স্ট্রিম ডেস্ক


ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ইসরায়েলের প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র বা ইন্টারসেপ্টরে কোনো ঘাটতি নেই বলে দাবি করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ার খবর নাকচ করে আইডিএফ-এর একজন কর্মকর্তা একে ‘ভুল’ বলে অভিহিত করেছেন। ‘দ্য টাইমস অব ইসরায়েল’-এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, “আমরা দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের সম্ভাবনা মাথায় রেখেই সব প্রস্তুতি নিয়েছি। পরিস্থিতি বর্তমানে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।”
এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘সেমাফর’ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। সেখানে বলা হয়, ইসরায়েল চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়েছে যে তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ইন্টারসেপ্টরের মজুত আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। তবে আইডিএফ এখন সেই দাবি অস্বীকার করছে।
শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ বন্ধ করে অবিলম্বে সংলাপে বসার আহ্বান জানিয়েছেন পোপ চতুর্দশ লিও। ভ্যাটিকানে সাপ্তাহিক অ্যাঞ্জেলুস প্রার্থনার সময় পোপ বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যের খ্রিষ্টান সম্প্রদায় এবং সব সৎ ও মানবিক মানুষের পক্ষ থেকে আমি এই সংঘাতের জন্য দায়ীদের উদ্দেশে বলছি—যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করুন। সংলাপের পথ আবার খুলে দিন। সহিংসতা কখনোই মানুষের প্রত্যাশিত ন্যায়বিচার, স্থিতিশীলতা ও শান্তি এনে দিতে পারে না।” আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “গত দুই সপ্তাহ ধরে মধ্যপ্রাচ্যের জনগণ যুদ্ধের ভয়াবহ সহিংসতার শিকার হচ্ছে। হাজার হাজার নিরীহ মানুষ নিহত হয়েছেন এবং অসংখ্য মানুষ তাঁদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন।”
হামলায় হতাহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে পোপ চতুর্দশ লিও বলেন, “স্কুল, হাসপাতাল এবং আবাসিক এলাকায় হামলায় যাঁরা তাঁদের প্রিয়জন হারিয়েছেন, তাঁদের সবার প্রতি সমবেদনা ও সংহতি পুনর্ব্যক্ত করছি। বিশেষ করে লেবাননের বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।”
শেয়ার করুন
ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে বাহরাইন ও সৌদি আরবে আগামী এপ্রিল মাসে নির্ধারিত রেসগুলো অনুষ্ঠিত হবে না বলে নিশ্চিত করেছে ফর্মুলা-১। আজ রোববার (১৫ মার্চ) এক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানায়, বিকল্প কয়েকটি বিষয় বিবেচনা করা হলেও বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় কোনো রেস আয়োজন না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আনাদোলু এজেন্সির বরাতে এই তথ্য জানা গেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ফর্মুলা-২, ফর্মুলা-৩ এবং এফ১ একাডেমির নির্ধারিত রাউন্ডগুলোও ওই সময়ে হবে না। ফেডারেশন ইন্টারন্যাশনাল দ্য ল’অটোমোবাইল (এফআইএ) এবং সংশ্লিষ্ট আয়োজকদের পরামর্শে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ফর্মুলা ওয়ান গ্রুপের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টেফানো ডোমেনিকালি বলেন, “সিদ্ধান্তটি কঠিন হলেও মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় এটি সঠিক পদক্ষেপ।”
এফআইএ-র প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বেন সুলাইয়েম বলেন, “বাহরাইন ও সৌদি আরব আমাদের রেসিং মৌসুমের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিস্থিতি অনুকূল হলে আমরা দ্রুতই দুই দেশে ফিরে যাব।”
বাহরাইন ইন্টারন্যাশনাল সার্কিটের প্রধান নির্বাহী শেখ সালমান বিন ইসা আল খলিফা ফর্মুলা-১-এর এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, রেসিং কার্যক্রম পুনরায় শুরু হলে বাহরাইন আবারও দর্শকদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত। সৌদি অটোমোবাইল ও মোটরসাইকেল ফেডারেশনের (এসএএমএফ) এবং সৌদি মোটরস্পোর্ট কোম্পানির (এসএমসি) চেয়ারম্যান প্রিন্স খালিদ বিন সুলতান আল-আবদুল্লাহ আল-ফয়সাল বলেন, সৌদি আরব ফর্মুলা-১-এর সিদ্ধান্তকে সম্মান জানায়।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরুর পর থেকে সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করেছে। ওই হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ প্রায় ১,২০০ মানুষ নিহত হন। এর জবাবে ইরান ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা থাকা উপসাগরীয় দেশগুলোকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
শেয়ার করুন

ইরানের পশ্চিম আজারবাইজান প্রদেশে ইসরায়েলের সঙ্গে আঁতাতের অভিযোগে ২০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। আজ রোববার (১৫ মার্চ) প্রদেশটির প্রসিকিউটর হোসেইন মাজিদি রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ‘আইআরএনএ’-কে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবর আনাদোলু এজেন্সির।
তিনি জানান, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)–এর গোয়েন্দা শাখা এবং ‘বাসিজ নেটওয়ার্ক’ পরিচালিত বিশেষ গোয়েন্দা ও সাইবার নজরদারি অভিযানে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মাজিদির দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ইসরায়েলের কাছে সামরিক, পুলিশ ও নিরাপত্তা স্থাপনাসংক্রান্ত গোপন তথ্য পাচারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
শেয়ার করুন

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে গত ২৪ ঘণ্টায় ১০৮ জন ইসরায়েলি নাগরিক আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। আহতদের সবাইকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। ‘দ্য টাইমস অব ইসরায়েল’-এর বরাতে আল জাজিরা এই খবর নিশ্চিত করেছে।
মন্ত্রণালয় জানায়, ১০৮ জনের আহত হওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও বিস্তারিত জানানো হয়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় সাইরেন শুনে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে আহত হয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে যৌথ বিমান হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এই হামলার জবাবে ইসরায়েলি ও মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান।
ইসরায়েলি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আজ রোববার (১৫ মার্চ) সকাল পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ১৯৫ জন ইসরায়েলিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তাঁদের মধ্যে ৮১ জন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শেয়ার করুন

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ‘খুঁজে বের করে হত্যা’ করার অঙ্গীকার করেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে আজ রোববার (১৫ মার্চ) এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
এদিকে ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহর নিউজ জানিয়েছে, দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে বলেছে, তারা নেতানিয়াহুকে ‘নিবিড়ভাবে অনুসরণ করা এবং হত্যার অঙ্গীকার অব্যাহত রাখবে।’
বিবৃতিতে আইআরজিসি আরও দাবি করেছে যে, তাদের হামলার ৫২তম পর্যায়ে ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ বেশ কিছু লক্ষ্যবস্তু এবং এই অঞ্চলে অবস্থিত তিনটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।
ইরান এবং ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সর্বাত্মক যুদ্ধের মধ্যেই তেহরানের পক্ষ থেকে দেশটির শীর্ষ সামরিক বাহিনী এই কঠোর হুমকি দিল। বর্তমানে এই অঞ্চলে উত্তেজনা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।
শেয়ার করুন

ইসরায়েলের দিকে আবারও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, আজ রোববার (১৫ মার্চ) স্থানীয় সময় দুপুরের দিকে এই হামলা চালিয়েছে ইরান।
আইডিএফ জানিয়েছে, ইরানের এই হামলা মোকাবিলায় তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো (ডিফেন্সিভ সিস্টেম) সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। ইতিমধ্যে আক্রান্ত এলাকার বাসিন্দাদের মোবাইল ফোনে জরুরি সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে। দেশটির সাধারণ জনগণকে অবিলম্বে নিরাপদ আশ্রয়ে (প্রটেক্টেড স্পেস) চলে যাওয়ার এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেখানেই অবস্থান করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ জানিয়েছে, ইরান থেকে এক ঝাঁক ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের দিকে ছোড়া হয়েছে।
একই সময়ে লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহও উত্তর ইসরায়েল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত এক ভয়াবহ মোড় নিয়েছে।
শেয়ার করুন

পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে বিশ্বের শক্তিধর রাষ্ট্রগুলো।
গতকাল শনিবার (১৪ মার্চ) নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প চীন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং যুক্তরাজ্যকে হরমুজ প্রণালীতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর অনুরোধ জানান, যাতে এটি আর ইরানের পক্ষ থেকে কোনো হুমকি হয়ে না থাকে।
ট্রাম্পের এই আহ্বানের পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন দেশ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
যুক্তরাজ্য
যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন, ওই অঞ্চলে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা বর্তমানে মিত্র ও অংশীদারদের সঙ্গে বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে আলোচনা করছেন। এর আগে দেওয়া বিবৃতির ধারাবাহিকতায় তারা এই আলোচনার কথা পুনরায় উল্লেখ করেন।
চীন
ওয়াশিংটনে অবস্থিত চীনা দূতাবাসের একজন মুখপাত্র সিএনএন-কে জানিয়েছেন, বেইজিং অবিলম্বে শত্রুতা ও সংঘাত বন্ধের আহ্বান জানাচ্ছে। ট্রাম্পের অনুরোধ চীন গ্রহণ করবে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু না বললেও মুখপাত্র জানান, জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল ও নিরবচ্ছিন্ন রাখা সব পক্ষের দায়িত্ব। চীন এই লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ জোরদার করা অব্যাহত রাখবে।
জাপান
যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত হলেও টোকিও এখনো ট্রাম্পের আহ্বানে আনুষ্ঠানিকভাবে সাড়া দেয়নি। তবে জাপানি সংবাদমাধ্যম এনএইচকে জানিয়েছে, আগামী বুধবার জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির পরিকল্পিত যুক্তরাষ্ট্র সফরে বিষয়টি আলোচনার এজেন্ডায় থাকতে পারে। জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ট্রাম্প অনুরোধ করেছেন বলেই জাপান তাৎক্ষণিকভাবে নৌযান পাঠাবে না। তিনি বলেন, ‘জাপান তার নিজস্ব প্রতিক্রিয়া নিজেই স্থির করবে এবং এক্ষেত্রে স্বাধীন বিচার-বিশ্লেষণই হলো মূল ভিত্তি।’
ফ্রান্স
ফরাসি সরকার এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে ট্রাম্পের পোস্টের কয়েক ঘণ্টা পর ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিশিয়াল এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর খবর অস্বীকার করা হয়েছে। পোস্টে বলা হয়েছে, ‘না, ফ্রান্সের বিমানবাহী রণতরী এবং এর সহযোগী বহরটি পূর্ব ভূমধ্যসাগরেই অবস্থান করছে। আমাদের অবস্থান অপরিবর্তিত এবং এটি একটি আত্মরক্ষামূলক অবস্থান।’
দক্ষিণ কোরিয়া
দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউল থেকে এখন পর্যন্ত কোনো তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি তেল পরিবাহিত হয়। এই জলপথের নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তাকে কেন্দ্র করে চলমান উত্তেজনা বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
শেয়ার করুন

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেনি বেঁচে আছেন কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরান, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধের ১৫তম দিনে এসে ট্রাম্প এমন সন্দেহ প্রকাশ করলেন।
এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে মুজতবা খামেনির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানের একটি কম্পাউন্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর যৌথ হামলায় মুজতবা আহত হয়েছিলেন বলে খবর পাওয়া যায়। উল্লেখ্য, ওই একই হামলায় তাঁর বাবা এবং ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি জানি না তিনি (মুজতবা) আদৌ বেঁচে আছেন কি না। এখন পর্যন্ত কেউ তাঁকে সামনে আনতে পারেনি। শুনছি তিনি বেঁচে নেই। আর যদি তিনি বেঁচে থাকেন, তবে তাঁর দেশের জন্য একটি অত্যন্ত বুদ্ধিমানের কাজ করা উচিত, আর তা হলো—আত্মসমর্পণ করা।’
এর আগে শুক্রবার ফক্স নিউজ রেডিওর একটি অনুষ্ঠানে ব্রায়ান কিলমিডকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছিলেন, মুজতবা খামেনি সম্ভবত ‘কোনো না কোনোভাবে’ এখনো বেঁচে আছেন। যদিও তাঁর আঘাত কতটা গুরুতর, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে জল্পনা বাড়ছে। সেই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ইরানি নেতা হয়তো ওই হামলায় প্রাণে বেঁচে গেছেন, কিন্তু তিনি মারাত্মক শারীরিক ক্ষতির শিকার হয়েছেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারির সেই হামলার পর থেকে মুজতবা খামেনিকে প্রকাশ্যে বা ক্যামেরার সামনে দেখা যায়নি, যা তাঁর মৃত্যু বা গুরুতর অসুস্থতার খবরকে আরও জোরালো করে তুলছে।
শেয়ার করুন

পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর প্রতি যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একইসঙ্গে তিনি ঘোষণা করেছেন, মার্কিন নৌবাহিনী শীঘ্রই এই প্রণালী দিয়ে তেলবাহী ট্যাঙ্কারগুলোকে পাহারা দিয়ে (এসকর্ট) নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু করবে।
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের ১৫তম দিনে এসে ট্রাম্প এই ঘোষণা দিলেন। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘অনেক দেশ, বিশেষ করে যারা হরমুজ প্রণালী বন্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তারা এই জলপথকে উন্মুক্ত ও নিরাপদ রাখতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে।’
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আশা করি চীন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাজ্য এবং অন্যান্য দেশগুলো—যারা এই কৃত্রিম সংকটের শিকার—তারা ওই অঞ্চলে জাহাজ পাঠাবে।’
ট্রাম্পের এই আহ্বানের পর কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ট্রাম্পের নাম সরাসরি উল্লেখ না করে এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের তথাকথিত নিরাপত্তা ছাতাটি যে ফুটো হয়ে গেছে তা প্রমাণিত। তারা সংকট মোকাবিলার চেয়ে বরং সংকটকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র এখন হরমুজকে নিরাপদ রাখতে চীনসহ অন্যদের কাছে ভিক্ষা চাচ্ছে।’
আরাগচি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘ভ্রাতৃপ্রতিম প্রতিবেশী দেশগুলো যেন বিদেশি দখলদারদের এই অঞ্চল থেকে বিতাড়িত করে, কারণ তাদের (যুক্তরাষ্ট্রের) একমাত্র উদ্বেগের বিষয় হলো ইসরায়েল।’
শেয়ার করুন
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে অনেক দেশ যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে। যুক্তরাষ্ট্র প্রণালির উপকূলে বোমা ফেলবে আর ইরানের যুদ্ধজাহাজ ও নৌযান লক্ষ্য করে গুলি ছুড়বে। সেসব দেশের মধ্যে চীনও থাকবে। খবর বার্তাসংস্থা রয়টার্সের।
পোস্টে তিনি বলেন, ‘বিশেষত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলো যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে, যাতে প্রণালিটি খোলা এবং নিরাপদ থাকে।’
ট্রাম্প আরও বলেন, তিনি আশা করেন চীন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাজ্য এবং অন্যান্য দেশ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ পাঠাবে।
শেয়ার করুন

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন কোম্পানিগুলোর স্থাপনায় আঘাত হানবে তেহরান। সংবাদসংস্থা ওয়াইসিজের বরাতে এ খবর জানায় আল জাজিরা।
আরাগচি বলেন, ইরানের জ্বালানি স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হলে আমাদের বাহিনী অঞ্চলে আমেরিকান কোম্পানিগুলোর স্থাপনা বা যেসব কোম্পানিতে যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদারিত্ব আছে সেগুলো লক্ষ্যবস্তু করবে।’
তিনি আরও বলেন, প্রতিশোধমূলক হামলার ক্ষেত্রে ‘ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা’ যাতে লক্ষ্যবস্তু না হয় সেই লক্ষ্যে কাজ করছে ইরান।
শত্রুপক্ষ হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করতে পারবে না হুশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, যদিও হরমুজ প্রণালি খোলা রয়েছে তবুও ইরান শত্রু ও তাদের মিত্রদের তেলবাহী ট্যাঙ্কার ও জাহাজগুলোকে সেখানে দিয়ে যেতে দেবে না।
শেয়ার করুন
দ্রুততম সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাসিন্দাদের আবুধাবি ও দুবাইয়ের বন্দর এলাকা খালি করার আহ্বান জানিয়েছে ইরান।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের জনগণকে দুবাইয়ের জেবেল আলী বন্দর, আবুধাবির খলিফা বন্দর এবং ফুজাইরাহ বন্দরের আশপাশের এলাকা থেকে ‘দ্রুত’ সরে যাওয়ার অনুরোধ করেছে তেহরান।
তাসনিমের খবরে বলা হয়, এই এলাকাগুলোতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর বেসামরিক স্থাপনা থাকায় ইরানের হামলার বৈধ লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠেছে। স্থাপনাগুলি কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হামলার শিকার হতে পারে।
শেয়ার করুন

ইরানের অনুমতি পাওয়ার পর নিরাপদে হরমুজ প্রণাতগ অতিক্রম করে ভারতের দিকে রওনা হয়েছে দেশটির তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) বহনকারী দুটি জাহাজ।
শনিবার (১৪ মার্চ) এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ খবর নিশ্চিত করেছেন ভারতের বন্দর, জাহাজ চলাচল ও জলপথ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সচিব রাজেশ কুমার সিনহা।
এর আগে ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে বেশ কয়েকটি ভারতীয় জাহাজকে নিরাপদে অতিক্রমের অনুমতি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ফথালি।
সুত্র: আল-জাজিরা
শেয়ার করুন
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী রাতে ইরানের খার্গ দ্বীপে ৯০টিরও বেশি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুল হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। হামলায় ইরানের নৌবাহিনীর মাইন সংরক্ষণাগার, ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণ বাঙ্কার এবং দ্বীপের আরও একাধিক সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে। খবর আল জাজিরার।
খার্গ দ্বীপ ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র। এখান থেকে দেশটির ৯০ শতাংশের বেশি অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করা হয়। ফলে চলমান যুদ্ধে এই হামলাকে কৌশলগতভাবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হামলাগুলোর একটি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তাঁরা তেল অবকাঠামো এড়িয়ে কেবল সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।
শেয়ার করুন

খার্গ দ্বীপে তেল রপ্তানি কার্যক্রম ‘পুরোপুরি চলমান’রয়েছে এবং সেখানে কোনো বাধা ছাড়াই তেল কোম্পানিগুলো কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইরানের এক কর্মকর্তা। দেশটির গণমাধ্যম আইআরএনএ এবং তাসনিম সংবাদ সংস্থার বরাতে এ খবর জানিয়েছে আল জাজিরা।
এর আগে, ইরান উপকূলে হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত খার্গ দ্বীপের সামরিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এর এক পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে অন্যতম শক্তিশালী বিমান হামলা চালিয়েছে। তারা ইরানের ‘মুকুটের মণি’হিসেবে পরিচিত খার্গ দ্বীপের প্রতিটি সামরিক লক্ষ্যবস্তু পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে।
হামলার কিছুসময় আগেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ইরানের খার্গ দ্বীপ দখলের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন উড়িয়ে দেন।
যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ফক্স নিউজ রেডিও’র এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়েছিল—ইরানের তেল রপ্তানিতে দ্বীপটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা মাথায় রেখে এটি দখলের কোনো পরিকল্পনা তিনি করছেন কিনা।
জবাবে ট্রাম্প বলেছিলেন, এটি অগ্রাধিকার তালিকায় নেই। এটি অনেক বিষয়ের মধ্যে একটি মাত্র এবং আমি মুহূর্তের মধ্যে মত বদলাতে পারি।
উল্লেখ্য, ইরানের মোট তেল রপ্তানির ৯০ শতাংশেরও বেশি খার্গ দ্বীপ থেকে হয়।
শেয়ার করুন

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ বলেছেন, তিনি লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে প্যারিসে আলোচনা আয়োজন করতে প্রস্তুত।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মাখোঁ জানান, তিনি শুক্রবার লেবাননের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী এবং পার্লামেন্টের স্পিকারের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তাঁরা ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার জন্য রাজি আছেন।
পোস্টে তিনি ইসরায়েলকে বৃহৎ আকারের সামরিক অভিযান ও চলমান হামলা বন্ধের আহ্বান জানান এবং হিজবুল্লাহকে ‘হামলা’ বন্ধ করতে বলেন।
পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘ইসরায়েলকে এই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে আলোচনা ও যুদ্ধবিরতি শুরু করতে হবে। একটি স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করতে হবে এবং লেবাননের সার্বভৌমত্বের পক্ষে লেবাননের কর্তৃপক্ষকে তাদের অঙ্গীকার পূরণ করতে সুযোগ দিতে হবে।’
শেয়ার করুন

যুদ্ধ কবে শেষ হবে সাংবাদিকের এমন প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আমি আপনাকে বলতে পারব না। আমার নিজস্ব ধারণা আছে, কিন্তু তাতে কী লাভ? যতদিন প্রয়োজন ততদিন চলবে। তারা ধ্বংস হয়ে গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৩ মার্চ) ইরানের খার্গ দ্বীপে হামলার ঘোষণার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন ট্রাম্প। খবর সিএনএনের।
এর আগে, ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরান নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করলে যুদ্ধ শেষ হবে।
এর অর্থ কী জানতে চাইলে তিনি বলেন, এর মানে হলো তাদের নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী এবং বেশিরভাগ সামরিক শক্তি ‘শেষ হয়ে গেছে’।
তিনি আরও বলেন, এর মানে, সহজভাবে বলতে গেলে, আমরা এমন এক আধিপত্যের অবস্থানে আছি যা আগে কেউ কখনো দেখেনি। তারা সেটা স্বীকার করুক বা না করুক।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ও ট্রাম্পের উদ্দেশ্যে একই কিনা—এমন প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেন, আমার মনে হয় কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। তবে তিনি বলবেন, যুক্তরাষ্ট্রের মতো শক্তি আর কখনো ছিল না।
শেয়ার করুন

উপসাগরীয় দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাপনা ও প্রতিষ্ঠান লক্ষ্য করে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইরান। আজ শনিবার (১৪ মার্চ) স্থানীয় সময় ভোরে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব এমন হামলা প্রতিহতের কথা জানিয়েছে। অন্যদিকে, বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে আহ্বান জানিয়েছে বাহরাইন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে—ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিরোধ করা হয়েছে। তবে এর ধ্বংসাবশেষ শহরের প্রাণকেন্দ্রের একটি ভবনে আঘাত হেনেছে। খবর সিএনএনের।
স্থানীয় সময় সকাল ৭টার দিকে দুবাই মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, এ হামলায় ‘কোনো আগুন লাগেনি এবং কেউ আহত হননি’।
সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মধ্যরাত থেকে আকাশপথে একের পর এক হামলার চেষ্টা করেছে ইরান। দেশটি ১৯টি ড্রোন ছুড়েছে। এর মধ্যে পূর্বাঞ্চলে ছোড়া ১৬টি ড্রোন এবং মধ্যাঞ্চলীয় আল-খার্জ এলাকা লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির বড় ধরনের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটিকে লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ‘ক্ষেপণাস্ত্র’ প্রতিহত করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে থাকা সিএনএনের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানোর বিকট শব্দ তিনি শুনেছেন।
কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ‘জননিরাপত্তার স্বার্থে’ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ‘নির্দিষ্ট কিছু এলাকা খালি করার’ কথা জানিয়েছে।
বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রাত ১টার কিছু পরে দেশজুড়ে সাইরেন বেজে ওঠে। বাসিন্দাদের নিকটতম নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে আহ্বান জানানো হয়েছে।
এদিকে, স্থানীয় সময় শুক্রবার রাতে নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে ওমানে অবস্থানরত জরুরি নয় এমন সরকারি কর্মকর্তা ও তাঁদের পরিবারকে দেশটি ত্যাগ করার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর।
শেয়ার করুন

যুদ্ধ শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের অন্তত ৫৬টি সাংস্কৃতিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে দেশটির জাদুঘর ও ঐতিহাসিক স্মৃতিসৌধ রয়েছে। হামলায় এসব স্থাপনার ‘গুরুতর কাঠামোগত ক্ষতি’ হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। খবর আল জাজিরার।
এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় বলেছে, তেহরান প্রদেশে সর্বোচ্চ ১৯টি স্মৃতিসৌধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ইরানের কুর্দিস্তান প্রদেশেও ১২টি গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতিসৌধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
শেয়ার করুন

ইরানের সেনাবাহিনী প্রধান আমির হাতামি সতর্ক করে দিয়েছেন, ভারত মহাসাগরে ইরানের অন্যতম নতুন যুদ্ধজাহাজ আইআরআইএস দেনার ১০৪ জন ক্রু সদস্যের হত্যার ‘জবাব দেওয়া হবে’। জাহাজটি একটি সামরিক মহড়া শেষে ফেরার পথে ছিল।
আমির হাতামির বরাতে ইরানের সংবাদ সংস্থা ইরনার এক খবরে বলা হয়েছে, দেনা ডেস্ট্রয়ারের সেনারা শান্তিপূর্ণ মহড়া শেষ করে ইরানে ফিরছিলেন। তাঁরা সরাসরি কোনো যুদ্ধে অংশ না নেওয়া সত্ত্বেও তাঁদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
হাতামি বলেন, দেনা এবং এর ক্রুদের আত্মত্যাগ ইরানের নৌ-ইতিহাসে সাহস ও নিষ্ঠার প্রতীক হয়ে থাকবে। সেনাবাহিনী আরও দৃঢ় সংকল্পের সঙ্গে ইরানের সামুদ্রিক সীমানা রক্ষা করবে এবং নৌশক্তি আরও শক্তিশালী করবে।
শেয়ার করুন

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেনি এবং ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সম্পর্কে তথ্যের জন্য ১ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৩ মার্চ) দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের ডিপ্লোম্যাটিক সিকিউরিটি সার্ভিস ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ কর্মসূচির আওতায় এই পুরস্কার ঘোষণা দেয়।
এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই ব্যক্তিরা আইআরজিসির বিভিন্ন শাখার নেতৃত্ব দেন ও পরিচালনা করেন। সংস্থাটি বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিকল্পনা, সংগঠিত ও বাস্তবায়ন করে।
শেয়ার করুন
নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে জরুরি নয় এমন সরকারি কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারকে ওমান ছাড়া নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৩ মার্চ) এ নির্দেশ দেওয়া হয়।
এছাড়া, পররাষ্ট্র দপ্তর লেভেল ৩ সতর্কতার আওতায় ভ্রমণকারীদের ‘সশস্ত্র সংঘাত ও সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকির কারণে ওমান ভ্রমণ পুনর্বিবেচনা’ করতে বলেছে। খবর আল জাজিরার।
শেয়ার করুন
রাশিয়ার তেল কেনার ওপর নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের। দেশটির এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করছেন ইউরোপীয় নেতারা।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তের সুযোগ পাবে তেল কিনতে আগ্রহী অনেক দেশ। কারণ নিষেধাজ্ঞার কারণে সমুদ্রে জাহাজে থাকা অবিক্রিতি রাশিয়ান তেল কিনতে পারবে দেশগুলো।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের এ সিদ্ধান্তের এক প্রতিক্রিয়ায় ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এ সিদ্ধান্ত ‘অত্যন্ত উদ্বেগজনক”। কারণ এ সিদ্ধান্ত ‘ইউরোপীয় নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করে।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেন, নিষেধাজ্ঞা দুর্বল করলে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের যুদ্ধ চালাতে রাশিয়া অর্থ পাবে।
অন্যদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি যুক্তরাষ্ট্রের এ সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় সংবাদ সম্মেলন করে বলেছেন, এই পদক্ষেপে রাশিয়া ১০ বিলিয়ন ডলার (৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন পাউন্ড) লাভ করতে পারে। আর এ অর্থ নিশ্চিতভাবে শান্তি আনতে কাজে লাগানো হবে না।
ইউক্রেনের পাশে দাঁড়িয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ বলেছেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধের ঘোষণা কোনোভাবেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়াকে ন্যায্যতা দেয় না।
জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, এই সিদ্ধান্ত ‘ভুল’।
এদিকে, এক সংবাদ সম্মেলনে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেছেন, কানাডার অবস্থান হলো রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা বজায় রাখা।
শেয়ার করুন
মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের খার্গ দ্বীপ দখলের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন উড়িয়ে দেন।
যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ফক্স নিউজ রেডিও’র এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়েছিল—ইরানের তেল রপ্তানিতে দ্বীপটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা মাথায় রেখে এটি দখলের কোনো পরিকল্পনা তিনি করছেন কিনা।
জবাবে ট্রাম্প বলেছিলেন, এটি অগ্রাধিকার তালিকায় নেই। এটি অনেক বিষয়ের মধ্যে একটি মাত্র এবং আমি মুহূর্তের মধ্যে মত বদলাতে পারি।
অবশ্য প্রশ্নটি ট্রাম্পকে অদ্ভুতভাবে বিরক্ত করেছিল বলে মনে হয়েছিল। তিনি ফক্সের সাংবাদিক ধমক দিয়ে বলেছিলেন, এই ধরনের প্রশ্ন কে করে আর কোন বোকা এর জবাব দেয়?
ট্রাম্প বলেন, ধরুন আমি দখল করব বা করব না— কেন আমি তা আপনাকে বলব?
শেয়ার করুন
বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে হামলা হয়েছে। হামলার পর সেখান থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে। একইসঙ্গে বিমান হামলার সাইরেনও বাজছে। খবর আল জাজিরার।
ইরাকি কর্মকর্তারা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছেন, বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের হেলিপ্যাডে একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।
শেয়ার করুন
ইরানের তেল বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপে হামলার সময় অন্তত ১৫টির বেশি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। হামলার পর দ্বীপটি থেকে ঘন ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে।
আজ শনিবার (১৪ মার্চ) মাঠ পর্যায়ের সূত্রের বরাতে ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, হামলার সময় দ্বীপে ১৫টিরও বেশি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। হামলায় কোনো তেল অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।
ফার্স নিউজ এজেন্সি আরও জানায়, যুক্তরাষ্ট্র দ্বীপটির সামরিক স্থাপনা ‘পুরোপুরি ধ্বংস’ করে দিয়েছে ট্রাম্পের এমন দাবি সত্ত্বেও ইরানি বাহিনী সেখান থেকে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। হামলার এক ঘণ্টার মধ্যেই দ্বীপের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুনরায় সক্রিয় হয়ে যায়।
খবরে আরও বলা হয়, হামলায় একটি সেনা প্রতিরক্ষা স্থাপনা, নৌ ঘাঁটি, হেলিকপ্টার নিয়ন্ত্রণ টাওয়ার এবং হেলিকপ্টারবাহী জাহাজ লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
শেয়ার করুন
সৌদি আরবে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিমান ঘাঁটিতে ইরানের হামলায় পাঁচটি রিফুয়েলিং বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৩ মার্চ) ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে এমনটাই জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি সৌদি আরবের একটি বিমান ঘাঁটিতে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর পাঁচটি রিফুয়েলিং বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, বিমানগুলো একটি ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে হামলাটি কখন হয়েছে তা উল্লেখ করা হয়নি। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড সেন্টকমও এই ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
শেয়ার করুন

খার্গ দ্বীপ হলো ইরানের অর্থনীতির প্রধান উৎস। এটি পারস্য উপসাগরে ইরানের উপকূল থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত একটি দ্বীপ। ছোট হলেও এর দীর্ঘ জেটিগুলো সুপার ট্যাংকারগুলোকে গভীর জলে প্রবেশের সুযোগ দেয়। যেটি মূল ভূখণ্ডের ঢালু ও পরিবর্তনশীল উপকূলরেখায় তা সম্ভব নয়।
দ্বীপটির দীর্ঘ বাণিজ্যিক ইতিহাস রয়েছে। মধ্যযুগে এর বন্দর দিয়ে মুক্তা ও পণ্যসামগ্রী যাতায়াত করত। আর চলতি দশকে এসে এই টার্মিনাল একসঙ্গে ১০টি সুপার ট্যাংকারে তেল, সার, তরল গ্যাস ও অন্যান্য পণ্য বোঝাই করে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠাতে পারে।
ইরানের সবচেয়ে মূল্যবান রপ্তানি পণ্য ও তার ক্রেতাদের মধ্যে খার্গ দ্বীপ সংযোগ সেতু হিসেবে কাজ করে। দেশটির তেল বাণিজ্যের ৯০ শতাংশ পর্যন্ত এই টার্মিনাল দিয়ে যায়। আহওয়াজ, মারুন ও গাচসারানসহ ইরানের বৃহত্তম তেলক্ষেত্রগুলো থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল খার্গ দ্বীপে আসে। সেখান থেকে ট্যাংকারে বোঝাই হয়ে হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে আরব সাগরে যায়। এই দ্বীপ ইরান সরকারকে বিপুল অর্থ এনে দেয়, যা দিয়ে সরকারের ব্যয় মেটানো হয়।
শেয়ার করুন
খার্গ দ্বীপের তেল ও জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীক অংশীদার বা সহযোগী এমন তেল কোম্পানিগুলোর স্থাপনায় পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।
স্থানীয় সময় শনিবার (১৪ মার্চ) তেহরানের খাতাম আল-আম্বিয়া সামরিক কমান্ডের সদর দপ্তরের এক বিবৃতির বরাত দিয়ে এই খবর দিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।
খার্গের সামরিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছে ট্রাম্পের এমন ঘোষণার পরই এই বিবৃতি দিয়েছে খাতাম আল-আম্বিয়া সামরিক কমান্ড।
শেয়ার করুন

শেষ পর্যন্ত ইরান শাসনের ‘হৃৎপিণ্ড’ খ্যাত খার্গ দ্বীপে হামলার দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প এ দাবি করেন।
তিনি বলেন, ইরানের খার্গ দ্বীপের ‘প্রতিটি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে’ বোমা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। খবর সিএনএনের।
এছাড়া তিনি হুঁশিয়ারি দেন, হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে ইরান বাধা দিতে থাকলে দ্বীপটির তেল অবকাঠামোতে হামলা চালানো হবে।
ট্রুথ সোশ্যালে লিখেন—কিছুক্ষণ আগে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী বোমা হামলাগুলোর একটি চালিয়েছে। তারা ইরানের ‘মুকুটের মণি’ খার্গ দ্বীপের প্রতিটি সামরিক লক্ষ্যবস্তু সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দিয়েছে। আমাদের অস্ত্র বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ও উন্নত। তবে ‘নৈতিক দায়বদ্ধতা’ কারণে দ্বীপের তেল অবকাঠামো ধ্বংস না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক না হলে তেল অবকাঠামোতে হামলার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হবে।
শেয়ার করুন