স্ট্রিম ডেস্ক


হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজ পাহারায় মার্কিন নৌবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরান এ রুট বন্ধের হুমকির পর তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন। আজ হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, প্রয়োজন হলে মার্কিন নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী ট্যাংকারগুলোকে নিরাপত্তা দিয়ে পার করে দেবে।
সম্প্রতি ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড (আইআরজিসি) যুদ্ধের কারণে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এ সামুদ্রিক রুটটি বন্ধ ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে তারা এ পথে যাতায়াতকারী বিদেশি জাহাজগুলোতে হামলার হুমকি দিয়েছে। ইরানের এ অবস্থানের পাল্টা জবাব হিসেবে ট্রাম্প এ পদক্ষেপের কথা জানালেন।
ক্যারোলিন লেভিট আরও জানান, উপসাগরীয় অঞ্চলে চলাচলকারী অপরিশোধিত তেল ও পণ্যবাহী জাহাজগুলোকে বিশেষ সুরক্ষা দিতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব জাহাজ এখন থেকে মার্কিন ‘ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স করপোরেশন’ থেকে অত্যন্ত সুলভ মূল্যে ‘রাজনৈতিক ঝুঁকি বিমা’ সুবিধা পাবে। এর ফলে যুদ্ধাবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকলেও বাণিজ্যিক জাহাজগুলো চলাচলে উৎসাহ পাবে বলে মনে করছে মার্কিন প্রশাসন।
শেয়ার করুন
শেয়ার করুন

যুদ্ধের মধ্যে পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালি শুধু যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং তাদের পশ্চিমা মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজের জন্য বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে ইরান।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান ব্রডকাস্টিং’ (আইআরআইবি)-এ প্রচারিত এক বিবৃতিতে দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এ ঘোষণা দেয়। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।
বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, এ নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল, ইউরোপ এবং তাদের সমর্থক দেশগুলোর মালিকানাধীন বা সংশ্লিষ্ট জাহাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
আইআরজিসি বলেছে, ‘আমরা আগেই জানিয়েছি যে আন্তর্জাতিক আইন ও প্রস্তাবনার ভিত্তিতে যুদ্ধকালীন সময়ে ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণের অধিকার রয়েছে।’
এ ছাড়া সতর্ক করে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল, ইউরোপ বা তাদের সমর্থক দেশগুলোর কোনো জাহাজ ওই অঞ্চলে শনাক্ত হলে তা লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ও বাণিজ্যপথ হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল ও পণ্য পরিবহন হয়। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করার পর থেকে ওই পথ দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এ পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও অর্থনীতিতেও বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।
শেয়ার করুন

ইরানের রাজধানী তেহরানের অন্যতম প্রতীকী স্থাপনা আজাদি স্পোর্টস কমপ্লেক্সে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আজ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
তেহরানের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত আজাদি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ১২ হাজার আসনবিশিষ্ট ইনডোর স্টেডিয়ামে এই বিমান হামলা চালানো হয়। এই বহুমুখী স্টেডিয়ামটি মূলত ভলিবল, কুস্তি এবং ফুটসাল খেলার জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।
তেহরানের জনপ্রিয় ফুটবল ক্লাব ‘পারসেপোলিস’ এই ন্যাক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে ক্লাবটি জানায়, ক্রীড়াঙ্গন সব সময় শান্তি এবং ন্যায্য প্রতিযোগিতার প্রতীক। এ ধরনের স্থাপনায় হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ঐতিহাসিক এই কমপ্লেক্সটি ১৯৭৪ সালের এশিয়ান গেমসের জন্য নির্মিত হয়েছিল, যা ছিল মধ্যপ্রাচ্যে আয়োজিত প্রথম এশিয়ান গেমস।
তথ্যসূত্র: সিএনএন
শেয়ার করুন
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, উত্তর ইরাকের এরবিলে অবস্থিত মার্কিন একটি সামরিক ঘাঁটিতে শক্তিশালী ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান। এ হামলায় মার্কিন ঘাঁটির উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানি সামরিক বাহিনী।
অন্যদিকে, লেবানন সীমান্তে ইসরায়েলি বাহিনীর অগ্রযাত্রা ঠেকাতে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লাহ। গোষ্ঠীটির দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, দক্ষিণ লেবাননের মারকাবা নামক এলাকায় অগ্রসরমাণ একদল ইসরায়েলি সেনার ওপর আজ দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে এই আক্রমণ চালানো হয়।
হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, মানারা নামক স্থান থেকে মারকাবার দিকে অগ্রসর হওয়া ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর দুটি ক্ষেপণাস্ত্রের সরাসরি আঘাত লেগেছে। বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলি এবং লেবাননের অন্যান্য শহরগুলোতে চালানো ইসরায়েলি বিমান হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে এই আক্রমণ চালানো হয়েছে বলে সংগঠনটি উল্লেখ করেছে।
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা
শেয়ার করুন

চলমান যুদ্ধ নিরসনে সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি)। তারা বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
আজ ইউরোপীয় এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এক ভিডিও কনফারেন্স শেষে ইইউ ও জিসিসি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে মন্ত্রীরা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার প্রতি তাঁদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধার আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে মন্ত্রীরা বর্তমান সংকট নিরসনে আলোচনা ও কূটনীতিকে একমাত্র পথ হিসেবে চিহ্নিত করেন। তাঁরা ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন প্রতিরোধে একটি স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে যৌথ কূটনৈতিক প্রচেষ্টার বিষয়ে একমত হয়েছেন। এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো একটি দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নিশ্চিত করা, যা শেষ পর্যন্ত ইরানি জনগণকে তাঁদের নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সুযোগ করে দেবে।
শেয়ার করুন

ইরান, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সামরিক সংঘাত বর্তমানে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। গত কয়েক দিনের ভয়াবহ হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে এ পর্যন্ত দেড় হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
এই যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে ইরানে। দেশটিতে এ পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ২৩০ জন নিহত হয়েছেন। গত শনিবার মিনাবের একটি স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৭৫ জন ছাত্রী ও কর্মচারী নিহত হওয়ার ঘটনা ছিল সবচেয়ে মর্মান্তিক।
অন্যদিকে, ইসরায়েলের বেইত শেমেস এলাকায় গত ১ মার্চের ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ৯ জনসহ সে দেশে মোট ১১ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, এই অভিযানে অংশ নিতে গিয়ে এ পর্যন্ত তাদের ৬ জন সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন।
লেবাননে গত সোমবার থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় অন্তত ৭৭ জন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে বাহরাইনের সালমান শিল্পাঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতের পর সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে একজন এবং কুয়েতে ইরানি হামলায় দুই সেনাসহ মোট ৪ জন নিহত হয়েছেন।
এ ছাড়া ওমান উপকূলে মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পতাকাবাহী একটি ট্যাংকারে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার ঘটনায় একজন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন। হতাহতের এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা
শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের রেশ এবার আজারবাইজানেও পৌঁছেছে। আজারবাইজান সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া দুটি ড্রোন আজারবাইজানের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল নাখচিভানের একটি বিমানবন্দর ও স্কুল প্রাঙ্গণে আঘাত হেনেছে। এতে দুজন আহত হয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, বিমানবন্দরের একটি ভবন থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে এবং ভবনের ছাদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে হামলার সময় ভবনটি মূলত খালি ছিল।
অন্য ড্রোনটি কাছের একটি গ্রামের স্কুলের আঙিনায় আছড়ে পড়ে। ঘটনার পরপরই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আশপাশের সকল স্কুল থেকে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ জোড়া হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত দুজন আহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।
এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে আজারবাইজান সরকার তেহরানের কাছে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দাবি করেছে। রাজধানী বাকু থেকে ইরানি রাষ্ট্রদূতকে তলব করে প্রতিবাদপত্র হস্তান্তর করা হয়েছে।
শেয়ার করুন

ইসরায়েলের দিকে ইরানের নতুন দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, ইরান থেকে ‘নতুন এক ঝাঁক ক্ষেপণাস্ত্র’ ছোড়ার পর দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো সক্রিয় করা হয়েছে।
নিজেদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেওয়া এক বিবৃতিতে আইডিএফ জানিয়েছে, তারা এই হুমকি প্রতিহত করতে কাজ করে যাচ্ছে। একইসঙ্গে সাধারণ জনগণকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে এবং নিরাপত্তাবিষয়ক সব ধরনের নির্দেশনা মেনে চলার জরুরি অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আইডিএফ আরও বলেছে, ‘আমরা জনগণকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে এবং সব নির্দেশনা কঠোরভাবে পালন করতে অনুরোধ করছি—কারণ এটি জীবন রক্ষা করার জন্য অপরিহার্য।’
শেয়ার করুন

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করেছে, আজ সকালে তাঁদের নৌবাহিনী উত্তর উপসাগরে একটি মার্কিন ট্যাংকারে আঘাত হেনেছে। খবর আল জাজিরার।
আইআরজিসি বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও তাঁদের সমর্থনকারী ইউরোপীয় দেশগুলোর সামরিক–বাণিজ্যিক জাহাজকে এই পথে চলাচল করতে দেওয়া হবে না। এ ধরনের কোনো জাহাজ দেখা গেলে অবশ্যই তা লক্ষ্য করে আঘাত হানা হবে।’
ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক আইন ও প্রস্তাবের ভিত্তিতে যুদ্ধের সময়ে হরমুজ প্রণালিতে যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ করার অধিকার ইরানের রয়েছে বলেও জানিয়েছে আইআরজিসি।
শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ এখনই বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদি। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, যুদ্ধের কারণে ওমানে আটকে পড়া সব বিদেশিদের নিজ নিজ দেশে ফিরতে সহায়তার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করবে তাঁর দেশের সরকার। খবর আল জাজিরার।
এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বদর আল-বুসাইদি লিখেছেন, ‘চলুন, এই যুদ্ধ এখনই বন্ধ করি।’
ওমান সরকার বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজ সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে আটকে পড়া মানুষদের স্বদেশে ফেরাতে ফ্লাইটের ব্যবস্থা করছে বলে জানান বদর আল-বুসাইদি।
ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সব দেশের নাগরিকেরই নিরাপত্তা ও সুরক্ষার মানবিক অধিকার রয়েছে।
শেয়ার করুন

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি জানিয়েছে, প্রতিবেশী ইরাকের আধা-স্বায়ত্তশাসিত কুর্দি অঞ্চলে ‘ইরানবিরোধী বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তি’ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইরানি বাহিনী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, অভিযানের সময় রাতের আকাশে একের পর এক বিস্ফোরণে আলো ছড়িয়ে পড়ছে। খবর আল জাজিরার।
তবে কোথায় এই হামলা চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো স্থান উল্লেখ করেনি সংবাদমাধ্যমটি।
এর আগে আল জাজিরার জানিয়েছিল, উত্তর ইরাকের সুলেইমানিয়া প্রদেশে একাধিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, হামলার লক্ষ্য ছিল কুর্দিস্তান টয়লার্স অ্যাসোসিয়েশন বা কোমালা নামের একটি ইরানি কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদর দপ্তর।
এই হামলার ঘটনা এমন এক সময় ঘটল, যখন সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানি কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করেছে বলে খবর এসেছে। আলোচনায় তারা জানতে চেয়েছে, ইরানের পশ্চিমাঞ্চলে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর কীভাবে এবং আদৌ হামলা চালানো উচিত কি না।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান-ইরাক সীমান্তভিত্তিক ইরানি কুর্দি গোষ্ঠীগুলোর একটি জোট সম্ভাব্য এমন হামলার প্রস্তুতি হিসেবে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। তাদের আশা, এতে ইরানের সামরিক শক্তি দুর্বল করা যাবে।
শেয়ার করুন

কাতারের রাজধানী দোহায় মার্কিন দূতাবাসের আশপাশে বসবাসকারী বাসিন্দাদের সতর্কতামূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে সরানো শুরু হয়েছে। কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই তথ্য জানিয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় বলেছে, প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে যাঁদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, তাঁদের জন্য উপযুক্ত বাসস্থান নিশ্চিত করা হয়েছে। খবর আল জাজিরার।
গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরু করে। জবাবে ইসরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন স্থাপনা নিশানা করে হামলা চালাচ্ছে ইরান। চলতি সপ্তাহে সৌদি আরব ও কুয়েতে মার্কিন দূতাবাস হামলার শিকার হয়। এ ছাড়া দুবাইয়ের মার্কিন কনস্যুলেটেও হামলা হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে কাতারের দোহায় মার্কিন দূতাবাসের আশপাশে বসবাসকারী বাসিন্দাদের সরানো হচ্ছে।
শেয়ার করুন

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মিত্র দেশগুলোর প্রতিরক্ষায় সহায়তা করতে বিশেষজ্ঞ পাঠানোর পরিকল্পনা করছে ইউক্রেন। বিশেষজ্ঞরা ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মোকাবিলায় কাজ করবেন।
তিনি জানান, গতকাল তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারের সমপর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। আজ কথা বলেছেন জর্ডান ও বাহরাইনের নেতাদের সঙ্গে। খবর আল জাজিরার।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নিয়ে মন্ত্রী ও সামরিক কমান্ডারদের সঙ্গে আলোচনার পর, তিনি তাদের নির্দেশ দিয়েছেন মিত্র দেশগুলোকে সহায়তার বিভিন্ন বিকল্প পরিকল্পনা প্রস্তুত করতে। তবে সেই সহায়তা যেন ইউক্রেনের নিজস্ব প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে দুর্বল না করে, সে বিষয়েও গুরুত্ব দিতে বলেছেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেন, ‘ইউক্রেন জীবন রক্ষা করতে এবং পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে সহায়তা করতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সামরিক বাহিনীর প্রয়োজনীয় সক্ষমতা রয়েছে। ইউক্রেনীয় বিশেষজ্ঞরা সরাসরি মাঠপর্যায়ে কাজ করবেন এবং এ লক্ষ্যে টিমগুলো ইতিমধ্যে সমন্বয় করছে। আমরা জীবন রক্ষা, বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা এবং পরিস্থিতি স্থিতিশীল করা ও অঞ্চলে নিরাপদ নৌ-চলাচল পুনরুদ্ধারের প্রকৃত প্রচেষ্টাকে সমর্থন করতে প্রস্তুত।’
শেয়ার করুন

বুধবার মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন ইরান যুদ্ধে নিহত আরও দুই সেনার পরিচয় প্রকাশ করেছে। গত রোববার কুয়েতের পোর্ট শুয়াইবায় একটি মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ড্রোন হামলায় এই দুই ‘আর্মি রিজার্ভ’ সেনার মৃত্যু হয়। ওই একই হামলায় আরও চারজন রিজার্ভ সেনা নিহত হয়েছিলেন। এ নিয়ে মোট ছয়জন মার্কিন সেনার নিহতের খবর নিশ্চিত করল যুক্তরাষ্ট্র। খবর রয়টার্সের।
পেন্টাগন জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে রয়েছেন আইওয়া অঙ্গরাজ্যের ৪৫ বছর বয়সী মেজর জেফরি ও’ব্রায়েন। এছাড়া পেন্টাগন ক্যালিফোর্নিয়ার স্যাক্রামেন্টোর ৫৪ বছর বয়সী চিফ ওয়ারেন্ট অফিসার ৩ রবার্ট এম মারজানের ‘সম্ভাব্য মৃত্যুর’ কথা ঘোষণা করেছে। মারজানের মৃতদেহ শনাক্তকরণের চূড়ান্ত প্রক্রিয়াটি মেডিকেল পরীক্ষক সম্পন্ন করবেন বলে জানানো হয়েছে।
এর আগে গত মঙ্গলবার আরও চার সেনার পরিচয় প্রকাশ করেছিল মার্কিন সামরিক বাহিনী, যারা ইরানের ড্রোন হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন। এই ছয়জনের মৃত্যুই চলতি যুদ্ধে প্রথম মার্কিন হতাহতের ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
নিহত অন্য চার সেনা হলেন—ক্যাপ্টেন কোডি এ খোরক (৩৫), সার্জেন্ট ফার্স্ট ক্লাস নোয়া এল টাইটজেনস (৪২), সার্জেন্ট ফার্স্ট ক্লাস নিকোল এম আমোর (৩৯), এবং সার্জেন্ট ডিক্লান জে কোডি (২০)।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমাদের যত দিন প্রয়োজন, তত দিন পর্যন্ত এই লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে।’
শেয়ার করুন
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন অভিযান শুরু করেছে। অভিযানটি ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনা লক্ষ্য করে পরিচালিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে ইরানি সংবাদ সংস্থা তাসনিম।
গত শনিবার মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার পর থেকে ইসরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটিকে নিশানা করছে ইরান।
শেয়ার করুন

মার্কিন সিনেটে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধক্ষমতা সীমিত করার প্রস্তাব ব্যর্থ হয়েছে। ইরানে ট্রাম্পের সামরিক অভিযান চালানোর ক্ষমতা কমানোর লক্ষ্যে আনা এই প্রস্তাবের পক্ষে ৪৭ জন এবং বিপক্ষে ৫৩ জন সিনেটর ভোট দিয়েছেন। খবর বিবিসির।
আইনপ্রণেতারা প্রায় পুরোপুরি দলীয় অবস্থান থেকে বিভক্ত হয়ে ভোট দেন।
এই প্রস্তাবে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদের সংঘাত থেকে প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে। তবে এ বিষেয়ে আগের প্রচেষ্টাগুলোও ব্যর্থ হয়েছে এবং এই উদ্যোগ সফল হলেও যুদ্ধের গতিপথ কতটা বদলাতো তা পরিষ্কার নয়।
ভোটের আগে ডেমোক্র্যাটরা যুক্তি দেন যে ট্রাম্প কংগ্রেসকে পাশ কাটিয়ে গেছেন এবং যুদ্ধের পক্ষে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
অন্যদিকে বেশিরভাগ রিপাবলিকান বলেছেন, তাঁরা এই প্রস্তাব আটকে দিলেও যুদ্ধ আরও বিস্তৃত হলে তাঁরা নিজেদের অবস্থান বদলাতে পারেন।
তবে কংগ্রেস থেকে এ বিষয়ে শেষ কথা এখনো শোনা বাকি। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ ঘোষণা করার ক্ষমতা একমাত্র কংগ্রেসেরই আছে এবং ইরানে চলমান সামরিক অভিযানের প্রসঙ্গে এই আলোচনায় তারা আবারও ফিরবে।
শেয়ার করুন

বৃহস্পতিবার ভোরে ইরান থেকে ইসরায়েলের দিকে বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। ইসরায়েলের জরুরি পরিষেবা সংস্থার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, এই হামলায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
দুই ঘণ্টার মধ্যে অন্তত তিনবার পৃথক সতর্ক সংকেত বা সাইরেন বাজানো হয়। এফপির প্রতিনিধিরা জেরুজালেম শহরে শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন। তবে পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এখন সাধারণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়স্থল ছেড়ে বের হওয়ার অনুমতি দিয়েছে।
শেয়ার করুন

ইরানে আন্তঃসীমান্ত সামরিক অভিযানে সহায়তার জন্য কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কাছে যুক্তরাষ্ট্র ‘সাহায্য চেয়েছে’ বলে খবর পাওয়া গেছে। কুর্দি কর্মকর্তাদের বরাতে যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) এই তথ্য জানিয়েছে। খবর আল জাজিরার।
ইরান-ইরাক সীমান্তে সক্রিয় ইরানি কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হাজার হাজার যোদ্ধা রয়েছে, যারা মূলত ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলে অবস্থান করে।
উত্তর ইরাকের আধা-স্বায়ত্তশাসিত কুর্দি অঞ্চলের কুর্দিস্তান ফ্রিডম পার্টির (পিএকে) কর্মকর্তা খলিল নাদিরি জানান, তাঁদের কিছু বাহিনী সুলাইমানিয়া প্রদেশের ইরান সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান নিয়েছে এবং তারা বর্তমানে ‘প্রস্তুত’ অবস্থায় রয়েছে।
নাদিরি আরও জানান, সম্ভাব্য অভিযানের বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তারা ইরানের সরকার-বিরোধী গোষ্ঠীগুলোর নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তবে এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত আর কোনো তথ্য দেননি।
অন্য একটি কুর্দি গোষ্ঠী কোমালার একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তাঁদের বাহিনী এক সপ্তাহের মধ্যে সীমান্ত অতিক্রম করার জন্য প্রস্তুত এবং বর্তমানে তারা ‘উপযুক্ত সময়ের’ জন্য অপেক্ষা করছে।
শেয়ার করুন
ইরানের রাজধানী তেহরানে রাতে শুরু হওয়া হামলা আজ বৃহস্পতিবার সকালেও অব্যাহত রয়েছে। তেহরানের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মাঝেমধ্যে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে। খবর আল-জাজিরার।
কেবল রাজধানী নয়, দেশের অন্যান্য শহর থেকেও সামরিক সদর দপ্তর ও রাজনৈতিক কেন্দ্রগুলোতে একই ধরনের হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে।
ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান হামলায় নিহতের সংখ্যা ১ হাজার ছাড়িয়েছে এবং ৬ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।
এদিকে বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে। এরই মধ্যে ১৭ ও ১৮তম দফার হামলা চালানো হয়েছে।
আইআরজিসির দাবি, তারা ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং দেশটির বেশ কিছু উন্নত রাডার সিস্টেমকে সফলভাবে নিশানা করেছে।
শেয়ার করুন
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ভোরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনায় সমন্বিত বিমান হামলা চালায়। হামলার লক্ষ্য ছিল ইরানের সামরিক নেতৃত্ব, পারমাণবিক কর্মসূচি ও সামরিক অবকাঠামো। ইসরায়েল এই অভিযানের নাম দেয় ‘অপারেশন রোরিং লায়ন’, যুক্তরাষ্ট্র দেয় ‘অপারেশন এপিক ফিউরি।’
হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ ৪৮ জন ইরানের সামরিক শীর্ষ ব্যক্তি নিহত হন। এছাড়া ইরানের একটি স্কুলে বোমা হামলায় ১৬৫ জন শিক্ষার্থী মৃত্যু বরণ করে। এই হামলার পর থেকে এখন পর্যন্ত ইরানের মোট ১ হাজার ৪৫ জন মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৫ হাজারেরও বেশি।
হামলার জবাবে ইসরায়েলের বিভিন্ন শহর লক্ষ্য করে ইরান দ্রুতই ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ড্রোন হামলা শুরু করে। হামলা চালানো হয় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও দূতাবাসগুলোতেও। জর্ডান, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরাকের মার্কিন ঘাঁটি ও দূতাবাসে হামলা চালায়। হামলায় এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ছয় সেনা নিহতের খবর পাওয়া গেছে।
এছাড়া বিশ্বে তেল ও গ্যাস পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা দেখা দেয়।
অবিলম্বে এই যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ।
শেয়ার করুন