাকর্মীরা ছাড়াও উৎসুক লোকজনের সমাগমের ফলে সংসদ ভবন এলাকায় দীর্ঘ জটের সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে সংসদ ভবনের পূর্ব গেটে আসেন বিএনপির মহাসচিব। এ সময় প্রবেশ পথে দীর্ঘ জটের কারণে অনেক এমপিকে গাড়িতে বসে থাকতে দেখা যায়।
এক সময় বাধ্য হয়ে গাড়ি থেকে নেমে পায়ে হেঁটেই সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বেশ কয়েকজন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য। এসময় দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খানসহ বেশ কয়েকজন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যকে পায়ে হেঁটে ভেতরে প্রবেশ করতে দেখা যায়।
শেয়ার করুন

নতুন সরকারে শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব পালন করছেন পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনী ও বিজিবির ১৫ হাজার সদস্য। স্ট্যান্ডবাই থাকবে সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ও কেনাইনের মতো বিশেষায়িত ইউনিট।
শপথ অনুষ্ঠানের নিরাপত্তায় দক্ষিণ প্লাজাজুড়ে আগেই সুইপিং করেছে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সাদা পোশাকে অবস্থান করছেন গোয়েন্দারা।
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের বাসা থেকে সংসদের দক্ষিণ প্লাজার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার সময় থেকেই দেওয়া হবে নিরাপত্তা। প্রোটোকলের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে অর্ধশত গাড়ি।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আনা-নেওয়া থেকে শুরু করে রুট কেন্দ্রিক এবং সংসদ ভবনের চারপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সভা হয়েছে। পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুলিশ, র্যাব, বিজিবি নিয়োজিত থাকবে। নিরাপত্তা সংক্রান্ত কোনও থ্রেট আশঙ্কা করছি না। এটা সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে পারবো বলে আশা করছি।’
শেয়ার করুন

শপথ নিতে এসে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আন্দালিভ রহমান পার্থ। অনুভূতি ব্যক্ত করে ভোলা থেকে নির্বাচিত এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, এত বছর পর গণতন্ত্র দেশে ফিরে এসেছে এবং আমরা সেটার পার্ট, ভালো লাগছে।’
সংসদে গিয়ে প্রথম চ্যালেঞ্জ কী মনে করছেন, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে তিনি বলেছেন, ‘আমি মনে করি, ১৭ বছর নন-ডেমোক্রেটিক যে প্র্যাকটিসটা ছিল, সেটা থেকে ডেমোক্রেসিতে ফিরিয়ে আনাটাই আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ। সমষ্টিগতভাবে আমাদের সবারই চ্যালেঞ্জ।’
সংস্কার পরিষদে শপথ নিচ্ছেন কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘না, এই পরিষদে শপথ নিতে চাই না।’
নতুন মন্ত্রিসভায় থাকছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না, এরকম কোন খবর এখনো পাইনি।’
তরুণদের উদ্দেশে পার্থ বলেন, ‘এখন তো একটা ভালো সময় এসেছে। ডেমোক্রেসি ফেরত এসেছে। পলিটিক্সের ব্যাপারে কনসার্ন হওয়া উচিত। সবকিছুর বাইরেও পলিটিশিয়ানদের প্রতি যে বা পলিটিক্সের প্রতি যে একটা নেগেটিভিটি ছিল, আমার মনে হয় তরুণদের আস্তে আস্তে সেখান থেকে পলিটিক্সের পজিটিভ এটিটিউড নিয়ে আসা উচিত ঠিক আছে।’
শেয়ার করুন
নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ উপলক্ষে নিরাপত্তাজনিত কারণে খেজুর বাগান ক্রসিং হতে মানিক মিয়া এভিনিউ এবং জুলাই স্মৃতি জাদুঘর (গণভবন ক্রসিং) হতে উড়োজাহাজ ক্রসিং পর্যন্ত লেক রোডে যান চলাচল সীমিত করা হয়েছে। এরফলে আশপাশের সড়কগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
অবশ্য সৃষ্ট সাময়িক অসুবিধা নিরসনের জন্য ডাইভারশনের নির্দেশনার কথা জানিয়েছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ।
সোমবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ওই দুই সড়কে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এ সময় রাজধানীর যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন সড়কে ডাইভারশনের নির্দেশনা দিয়েছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমানের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) জাতীয় সংসদ ভবনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের এবং জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নবগঠিত মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় বিপুল সংখ্যক মানুষের সমাগম হবে।
এতে আরও বলা হয়, শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান চলাকালীন খেজুর বাগান ক্রসিং হতে মানিক মিয়া এভিনিউ এবং জুলাই স্মৃতি জাদুঘর (গণভবন ক্রসিং) হতে উড়োজাহাজ ক্রসিং পর্যন্ত লেক রোডে যান চলাচল সীমিত করা হবে। যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের ফলে সৃষ্ট সাময়িক অসুবিধা নিরসনকল্পে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ কর্তৃক ডাইভারশনের মাধ্যমে যানবাহনের প্রবাহ সচল রাখা হবে।
১. মিরপুর রোড টু ফার্মগেট ভায়া মানিক মিয়া এভিনিউ: মিরপুর রোড হয়ে উত্তর দিক থেকে আসা ফার্মগেট বা সোনারগাঁও অভিমুখী যানবাহন প্রতিরক্ষা গ্যাপ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র-উড়োজাহাজ ক্রসিং-বিজয় সরণি ক্রসিংয়ে ডানে মোড় নিয়ে ফার্মগেটের দিকে যাবে।
২. ধানমন্ডি হতে ফার্মগেট: ধানমন্ডি ২৭ হতে আসা যানবাহন আসাদগেট-প্রতিরক্ষা গ্যাপ দিয়ে ডানে মোড় নিয়ে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র-উড়োজাহাজ ক্রসিং-বিজয় সরণি ক্রসিং হয়ে ডানে মোড় নিয়ে ফার্মগেট ক্রসিংয়ের দিকে গমনাগমন করবে।
৩. আসাদগেট হতে ফার্মগেট ক্রসিং: আসাদগেট থেকে বামে মোড় নিয়ে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর (গণভবন ক্রসিং)-প্রতিরক্ষা গ্যাপ-ডানে মোড় নিয়ে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র-উড়োজাহাজ ক্রসিং-বিজয় সরণি ক্রসিং হয়ে ডানে মোড় নিয়ে ফার্মগেট ক্রসিংয়ের দিকে যাবে।
৪. এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে/ইন্দিরা রোড হতে ধানমন্ডি: এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে বা ইন্দিরা রোড হতে আসা যানবাহন খেজুর বাগান ক্রসিংয়ে ডানে মোড় নিয়ে উড়োজাহাজ ক্রসিং-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র হয়ে বামে মোড় নিয়ে প্রতিরক্ষা গ্যাপ-বামে মোড় নিয়ে আসাদগেট হয়ে ধানমন্ডির দিকে যাবে।
৫. মিরপুর রোড হতে ধানমন্ডি: মানিক মিয়া এভিনিউ হতে ব্লকেড সরিয়ে ফেলা হবে বিধায় মিরপুর রোড হতে দক্ষিণ অভিমুখী যানবাহন শ্যামলী-শিশুমেলা-জুলাই স্মৃতি জাদুঘর (গণভবন)-আসাদগেট হতে সোজা ধানমন্ডি ২৭-এর দিকে গমনাগমন করবে।
৬. এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে: শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান চলাকালীন যানজট বা দুর্ভোগ এড়াতে ফার্মগেট এক্সিট র্যাম্প ব্যবহারের পরিবর্তে এফডিসি (হাতিরঝিল) র্যাম্প সচল থাকবে।
মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত যানজট এড়ানোর লক্ষ্যে মানিক মিয়া এভিনিউ ও লেক রোড এড়িয়ে উল্লিখিত নির্দেশনা মোতাবেক চলাচলের জন্য সকল প্রকার যানবাহন চালকদের বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ।
শেয়ার করুন

শপথ গ্রহণ করতে এরই মধ্যে সংসদ ভবনে আসতে শুরু করেছেন দেশের বিভিন্ন সংসদীয় আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। আসছেন আমন্ত্রিত অতিথিরাও।
সকাল থেকেই এক এক করে তাঁদের গাড়ি সংসদ ভবনের টানেলে প্রবেশ করতে দেখা যায়। এসময় দায়িত্বরতরা গাড়িগুলোতে স্টিকার সাঁটিয়ে দিচ্ছেন।
শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সংসদ ও আশপাশের এলাকায় ভিড় করছেন উৎসুক মানুষ। সেইসঙ্গে সংসদ সদস্যদের সঙ্গে আসা নেতাকর্মীরাও সংসদ ভবন এলাকায় অবস্থান করছেন, আছেন গণমাধ্যমকর্মীরাও।
শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বিচিত এমপিদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের প্রায় ১ হাজার ২০০ অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যার মধ্যে ভারত, পাকিস্তানসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রতিনিধি রয়েছেন।
শপথ অনুষ্ঠানে সার্কভুক্ত দেশগুলোর প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থাকছেন। এরমধ্যে রয়েছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, পাকিস্তানের প্রতিনিধি এবং সার্কভুক্ত অন্যান্য ৬টি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বা প্রতিনিধি।
শেয়ার করুন

সাধারণত নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যরা জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষে এবং নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা বঙ্গভবনের দরবার হলে শপথ নিয়ে থাকেন। সংসদ সদস্যদের শপথে রীতি ঠিক থাকলেও এবার ব্যতিক্রমী আয়োজন হতে যাচ্ছে মন্ত্রিসভার শপথে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, ৫৫ বছরের স্বাধীন বাংলাদেশে এই প্রথম এবছর মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়।
বিকাল ৪টায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন মন্ত্রিসভার শপথ পাঠ করাবেন। প্রথা ভেঙে খোলা আকাশের নিচে এই আয়োজন প্রসঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের জানান, সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় শপথের বিষয়ে বিএনপি অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছিল।
তিনি বলেন, জুলাই ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ ও গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি এবং সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক ঘটনাগুলোর প্রেক্ষাপটে এ স্থান বেছে নেওয়া হয়েছে। জুলাই ঘোষণা ও জুলাই সনদ ঘোষণার অনুষ্ঠানও এখানে হয়েছিল। প্রয়াত নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজাসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন এই প্রাঙ্গণে হয়েছে।
তিনি জানান, সকাল ১০টায় সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। শপথের পর বিএনপি সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচন করবে। বিকাল ৪টায় মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হবে। আমন্ত্রণের বিষয়টি কেবিনেট ডিভিশন দেখছে এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সার্ক দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে।
শেয়ার করুন

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর একটি নতুন অধ্যায়ের শুরুর অপেক্ষা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছে। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত হচ্ছে নতুন সরকার।
নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যরা শপথ নিচ্ছেন আজ সকালে। আর বিকেলেই অনুষ্ঠিত হবে মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান। এর মধ্য দিয়ে ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান-পরবর্তী একটি নির্বাচিত সরকার গঠন এবং এর যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে।
জাতীয় সংসদ সচিবালয় জানিয়েছে, সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ হবে পর্যায়ক্রমে। এরপর বিকেল ৪টায় মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ হবে।
সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। সাধারণত জাতীয় সংসদের স্পিকার এ দায়িত্ব পালন করেন, কিন্তু গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী পরিস্থিতিতে সংবিধান অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভার শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
সোমবার সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের সই করা একটি চিঠিতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ২০৯টি এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে জয়লাভ করেছে। এছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছয়টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয়ী হয়েছে।
সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ধানের শীষ প্রতীকে ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে। অপরদিকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পাওয়া দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে বলে ইসি সূত্র জানায়। অন্যান্য দলের মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) শাপলা কলি প্রতীকে ৩২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৩ দশমিক ০৫ শতাংশ ভোট পেয়েছে।
ইসির তথ্য অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫০টি রাজনৈতিক দল ও ২৭৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
ইসি সচিব জানান, ২৯৯টি আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হলেও আদালতের নির্দেশনার কারণে চট্টগ্রামের দুটি আসনের (চট্টগ্রাম ২ ও ৪) ফলাফল ঘোষণা করা হয়নি। বাকি ২৯৭টি আসনের প্রাপ্ত ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।
শেয়ার করুন