স্ট্রিম ডেস্ক


ইরানে মার্কিন সামরিক অভিযান অত্যন্ত সফল দাবি করে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তেহরানের নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীসহ প্রায় সবকিছু ধ্বংস হয়েছে।
হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মার্জের সঙ্গে বৈঠককালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এসব কথা বলেন। তিনি দাবি করেন, ইরানি সামরিক বাহিনীর কোনো সক্ষমতাই আর অবশিষ্ট নেই। ট্রাম্প বলেন, ‘তাদের কোনো নৌবাহিনী নেই, বিমানবাহিনী নেই এবং আকাশপথে শনাক্তকরণ ব্যবস্থা বা রাডার ব্যবস্থাও আর নেই। সবকিছুই গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।’ তিনি মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রশংসা করে বলেন, তারা খুব ভালো কাজ করছে।
ইরানের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, ‘সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি হবে যদি আগের নেতার মতোই খারাপ কেউ ক্ষমতায় আসে। আমরা চাই ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ জনগণের কাছে ফিরে আসুক।’ তিনি আরও জানান, সম্ভাব্য অনেক নেতা ইতিমধ্যে নিহত হয়েছেন। ট্রাম্প পরামর্শ দেন যে ইরানের ভেতর থেকেই তুলনামূলক ‘মডারেট’ বা মধ্যপন্থী কাউকে নেতৃত্বে আনা বেশি উপযুক্ত হবে।
ইসরায়েল প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, অনেকে মনে করছেন ইসরায়েল আমাদের যুদ্ধে টেনে নিয়েছে, কিন্তু বিষয়টি তেমন নয়। তিনি বলেন, ‘আমি পদক্ষেপ না নিলে ইরানই আগে আক্রমণ করত। আমি হয়তো ইসরায়েলকে আক্রমণে বাধ্য করেছি এবং আমাদের এই পদক্ষেপ অত্যন্ত শক্তিশালী প্রভাব ফেলেছে।’
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, আজ ইরানের নতুন নেতৃত্বের ওপর পুনরায় জোরালো হামলা চালানো হয়েছে এবং এর প্রভাব ছিল বেশ ‘উল্লেখযোগ্য’। তবে নির্দিষ্ট করে কাদের ওপর হামলা হয়েছে বা কতজন নিহত হয়েছে, তা তিনি উল্লেখ করেননি।
শেয়ার করুন
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকলে মধ্যপ্রাচ্যের সকল অর্থনৈতিক কেন্দ্র লক্ষ্য করে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড (আইআরজিসি)।
আজ ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ইসনার এক প্রতিবেদনে আইআরজিসি জেনারেল ইব্রাহিম জাব্বারির এ সতর্কবার্তার কথা জানানো হয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘আমরা শত্রুকে বলছি, তারা যদি আমাদের প্রধান কেন্দ্রগুলোতে আঘাত করার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে আমরা এ অঞ্চলের সকল অর্থনৈতিক কেন্দ্রে আঘাত করব।’
জেনারেল জাব্বারি আরও জানান, ইরান ইতিমধ্যে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বর্তমানে তেলের দাম ৮০ ডলারের ওপরে থাকলেও এ উত্তেজনার ফলে খুব শিগগিরই তা ২০০ ডলারে পৌঁছাবে।
শেয়ার করুন

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা ‘অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস’-এর ভবনে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। কোম শহরে অবস্থিত ভবনটি হামলায় মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, ‘আমেরিকান-জায়নবাদী অপরাধীরা’ কোমের অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস ভবনে আক্রমণ চালিয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ফুটেজে দেখা গেছে, শক্তিশালী এই হামলায় ভবন ধসে পড়েছে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর নতুন নেতা নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছিল। হামলার সময় ভবনের ভেতরে কারা ছিলেন, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।
শেয়ার করুন
শেয়ার করুন

সামরিক অভিযানে ইরান আলোচনা করতে চাইলেও এখন অনেক দেরি হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা, বিমান বাহিনী, নৌবাহিনী এবং নেতৃত্ব শেষ হয়ে গেছে। তারা এখন কথা বলতে চায়, কিন্তু আমি বলেছি—অনেক দেরি হয়ে গেছে!’
যদিও গত রোববার ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, নতুন ইরানি নেতৃত্ব কথা বলতে চায় এবং তিনি তাঁদের সাথে কথা বলবেন।
এদিকে জেনেভায় জাতিসংঘের ইরানি রাষ্ট্রদূত আলি বাহরাইনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আপাতত আমরা আলোচনার কার্যকারিতা নিয়ে সন্দিহান। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কথা বলার একমাত্র ভাষা হলো প্রতিরোধের ভাষা, এখন আলোচনার কোনো সময় নেই।’
অন্যদিকে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ইরানের শাসনব্যবস্থা অচল হয়ে পড়েনি বলে দাবি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, পরিস্থিতি ব্যতিক্রমী হলেও দেশ থমকে যায়নি এবং সকল প্রদেশের গভর্নরদের সাথে কেন্দ্রীয় সরকারের নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে সারা দেশজুড়ে দাপ্তরিক কর্মকাণ্ড বর্তমানে অব্যাহত আছে।
শেয়ার করুন

মধ্য ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে ইরানের শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত সাতজন ইসরায়েলি আহত হয়েছেন। হামলায় তেল আবিবের পার্শ্ববর্তী এলাকার বেশ কিছু ভবন ও যানবাহন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘দ্য টাইমস অব ইসরায়েল’ জানিয়েছে, বেনেই ব্রাক এবং রোশ হা-আইন শহরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, ক্ষেপণাস্ত্র ও এর ধ্বংসাবশেষের আঘাতে বিভিন্ন স্থানে ভবন ও যানবাহন বিধ্বস্ত হয়েছে, রাস্তায় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে এবং অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী মধ্য ইসরায়েলে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আঘাত হানার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দলসহ অসংখ্য জরুরি সেবাদানকারী দল বর্তমানে মধ্য ইসরায়েলের দুর্ঘটনাস্থলগুলোতে কাজ করছে।’ হামলার ক্ষয়ক্ষতি ও পরিস্থিতি বর্তমানে পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।
শেয়ার করুন

মধ্য ইরানের ইস্পাহান শহরে শক্তিশালী বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে শহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে। ইন্টারনেটে প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজ থেকে হামলার ঘটনা নিশ্চিত করেছে বিবিসি ভেরিফাই।
একটি ভিডিওতে ভিডিওধারণকারীকে বলতে শোনা যায়, তিনি দুটি জোরালো বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন এবং ‘অপটিক্স সেন্টার’ লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। বিবিসি ভেরিফাই শহরের কাভেহ বুলেভার্ড এলাকায় ধোঁয়ার অবস্থান শনাক্ত করেছে।
উল্লিখিত কাভেহ বুলেভার্ড এলাকা ‘ইস্পাহান অপটিক্স’-এর ঠিকানা হিসেবে তালিকাভুক্ত। প্রতিষ্ঠানটি ইরানের অস্ত্র তৈরির ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত এবং ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্রসহ একাধিক দেশের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে।
শেয়ার করুন

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ তেল টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে টার্মিনালটির সমস্ত কার্যক্রম বর্তমানে স্থগিত ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।
আজ সকালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওমান উপসাগরীয় উপকূলে অবস্থিত ফুজাইরাহ তেল টার্মিনালে এ আগুনের ঘটনা ঘটে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, একটি ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ আছড়ে পড়লে টার্মিনালটিতে আগুন ধরে যায়।
এদিকে বিবিসি ভেরিফাই দুটি ভিডিওর সত্যতা নিশ্চিত করেছে, যেখানে বিশাল কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে। টার্মিনাল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ভিটিটিআই জানিয়েছে, ‘সাম্প্রতিক পরিস্থিতির’ কারণে তারা কার্যক্রম স্থগিত করেছে এবং পরিস্থিতি অনুকূলে এলে পুনরায় কাজ শুরু করবে।
প্ল্যানেট ল্যাবস পিবিসির স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, টার্মিনালের অন্তত একটি স্টোরেজ ট্যাংক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এর আশপাশে পোড়া দাগ রয়েছে। নাসা-র উপগ্রহও আজ স্থানীয় সময় সকাল ৯টার পর ওই নির্দিষ্ট স্থানে ব্যাপক উত্তাপ শনাক্ত করেছে। এ টার্মিনালের ১২ লাখ ঘনমিটার তেল মজুত করার সক্ষমতা রয়েছে।
শেয়ার করুন
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরান এখন পর্যন্ত তাদের দেশকে লক্ষ্য করে মোট ১৮৬টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৮১২টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে ১৭২টি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে এবং ১৩টি সমুদ্রে পড়েছে। মাত্র একটি ক্ষেপণাস্ত্র আমিরাতের স্থলভাগে আঘাত হেনেছে। ড্রোনগুলোর মধ্যে ৭৫৫টি সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে।
আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নিশ্চিত করেছেন, এসব হামলায় দেশজুড়ে তিনজন নিহত এবং আরও ৬৮ জন আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে বাহরাইনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সংঘাত শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ইরান থেকে ছোড়া ৭৩টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৯১টি ড্রোন ধ্বংস করেছে।
শেয়ার করুন
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, শত্রুদের অবশ্যই ‘যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে’ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে খুব দেরি হওয়ার আগেই দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি হুঁশিয়ারি দেন, এ সংঘাত শিগগিরই ইউরোপকে গ্রাস করবে।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
শেয়ার করুন

ইরানের নাতাঞ্জ পারমাণবিক কেন্দ্রে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলায় তিনটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয় নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ)।
গোয়েন্দা সংস্থা ভ্যান্টরের প্রকাশিত উপগ্রহ চিত্র পর্যালোচনা করে বিবিসি ভেরিফাই জানিয়েছে, মধ্য ইরানের নাতাঞ্জ পারমাণবিক কমপ্লেক্সের তিনটি ভবন হামলার শিকার হয়েছে। এই ভবনগুলো মূলত ভূগর্ভস্থ জ্বালানি সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রের কর্মী ও যানবাহনের প্রবেশপথ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। আইএইএ জানিয়েছে, এ ক্ষতির ফলে কোনো তেজস্ক্রিয় বিকিরণ বা পরিবেশগত ঝুঁকির আশঙ্কা নেই।
শেয়ার করুন
মধ্য ইসরায়েলের পেতাহ তিকভা শহরে ফ্র্যাগমেন্টেশন ওয়ারহেডবাহী একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। এতে কিছু স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতি হলেও কোনো মানুষ হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
ইসরায়েলি গণমাধ্যম চ্যানেল-টুয়েলভের বরাতে আল-জাজিরা জানিয়েছে, ইসরায়েলের পেতাহ তিকভা শহরে এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে।
শেয়ার করুন

ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৮৭ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। এর মধ্যে বিপুলসংখ্যক বেসামরিক নাগরিক ও শিশু রয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ) জানিয়েছে, নিহতের মধ্যে ১৭৬ জন শিশু রয়েছে। ইরানের পার্লামেন্টের স্বাস্থ্য কমিশনের সদস্য ফাতেমেহ মোহাম্মদবেইগি সোমবার অভিযোগ করেছেন, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র দেশটির ৯টি হাসপাতালকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। খবর আল জাজিরার
শেয়ার করুন

ইরানে মার্কিন সামরিক অভিযানে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের ভূমিকা নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য সান’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “প্রধানমন্ত্রী স্টারমার মোটেও সহায়তাকারী (উপকারী) নন। আমি কখনো ভাবিনি যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে এমন আচরণ দেখব। এটি খুবই দুঃখজনক যে আমাদের সম্পর্ক আর আগের মতো নেই।”
এর আগে সোমবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে কিয়ার স্টারমার বলেন, তাঁর সরকার আকাশপথে হামলা চালিয়ে অন্য কোনো দেশের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনে বিশ্বাসী নয়। ইরানে হামলার শুরুতে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি যুক্তরাজ্য। তবে পরবর্তীতে ইরানি স্থাপনাগুলোর ওপর ‘আত্মরক্ষামূলক’ হামলার জন্য তারা ঘাঁটি ব্যবহারের সুযোগ দেয়।
অন্যান্য মিত্রদের প্রশংসা করে ট্রাম্প বলেন, “ফ্রান্স চমৎকার ছিল। সবাই দুর্দান্ত সহযোগিতা করলেও যুক্তরাজ্য অন্যদের তুলনায় বেশ ভিন্ন আচরণ করেছে।”
শেয়ার করুন
সাইপ্রাসের একটি বিমানঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন হামলার পর সেখানে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন বিধ্বংসী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর পরিকল্পনা করছে ফ্রান্স। আধা সরকারি প্রতিষ্ঠান সাইপ্রাস নিউজ এজেন্সি (সিএনএ) এই তথ্য জানিয়েছে। আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনেও বিষয়টি উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, লিমাসোলের দক্ষিণ-পশ্চিমে আক্রোতিরিতে অবস্থিত সামরিক ঘাঁটিটি ইরানি ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। উল্লেখ্য, ১৯৬০ সালে সাইপ্রাসের স্বাধীনতার পর থেকে যুক্তরাজ্য সেখানে যে দুটি সামরিক ঘাঁটি পরিচালনা করছে, আক্রোতিরি তার মধ্যে একটি। ওই এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতেই ফ্রান্স এই প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
শেয়ার করুন
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মিনাবের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে হামলায় নিহত ১৬৫ জনের স্মরণে বিশাল গণজানাজা ও শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিহতদের একটি বড় অংশই ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
জানাজায় উপস্থিত জনতা ‘আমেরিকা নিপাত যাক’, ‘ইসরায়েল নিপাত যাক’ এবং ‘আমরা আত্মসমর্পণ করব না’ বলে স্লোগান দেয়। শোকাতুর মানুষের অংশগ্রহণ এই জানাজা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
এদিকে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর একজন মুখপাত্র রোববার জানিয়েছেন, ওই এলাকায় ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো হামলার খবর তাঁদের জানা নেই। তাঁরা এই হামলার সঙ্গে কোনো সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেছেন।
শেয়ার করুন

আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দূতাবাস তাদের অফিশিয়াল ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে এই তথ্য জানিয়েছে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
পোস্টে দূতাবাস জানায়, “আমরা সব নিয়মিত এবং জরুরি কনস্যুলার অ্যাপয়েন্টমেন্ট বাতিল করেছি।”
এর আগে সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের অবিলম্বে ওই অঞ্চল ত্যাগের আহ্বান জানায়। উল্লেখ্য, ওই দিনই কুয়েতে ‘ভুলবশত’ চালানো গুলিতে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা ঘটে। এর আগে রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলার ঘটনার পর সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় কুয়েত দূতাবাস বন্ধের এই সিদ্ধান্ত এলো।
শেয়ার করুন
ইরানের গেরাশ অঞ্চলে ৪.৩ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
সংস্থাটি জানায়, এই ভূমিকম্পের গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার (৬.২১ মাইল)। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই দেশটিতে এই ভূমিকম্প অনুভূত হলো।
শেয়ার করুন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেছেন, ‘অনন্তকাল’ লড়াই চালিয়ে যাওয়ার মতো পর্যাপ্ত অস্ত্র যুক্তরাষ্ট্রের হাতে রয়েছে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ট্রাম্প তাঁর পোস্টে লেখেন, “আমাদের কাছে এসব অস্ত্রের কার্যত সীমাহীন সরবরাহ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পর্যাপ্ত মজুত আছে এবং আমরা বড় জয়ের জন্য প্রস্তুত!”
একই পোস্টে জো বাইডেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, বাইডেন ইউক্রেনকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অত্যন্ত উচ্চমানের’ অনেক অস্ত্র সরবরাহ করেছেন। বিশেষ করে মেয়াদের শেষ দিকে বাইডেন ইউক্রেনকে শক্তিশালী দূরপাল্লার ‘এটিএসিএএমএস’ (ATACMS) ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন। এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রায় ১৯০ মাইল বা ৩০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বে আঘাত হানতে সক্ষম।
শেয়ার করুন
ইরানের রাজধানী তেহরান এবং লেবাননের রাজধানী বৈরুতে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এক বিবৃতিতে আইডিএফ জানিয়েছে, তারা বর্তমানে তেহরান ও বৈরুতে সামরিক লক্ষ্যবস্তুর ওপর সমন্বিত ও সুনির্দিষ্ট হামলা পরিচালনা করছে।
এর আগে আইডিএফ বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলসহ ডজনখানেক গ্রামের বাসিন্দাদের এলাকা ত্যাগের জন্য ‘জরুরি সতর্কতা’ জারি করে। এই সতর্কবার্তা দেওয়ার প্রায় এক ঘণ্টা পর দেশ দুটিতে বিমান হামলা শুরু হয়। আইডিএফ জানায়, তারা বৈরুতে মূলত হিজবুল্লার কমান্ড সেন্টার ও অস্ত্র মজুদঘরগুলোকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালাচ্ছে।
শেয়ার করুন
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অভিযানের তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকা মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইসলামি রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামো, বিমান প্রতিরক্ষা স্থাপনা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণের স্থান এবং বিমানঘাঁটি ধ্বংস করেছে তাদের বাহিনী। খবর দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানায় তাঁরা।
শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সব দেশ থেকে নিজেদের নাগরিকদের দ্রুত সরে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আজ মঙ্গলবার জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, “গুরুতর নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকায় বাণিজ্যিক ফ্লাইটে করে দ্রুত এসব দেশ ত্যাগ করুন।” এবিসি নিউজের বরাতে এই তথ্য জানা গেছে।
নির্দেশনায় উল্লিখিত দেশ ও অঞ্চলগুলো হলো— বাহরাইন, মিসর, ইরান, ইরাক, ইসরায়েল, পশ্চিম তীর ও গাজা (ফিলিস্তিন), জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সিরিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইয়েমেন।
শেয়ার করুন
পাকিস্তানে বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় সব ধরনের ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট বাতিল করেছে ইসলামাবাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস। আজ মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। আল-জাজিরার বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
দূতাবাস জানায়, এই নির্দেশনা ইসলামাবাদের পাশাপাশি লাহোর দূতাবাস এবং করাচী দূতাবাসের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। আগামী শুক্রবার পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
এর আগে গত রোববার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নিহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে করাচীতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে হামলার চেষ্টা করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অন্তত ১০ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। মূলত এরপর থেকেই পাকিস্তানে মার্কিন স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।
শেয়ার করুন

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ ‘হরমুজ প্রণালি’ পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)। এই পথ দিয়ে কোনো জাহাজ চলাচলের চেষ্টা করলে তাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাহিনীটি। আল-জাজিরার বরাতে এই তথ্য জানা গেছে।
আইআরজিসির নতুন প্রধান আহমদ ভাহিদির জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা ইব্রাহিম জাব্বারি গতকাল সোমবার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে বলেন, “প্রণালিটি এখন থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হলো। কোনো জাহাজ এটি পার হওয়ার চেষ্টা করলে বিপ্লবী গার্ড ও নৌবাহিনীর সদস্যরা সেটি পুড়িয়ে দেবে।”
গত শনিবার থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে যৌথ হামলা শুরু করার পর তেহরান এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। মূলত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আইআরজিসির টেলিগ্রাম চ্যানেলে ইব্রাহিম জাব্বারি আরও জানান, তাঁরা তেলের পাইপলাইনগুলোতেও হামলা চালাবেন এবং এই অঞ্চল থেকে এক ফোঁটা তেলও বাইরে যেতে দেবেন না। তিনি দাবি করেন, চলমান উত্তেজনার ফলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলারে পৌঁছাবে।
ইব্রাহিম জাব্বারি বলেন, “হাজার হাজার কোটি ডলারের ঋণে জর্জরিত মার্কিনিরা এই অঞ্চলের তেলের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু তাঁরা জেনে রাখুন, এক ফোঁটা তেলও তাঁদের কাছে পৌঁছাবে না।”
শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের পাল্টা হামলায় অন্তত ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
গত শনিবার থেকে ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা শুরু হয়। এর জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা আঘাত হানে ইরান। এসব হামলায় ঘাঁটিগুলোতে দায়িত্বরত সেনাদের প্রাণহানি ঘটে। এর আগে গত রোববার তিন সেনাসদস্যের মৃত্যুর খবর দিয়েছিল মার্কিন সামরিক বাহিনী।
ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “মার্কিন বাহিনী সম্প্রতি একটি স্থাপনা থেকে আগে নিখোঁজ থাকা দুই সেনাসদস্যের দেহাবশেষ উদ্ধার করেছে। স্থাপনাটি ইরানের প্রাথমিক হামলার সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “বর্তমানে বড় ধরনের যুদ্ধ অভিযানগুলো চলছে। নিহতদের নিকটাত্মীয়দের অবহিত করার ২৪ ঘণ্টা পার না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের পরিচয় গোপন রাখা হচ্ছে।”
শেয়ার করুন

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলার ঘটনায় কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, এই হামলার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র খুব শিগগিরই বড় ধরনের পাল্টা পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘নিউজনেশন’-এর সাংবাদিক কেলি মেয়ারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “এই হামলার জবাবে ওয়াশিংটন কী করতে যাচ্ছে, তা আপনারা খুব দ্রুতই দেখতে পাবেন।”
আজ মঙ্গলবার ভোরে রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে দুটি ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে দূতাবাস ভবনে সামান্য আগুন ধরে যায় এবং আংশিক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এই ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত সকল মার্কিন স্থাপনায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
শেয়ার করুন
ইরানের রাজধানী তেহরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের দফায় দফায় হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬০০ জনে দাঁড়িয়েছে। আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, গত রাতের হামলায় সুনির্দিষ্ট কতজন হতাহত হয়েছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
অন্যান্য দিনের তুলনায় সোমবার রাতের বোমাবর্ষণ ছিল অনেক বেশি ভয়াবহ। এতে পুরো রাজধানীর আকাশ ধোঁয়ার কুণ্ডলীতে ছেয়ে যায়। খবরে বলা হয়েছে, তেহরানের কেন্দ্রে অবস্থিত ইরানের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান ‘এক্সপেডিয়েন্সি কাউন্সিল’-এর একটি ভবন লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
এছাড়া দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ‘আইআরআইবি’ (IRIB) কমপ্লেক্সেও হামলার খবর পাওয়া গেছে। তবে এখন পর্যন্ত টেলিভিশনটির সম্প্রচার অব্যাহত রয়েছে। কেবল তেহরানই নয়, কারাজ ও কোমসহ ইরানের অন্যান্য বড় শহরগুলোতেও ব্যাপক বোমাবর্ষণের খবর পাওয়া গেছে।
শেয়ার করুন

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ভোরে এই হামলার খবর নিশ্চিত করেছে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। খবর আল জাজিরার।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী দুটি ড্রোন দিয়ে এই হামলা চালানো হয়েছে। এর ফলে দূতাবাস ভবনে ‘সামান্য অগ্নিকাণ্ড ও সাধারণ ক্ষয়ক্ষতি’ হয়েছে।
হামলার পর সৌদি আরবে নিযুক্ত মার্কিন মিশন রিয়াদ, জেদ্দা এবং দাহরানে অবস্থানরত তাদের কর্মীদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে ওই অঞ্চলের যেকোনও সামরিক স্থাপনায় অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত সীমিত করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
শেয়ার করুন

ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার যৌক্তিকতা তুলে ধরে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি ক্রমবর্ধমান হুমকি ছিল এবং এই হামলায় সবাই তাঁদের সঙ্গে ছিল।
আজ হোয়াইট হাউসের ইস্ট রুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ সম্পর্কে সর্বশেষ তথ্য জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, আমাদের জন্য এটাই ছিল একটি অসুস্থ ও অশুভ শাসনব্যবস্থার হুমকি নির্মূল করার শেষ ও সেরা সুযোগ।
ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিযানের লক্ষ্যগুলো স্পষ্ট করে বলেন, আমাদের প্রথম লক্ষ্য হলো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করা। দ্বিতীয়ত, আমরা তাদের নৌবাহিনীকে নিশ্চিহ্ন করছি। ইতিমধ্যে ইরানের ১০টি যুদ্ধজাহাজ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং সেগুলো এখন সমুদ্রের তলদেশে রয়েছে। তৃতীয় লক্ষ্য হলো বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক দেশটি যাতে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র হাতে না পায় তা নিশ্চিত করা।
প্রেসিডেন্ট জানান, ইরানে বর্তমানে ‘বৃহৎ আকারের সামরিক অভিযান’ সফলভাবে চলমান রয়েছে। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র যা ধারণা করেছিল, অভিযান তার চেয়ে অনেক দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। শুরুতে ৪-৫ সপ্তাহের পরিকল্পনা থাকলেও প্রয়োজন হলে মার্কিন বাহিনীর অনেক বেশি সময় ধরে লড়াই চালানোর সক্ষমতা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ট্রাম্প আরও বলেন, পারমাণবিক অস্ত্র এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সজ্জিত ইরান পুরো মধ্যপ্রাচ্যের জন্য একটি অসহনীয় হুমকি। এই শাসনব্যবস্থা আর সীমান্তের বাইরে কোনো সন্ত্রাসী বাহিনীকে অস্ত্র বা অর্থ দিয়ে মদত জোগাতে পারবে না।
শেয়ার করুন
চলমান হামলার মধ্যে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতি সংহতি প্রকাশে আজ সন্ধ্যায় রাজধানী তেহরানে সর্বস্তরের মানুষকে সমাবেশের আহ্বান জানিয়েছে ইরান সরকার।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বার্তার বরাতে আল-জাজিরা এই তথ্য জানিয়েছে। গত শনিবার বিমান হামলায় নিহত দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানোই এই সমাবেশের অন্যতম লক্ষ্য।
শেয়ার করুন

ইরানে হামলার সিদ্ধান্তে জনমত বিরুদ্ধে থাকলেও তা তোয়াক্কা করেন না ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি মনে করেন, দেশের স্বার্থে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি।
আজ ‘নিউ ইয়র্ক পোস্ট’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এসব কথা বলেন। তিনি প্রয়োজনে ইরানে মার্কিন স্থলসেনা পাঠানোর সম্ভাবনাও নাকচ করেননি। তিনি বলেন, ‘অন্যান্য প্রেসিডেন্টরা বলেন স্থলসেনা পাঠানো হবে না। আমি তেমনটা বলি না।’
ট্রাম্প বলেন, ‘সম্ভবত এটার প্রয়োজন পড়বে না। তবে যদি দরকার হয়, তবে অবশ্যই পাঠানো হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি জনমত জরিপের তোয়াক্কা করি না। আমার লক্ষ্য কেবল সঠিক কাজটি করা।’
সিবিএস নিউজের এক জরিপ অনুযায়ী, ৫১ শতাংশ আমেরিকান ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধে সামরিক পদক্ষেপের পক্ষে মত দিয়েছেন। তবে ৩৮ শতাংশ নাগরিক কূটনৈতিক আলোচনার পক্ষে এবং ২২ শতাংশ নিষেধাজ্ঞা বা কোনো ধরনের হস্তক্ষেপে না জড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছেন।
শেয়ার করুন
ইরাকের এরবিলে মার্কিন কনস্যুলেট ও বিমানবন্দর লক্ষ্য করে ২৩টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠীর জোট ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স’। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যার প্রতিশোধ হিসেবেই এ ড্রোন হামলাগুলো চালানো হয়েছে।
এদিকে ইরাকি কর্তৃপক্ষ তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে যেকোনো পক্ষের ওপর হামলা চালানোর বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, ইরাকের মাটি ব্যবহার করে হামলা চালানো হলে দেশটি সংঘাতের মধ্যে আরও গভীরভাবে জড়িয়ে পড়তে পারে।
শেয়ার করুন

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ইরানের অন্তত নয়টি হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির সংসদীয় স্বাস্থ্য কমিশনের সদস্য ফাতেমেহ মোহাম্মদ বেইগি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে আল-জাজিরা জানিয়েছে, হামলার শিকার হাসপাতালগুলোর মধ্যে পাঁচটি রাজধানী তেহরানে এবং বাকি চারটি অন্যান্য শহরে অবস্থিত। ফাতেমেহ মোহাম্মদ বেইগি জানান, তেহরানের গান্ধী হাসপাতালটি হামলার পর সম্পূর্ণরূপে খালি করা হয়েছে এবং সেখানকার রোগীদের অন্য চিকিৎসাকেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে।
শেয়ার করুন

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণস্থলে হামলা করতে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাজ্য। তবে দেশটি সরাসরি আক্রমণে অংশগ্রহণ করবে না বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টামার।
আজ হাউস অব কমন্সে কিয়ার স্টামার জানান, বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষায় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধ গ্রহণ করেছেন। এর ফলে মার্কিন বাহিনী ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহার করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র মজুদ ও উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো অকেজো করতে পারবে।
প্রধানমন্ত্রী স্টামার জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাজ্য মার্কিন ও ইসরায়েলি আক্রমণাত্মক অভিযানে যোগ দিচ্ছে না। তিনি জানান, ফ্রান্স ও জার্মানিও মার্কিন বাহিনীকে তাদের ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিতে প্রস্তুত রয়েছে।
ইরাক যুদ্ধের ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার কথা জানিয়ে স্টামার বলেন, যুক্তরাজ্যের প্রতিটি পদক্ষেপ অবশ্যই আইনসম্মত হতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিরোধী দলীয় নেতা কেমি ব্যাডেনক এই পরিস্থিতিকে বিশ্বব্যবস্থার জন্য ‘নির্ধারক মুহূর্ত’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, কনজারভেটিভ পার্টি মার্কিন পদক্ষেপকে সমর্থন করে। ইরানকে ‘আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসের মূল পৃষ্ঠপোষক’ উল্লেখ করে তিনি মিত্র দেশগুলোর প্রতি সংহতি জানান।
ব্যাডেনক অভিযোগ করেন, মার্কিন অনুরোধ গ্রহণ করতে ব্রিটিশ সরকার দীর্ঘ সময় নিয়েছে। তিনি বলেন, কার পক্ষ নিতে হবে তা বোঝার জন্য আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োজন নেই।
শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার বিরুদ্ধে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকারকে সমর্থন জানিয়েছে চীন। চীন অবিলম্বে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সব ধরনের সামরিক অভিযান বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। সোমবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচির সঙ্গে এক ফোনালাপে এই সমর্থনের কথা জানান চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি এ খবর নিশ্চিত করেছে।
ফোনালাপে ওয়াং ই জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে অবিলম্বে সামরিক তৎপরতা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে চীন। পাশাপাশি এ অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধি এড়াতে এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সংঘাত রোধ করতে তাগিদ দিয়েছে দেশটি।
ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারোটের সঙ্গে অপর এক ফোনালাপে ওয়াং ই আশা প্রকাশ করেন, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমাতে ফ্রান্স চীনের সঙ্গে কাজ করবে।
এ ছাড়া ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাঈদ বদর বিন হামাদ আল বুসাইদির সঙ্গে আলাপে ওয়াং ই বলেন, এ অঞ্চলের জন্য বর্তমানে সবচেয়ে জরুরি কাজ হলো অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধ করা। সংঘাত যাতে অন্য অঞ্চলে ছড়িয়ে না পড়ে সে বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
শেয়ার করুন
ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাত বন্ধে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহবান করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান।
আজ এক টেলিফোন আলাপে দুই নেতা মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘মর্মান্তিক’ হিসেবে অভিহিত করেন। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, উভয় পক্ষই পুনরায় রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় ফিরে আসার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। রাশিয়া ইরানের ওপর এই সামরিক অভিযানকে সার্বভৌম রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘অযৌক্তিক সশস্ত্র আগ্রাসন’ এবং আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন হিসেবে বর্ণনা করেছে।
একই দিনে পুতিন কাতার ও বাহরাইনের নেতাদের সঙ্গেও কথা বলেন। কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে আলাপে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি এবং তৃতীয় কোনো দেশ এতে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা নিয়ে তাঁরা পারস্পরিক উদ্বেগ প্রকাশ করেন। দুই নেতা আশা প্রকাশ করেন, ইরানের প্রতিশোধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিবেশী দেশগুলোর সাধারণ নাগরিক বা অবকাঠামোর ক্ষতি করবে না।
বাহরাইনের রাজা হামাদ বিন ঈসা আল খলিফাকে পুতিন নিশ্চিত করেন, মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফেরাতে রাশিয়া তার সকল সম্ভাব্য উপায় ব্যবহার করতে প্রস্তুত। এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট পুতিনকে জানান, তাঁর দেশের ভূখণ্ড ইরানের বিরুদ্ধে হামলার জন্য ব্যবহৃত না হওয়া সত্ত্বেও ইরান আমিরাতে আক্রমণ চালাচ্ছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
শেয়ার করুন

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বেইত শেমেসে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার স্থান পরিদর্শন করেছেন। গত রোববার বেইত শেমেসে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ৯ জন নিহত হন। বিবিসি লাইভ আপডেটে জানানো হয়েছে, আজ সেই বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে নেতানিয়াহু ইরানকে পুরো বিশ্বের জন্য হুমকি হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ এ অভিযান থেকে পুরো বিশ্ব উপকৃত হবে।
পরিদর্শনকালে নেতানিয়াহু মন্তব্য করেন, ‘আমরা নিজেদের রক্ষা করছি ঠিকই, তবে এটি করতে গিয়ে আমরা আরও অনেককে সুরক্ষা দিচ্ছি।’
এর আগে আজ সোমবার ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, নেতানিয়াহুর কার্যালয় এবং ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর কমান্ডারের অবস্থান লক্ষ্য করে ‘খায়বার’ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল হামলা চালিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
তবে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এ দাবিকে ‘ভুয়া’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরানের এমন দাবির কোনো ভিত্তি নেই এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বর্তমানে পুরোপুরি অক্ষত ও নিরাপদ আছে।
শেয়ার করুন

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় আহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনির স্ত্রী মানসুরা খুজাস্তে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। সোমবার ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। গত শনিবার স্বামীর কার্যালয়ে হামলার পর থেকে তিনি কোমায় ছিলেন।
১৯৬৪ সালে মানসুরা খুজাস্তে ও খামেনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন।
শেয়ার করুন