স্ট্রিম ডেস্ক

উত্তর ইসরায়েলের সাফেদ শহরের কাছে একটি সেনাঘাঁটিতে রকেট হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লাহ। অন্যদিকে বাহরাইনের জুফাইরে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
আজ এক বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ জানায়, তাদের যোদ্ধারা স্থানীয় সময় দুপুরে উত্তর ইসরায়েলের আইন জেইতিম ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে রকেট হামলা চালায়।
হিজবুল্লাহ বলছে, এ হামলাগুলো চালানো হচ্ছে লেবাননের বিভিন্ন শহর ও জনপদে, বিশেষ করে বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপশহরগুলোতে ইসরায়েলি হামলার জবাবে।
অন্যদিকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানায়, ‘কঠিন জ্বালানি ও তরল জ্বালানিচালিত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে বাহরাইনের জুফাইরে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিতে হামলা করা হয়েছে।’ কেশমে একটি লবণাক্ত পানি বিশুদ্ধকরণ প্ল্যান্টে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে এ আক্রমণ করা হয়েছে বলে জানায় তারা।
এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ওই হামলার কারণে ৩০টি গ্রামের পানির সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে।
বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক্সে জানিয়েছে, আকাশ হামলার সতর্কতা সাইরেন বাজছে এবং বাসিন্দাদের শান্ত থাকার ও নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানে হামলা করে বিশ্ববাসীকে দয়া করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ফ্লোরিডার মিয়ামিতে আজ ‘শিল্ড অব দ্য আমেরিকাস’ সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে এসব কথা বলেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, ইরানে হামলা কেবল মধ্যপ্রাচ্যের জন্য নয়, বরং সারা বিশ্বের জন্য মহৎ সেবা। তাঁর মতে, শূন্য থেকে ১০-এর স্কেলে এই অভিযানের অগ্রগতির মাত্রা বর্তমানে ১৫।
মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় নিহত ইরানি কর্মকর্তাদের প্রতি কোনো সহমর্মিতা না দেখিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘তাঁরা অসুস্থ মানুষ, অত্যন্ত অসুস্থ মানুষ।’
ট্রাম্প দাবি করেন, গত কয়েক দিনের মার্কিন হামলায় ইরানের ৪২টি যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস হয়েছে। এর পাশাপাশি দেশটির বিমানবাহিনী ও যোগাযোগ ব্যবস্থাও পুরোপুরি অকেজো করে দিয়েছে মার্কিন বাহিনী। তিনি আরও জানান, মার্কিন হামলায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে জড়িত স্থাপনাগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, এ হামলার আগে তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। এ সামরিক অভিযান অত্যন্ত সফল এবং ইরানের সামরিক সক্ষমতার ওপর চূড়ান্ত আঘাত।
শেয়ার করুন
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির প্রতিক্রিয়ায় এবার নতুন মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। তেহরান জানিয়েছে, শত্রুর যেকোনো অবিবেচনাপ্রসূত পদক্ষেপের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।
সিএনএনের সাংবাদিক ফ্রেডরিক প্লিটজেনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা এ হুঁশিয়ারি দেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আজ ইরানকে ‘ভয়াবহ আঘাত’ করার এবং নতুন কিছু এলাকা ও গোষ্ঠীকে ‘সম্পূর্ণ ধ্বংসের’ তালিকায় রাখার হুমকি দেওয়ার পরপরই তেহরান এ কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাল। ওই কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এর মাধ্যমে স্পষ্টভাবে ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিস্তার এবং তাদের সরাসরি হত্যার হুমকি দিয়েছে।
জ্যেষ্ঠ ওই ইরানি কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করছে, ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি এমন আমেরিকান অঞ্চল, বাহিনী এবং সহযোগীদের ওপর এখন তারা নজর রাখছে। শত্রুপক্ষ কোনো অনুচিত কাজ করলে আমরা দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।’ তবে এ নতুন তালিকায় কারা রয়েছে বা কবে নাগাদ হামলা হতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
এদিকে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা এবং শর্তসাপেক্ষে হামলা বন্ধের কথা বললেও মার্কিন আগ্রাসনের বিষয়ে তাঁর দপ্তর কঠোর অবস্থান স্পষ্ট করেছে। পেজেশকিয়ানের দপ্তরের উপপ্রধান এক ব্যাখ্যায় জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্টের বার্তা অত্যন্ত পরিষ্কার। তিনি বলেছেন, ‘যদি আঞ্চলিক দেশগুলো আমাদের ওপর মার্কিন হামলায় সহযোগিতা না করে, তবে আমরা তাদের ওপর হামলা করব না। কিন্তু আমেরিকান ঘাঁটি থেকে যেকোনো ধরনের আগ্রাসন চালানো হলে আমরা তার চূড়ান্ত জবাব দেব।’
ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন ইরান তার প্রতিবেশীদের কাছে ‘আত্মসমর্পণ’ করেছে। তবে ইরানি কর্মকর্তারা এ দাবি নাকচ করে জানিয়েছেন, তাঁরা প্রতিবেশীদের সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং অহেতুক সংঘাত এড়াতে চান। কিন্তু এ নমনীয়তা কোনোভাবেই মার্কিন সামরিক শক্তির কাছে নতি স্বীকার নয় বলে তেহরানের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
শেয়ার করুন
পারস্য উপসাগরে মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের একটি তেলবাহী জাহাজে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। একই সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির জবাবে নতুন মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।
ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) তাদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ‘সেপাহ নিউজ’-এ জানিয়েছে, তারা পারস্য উপসাগরের মাঝখানে মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পতাকাবাহী ‘লুইস পি’ নামক একটি তেলবাহী ট্যাংকারে সফল ড্রোন হামলা চালিয়েছে। আইআরজিসি এ জাহাজটিকে ‘সন্ত্রাসী আমেরিকার সম্পদ’ হিসেবে অভিহিত করেছে। তবে এ হামলায় কোনো হতাহত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা
শেয়ার করুন

লেবাননের নাবী চিতে ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান ও স্থল হামলায় নারী-শিশুসহ অন্তত ৪১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এর প্রতিবাদে ইসরায়েলের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় একটি সামরিক ঘাঁটিতে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লাহ।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় বেকা উপত্যকার নাবী চিত শহরে ইসরায়েলি বাহিনীর এ আগ্রাসনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪১। রাতভর চালানো এ হামলায় আরও অন্তত ৪০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ইসরায়েলি বাহিনী নাবী চিতে প্রথমে আকাশপথ থেকে বোমাবর্ষণ করে এবং পরে হেলিকপ্টার থেকে প্যারাট্রুপার নামিয়ে আক্রমণ চালায়। এর ফলে ওই এলাকার অসংখ্য ঘরবাড়ি ও স্থাপনা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে উদ্ধারকর্মীরা সেখানে কাজ করছেন।
এ বর্বরোচিত হামলার জবাব দিতে আজ স্থানীয় সময় দুপুর ১টার দিকে ইসরায়েলের সাফেদ শহরের উত্তর-পূর্বে অবস্থিত ‘দাদো’ সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লাহ। টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় তারা জানিয়েছে, বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলি এবং লেবাননের অন্যান্য জনপদে চালানো ইসরায়েলি পাশবিকতার পাল্টা জবাব হিসেবে এ বিশেষ অভিযান চালানো হয়েছে।
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা ও বিবিসি।
শেয়ার করুন

শত্রুদের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ২৫তম বারের মতো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করেছে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, আইআরজিসি তাদের নতুন দফার এই অভিযানে অত্যাধুনিক হাইপারসনিক ‘ফাতাহ’ এবং ব্যালিস্টিক ‘এমাদ’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করছে। বিভিন্ন সামরিক ও সহায়তা কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে এই আক্রমণ পরিচালনা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে একই সময়ে তেহরানের আকাশেও শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে। ইসরায়েলি বাহিনী নতুন করে হামলা শুরুর ঘোষণা দেওয়ার পরপরই এই ঘটনা ঘটে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে তেহরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় কছক কাউন্টিতে ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলী দেখা গেছে। অসমর্থিত সূত্রগুলো থেকে দাবি করা হচ্ছে যে, সেখানে রেভল্যুশনারি গার্ডের একটি ঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান তাঁর প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালের পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, তেহরান ইতিমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিবেশীদের কাছে ক্ষমা চেয়েছে এবং ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ করেছে।
ট্রাম্পের মতে, ইরান প্রতিবেশীদের ওপর আক্রমণ না করার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা কেবল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নিরবচ্ছিন্ন হামলার কারণেই সম্ভব হয়েছে।
এর আগে আজ ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এক ভিডিও বার্তায় জানিয়েছিলেন, তাঁর দেশ প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ওই সব দেশের ভূখণ্ড থেকে ইরানের ওপর কোনো আক্রমণ না আসার শর্তে ইরান এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানান তিনি।
এরপর ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড (আইআরজিসি) জানায়, তারা প্রতিবেশীদের সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকলেও মার্কিন ও ইসরায়েলি ঘাঁটিগুলোতে আঘাত হানা অব্যাহত রাখবে।
শেয়ার করুন

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে ইরানের অন্তত ৬,৬৬৮টি বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ দেশটির রেড ক্রিসেন্টের পরিসংখ্যানের বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ইরানের রেড ক্রিসেন্টের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, হামলার শিকার স্থাপনাগুলোর মধ্যে ৫ হাজার ৫৩৫টি আবাসিক ইউনিট এবং ১ হাজার ৪১টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এ ছাড়া ১৪টি চিকিৎসাকেন্দ্র এবং ৬৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরাসরি হামলার কবলে পড়েছে।
রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, তাদের নিজস্ব ১৩টি কেন্দ্রও এ সামরিক অভিযানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উদ্ধার অভিযান পরিচালনার সময় বেশ কয়েকটি ত্রাণবাহী ও উদ্ধারকারী যানবাহন ধ্বংস হয়েছে। এ সময় রেড ক্রিসেন্টের বেশ কয়েকজন কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
শেয়ার করুন
সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-ধাফরা বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ডস (আইআরজিসি)। হামলায় ঘাঁটির বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, আইআরজিসির নৌবাহিনী এ ড্রোন অভিযান পরিচালনা করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আল-ধাফরা ঘাঁটিতে অবস্থিত একটি মার্কিন স্যাটেলাইট যোগাযোগ কেন্দ্র, আর্লি ওয়ার্নিং বা আগাম সতর্কীকরণ সিস্টেম এবং ফায়ার কন্ট্রোল রাডার এ হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা তাৎক্ষণিকভাবে এ দাবির সত্যতা যাচাই করতে পারেনি। এ হামলার বিষয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা
শেয়ার করুন

হরমুজ প্রণালিতে ‘প্রিমা’ নামের একটি তেলবাহী ট্যাংকারে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি)। ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাতে এ খবর জানায় আল জাজিরা।
আইআরজিসি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিষিদ্ধ এবং পরিস্থিতি নিরাপদ নয়। নৌবাহিনীর বারবার দেওয়া সতর্কবার্তা উপেক্ষা করায় ট্যাংকারটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আজ শনিবার সকালে ‘আইন লঙ্ঘনকারী ট্যাংকারটির’ ওপর এ হামলার ঘটনা ঘটে।
মেরিন ট্রাফিক ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, প্রিমা একটি তেল ও রাসায়নিক পদার্থ বহনকারী ট্যাংকার, যা ইউরোপের দেশ মাল্টার পতাকাবাহী হিসেবে নিবন্ধিত।
শেয়ার করুন
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান কিছুক্ষণ আগে দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক ভিডিও বার্তা দিয়েছেন। ভাষণে তিনি বলেন, ‘যেসব প্রতিবেশী দেশ আক্রান্ত হয়েছে, আমি তাদের কাছে ক্ষমা চাওয়া প্রয়োজন বলে মনে করি।’
প্রতিবেশী দেশগুলো দখলের কোনো অভিপ্রায় নেই উল্লেখ করে মাসুদ পেজেশকিয়ান ওই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় আঞ্চলিক সহযোগিতারও আহ্বান জানান।
পেজেশকিয়ান আরও জানান, সশস্ত্র বাহিনীর জন্য একটি নেতৃত্ব পর্যায়ের নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘এখন থেকে আক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত প্রতিবেশী দেশগুলোতে কোনো হামলা চালানো যাবে না।’
ইরানি প্রেসিডেন্ট প্রতিবেশীদের সতর্ক করে বলেন, যারা এই মুহূর্তে ইরানকে আক্রমণ করার জন্য ভাবছেন, তাদের সাম্রাজ্যবাদের পুতুল হওয়া উচিত হবে না। ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন করা ‘সম্মান ও স্বাধীনতার পথ নয়’।
শেয়ার করুন
সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের সব ফ্লাইট পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করেছে এমিরেটস।
সংস্থার এক মুখপাত্র গত শুক্রবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছিলেন, এমিরেটস আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তাদের নেটওয়ার্ক শতভাগ স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরার আশা করছে। এর ঠিক একদিন পরই সব ফ্লাইট বাতিলের এই নতুন ঘোষণাটি এল।
শেয়ার করুন
চলমান সংঘাতের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য থেকে নিজেদের নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এরইমধ্যে তাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে কাতারে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস।
দূতাবাস জানিয়েছে, অঞ্চলটি থেকে মার্কিন নাগরিকদের বেরিয়ে যেতে সহায়তার জন্য অতিরিক্ত কিছু বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
There is no higher priority than the safety and security of American citizens for President Trump, Secretary of State Rubio, and the entire Department of State.
— U.S. Embassy in Qatar (@USEmbassyDoha) March 7, 2026
We are working on additional options to assist Americans to depart the Middle East. Please continue to check your… pic.twitter.com/95HR0RRhbU
একই সঙ্গে নাগরিকদের ই-মেইল নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে বলা হয়েছে, যাতে নতুন তথ্য বা শেষ মুহূর্তের কোনো পরিবর্তনের খবর জানা যায়। পাশাপাশি সবাইকে সতর্ক থাকারও আহ্বান জানানো হয়েছে।
শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলা শুরুর পর যুদ্ধের অষ্টম দিনে ঘুম ভেঙেছে ইরানিদের। রাজধানী তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন স্থাপনা ও এলাকায় এসব হামলা চালানো হচ্ছে। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, মধ্যরাত থেকে কয়েক ঘণ্টা আগ পর্যন্ত এসব হামলা অব্যাহত ছিল।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরানের দুটি প্রধান বিমানবন্দরের একটি মেহরাবাদকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। আশপাশের এলাকাও এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।
রাতভর শহরের বিভিন্ন এলাকায় বড় বড় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। বিস্ফোরণের অভিঘাত রাজধানীর বিভিন্ন মহল্লায় স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়েছে। এর বাইরে দেশের আরও কয়েকটি শহরেও হামলা চলতে থাকার খবর পাওয়া যাচ্ছে।
এদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শুক্রবার হামলায় তাদের ৮০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান অংশ নিয়েছে। বিমানগুলো থেকে ইরানের বিভিন্ন ‘সামরিক স্থাপনা’ লক্ষ্য করে ২৩০টি বোমা ফেলা হয়েছে।
তাদের দাবি, লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে ছিল আইআরজিসি একটি সামরিক বিশ্ববিদ্যালয়, উৎক্ষেপণ অবকাঠামোসহ একটি স্টোরেজ সাইট এবং ব্যালিস্টিক মিসাইল তৈরি ও সংরক্ষণের একটি ভূগর্ভস্থ স্থাপনা।
তবে এই স্থাপনাগুলো ইরানের ঠিক কোন কোন এলাকার, সে বিষয়ে ইসরায়েলি বিবৃতিতে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা হয়নি।
আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধু সামরিক বা রাজনৈতিক স্থাপনা নয়, আবাসিক এলাকা, স্কুল ও হাসপাতালও হামলার লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে।
তেহরানের চল্লিশোর্ধ্ব এক নারী বিবিসিকে বলেছেন, ‘বিস্ফোরণের শব্দে রাত ২টার দিকে আমার ঘুম ভেঙে যায়। টানা দ্বিতীয় রাত এভাবে ভয়ের মধ্যে কাটালাম।’
খবরে বলা হয়েছে, ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় ইরানের ভেতরে থাকা মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করা এখনো খুবই কঠিন। তবে কেউ কেউ অল্প সময়ের জন্য সংযোগ স্থাপন করতে পারছেন।
স্থানীয় সময় ভোর ৪টার দিকে তেহরানের বিশোর্ধ্ব এক তরুণ বলেন, ‘আমি এখনো ঘুমাতে পারিনি। আজ রাতে তেহরানকে প্রচণ্ডভাবে আঘাত করা হয়েছে।’
শেয়ার করুন
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে। খবর আল জাজিরার।
ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯২ শমিক ৬৯ ডলারে উঠেছে, যা দিনে ৮ দশমিক ৫ শতাংশ এবং সপ্তাহে প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি।
বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশ্বে মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।
শেয়ার করুন
জাতিসংঘে ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে ঘনবসতিপূর্ণ বেসামরিক এলাকায় বোমা হামলা চালাচ্ছে।
তাঁর মতে, এসব হামলা যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল।
শেয়ার করুন
যুদ্ধ শুরুর পর দোহা থেকে কাতার এয়ারওয়েজের প্রথম একটি ফ্লাইট লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রা করেছে। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইটগুলোর বরাতে বিবিসি এ তথ্য দিয়েছে।
এয়ারলাইনটি জানিয়েছে যে, তারা শনিবার প্যারিস, মাদ্রিদ, রোম এবং ফ্রাঙ্কফুর্ট অভিমুখে ‘উদ্ধারকারী ফ্লাইট’ পরিচালনা করবে। এক্ষেত্রে বয়স্ক ব্যক্তি, পরিবারসহ যাত্রী এবং যাদের জরুরি চিকিৎসা বা মানবিক কারণে ভ্রমণ প্রয়োজন, তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
Qatar Airways is beginning a series of limited relief flights from Doha today. This A380 is the first aircraft to depart Doha since last Saturday. https://t.co/Rez4cojpd5 pic.twitter.com/ijENeHOYMt
— Flightradar24 (@flightradar24) March 7, 2026
ফ্লাইট ট্র্যাকিং সাইটগুলো দেখাচ্ছে যে, ছয়টির মতো বিমান দুবাই বিমানবন্দরে অবতরণের অপেক্ষায় আকাশে চক্কর দিচ্ছে।
অন্যদিকে দুবাই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা একটি মিসাইল হামলা মোকাবিলা করছে।
দুবাই মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে কোনো বস্তু ভূপাতিত করার পর তার ধ্বংসাবশেষ পড়ে একটি ‘ছোট ঘটনা’ ঘটেছে। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
শেয়ার করুন
কাতারের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্দিষ্ট নিরাপদ করিডরের মাধ্যমে সীমিত আকারে বিমান চলাচল শুরু করা হচ্ছে।
এই ফ্লাইটগুলো মূলত আটকে পড়া যাত্রীদের সরিয়ে নেওয়া এবং পণ্য পরিবহনের জন্য পরিচালিত হবে। নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইট আপাতত চালু করা হচ্ছে না।
শেয়ার করুন
সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শাইবা তেলক্ষেত্রের দিকে আসা ছয়টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। এ ছাড়া রাজধানী রিয়াদের দিকে আসা আরেকটি ড্রোনও ধ্বংস করা হয়েছে।
অন্যদিকে কাতার জানিয়েছে, তাদের আকাশসীমার দিকে ইরান থেকে ছোড়া ১০টি ড্রোনের মধ্যে ৯টি ভূপাতিত করা হয়েছে। একটি ড্রোন জনবসতিহীন এলাকায় পড়েছে।
শেয়ার করুন
মধ্যরাতের পর থেকে ইরান থেকে ছোড়া অন্তত পাঁচটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করার কথা জানিয়েছে ইসরায়েল। এসব হামলার কারণে রাতভর ইসরায়েলের লাখো মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে হয়েছে। খবর আল জাজিরা
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের হিসাব অনুযায়ী, প্রথম সপ্তাহে ইরান থেকে প্রায় ১ হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত প্রায় ২০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে।
এদিকে বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ইসরায়েল সরকার দেশটির নাগরিকদের মোবাইল ফোনে সতর্কবার্তা পাঠিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, যাঁরা এই বার্তা পাচ্ছেন, তাঁদের নিকটবর্তী নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
শেয়ার করুন
ইরানের রাজধানী তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলার অষ্টম দিনে নতুন করে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। মধ্যরাতের পর থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণ হয়েছে বলে স্থানীয় প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
আল জাজিরার খবর অনুযায়ী, তেহরানের দুটি প্রধান বিমানবন্দরের একটি মেহরাবাদ বিমানবন্দর লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। আশপাশের এলাকাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের তীব্র অভিঘাত অনুভূত হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শুধু সামরিক বা রাজনৈতিক স্থাপনা নয়, আবাসিক এলাকা, স্কুল ও হাসপাতালেও হামলার অভিযোগ উঠেছে।
শেয়ার করুন
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী সামরিক অভিযান এক সপ্তাহ পার করে অষ্টম দিনে গড়িয়েছে। শনিবার (৭ মার্চ) ভোরে তেহরানে নতুন করে তীব্র বোমা হামলার খবর পাওয়া গেছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ৩৩২ জন নিহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে এবং ইরানের ৪৩টি যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের কাছে ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ দাবি করেছেন এবং বলেছেন, আত্মসমর্পণ ছাড়া যুদ্ধ শেষ করতে কোনো সমঝোতা হবে না। ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী খোলা থাকলেও সেখানে দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। একই সঙ্গে ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সতর্ক করেছেন, ইউরোপের কোনো দেশ যদি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধে যোগ দেয়, তবে তারা ইরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠবে।
এদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং ইরানে নিহতদের জন্য সমবেদনা জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের বরাতে বলা হয়েছে, রাশিয়া ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবস্থানসংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্যও দিচ্ছে। যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার জ্বালানি পণ্যের চাহিদাও বেড়েছে বলে জানিয়েছে ক্রেমলিন।
সংঘাতের প্রভাব উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়েও ছড়িয়ে পড়েছে। কাতার, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের আকাশসীমায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ঢোকার কথা জানিয়েছে। কাতার জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া ১০টি ড্রোনের মধ্যে নয়টি প্রতিহত করা হয়েছে। সৌদি আরবও রাজধানী রিয়াদের কাছে কয়েকটি ড্রোন ভূপাতিত করার কথা জানিয়েছে। কুয়েত কিছু তেলক্ষেত্রে উৎপাদন কমিয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে।
ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় ইরান নিয়মিত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। এতে তেল আবিব, উত্তর ইসরায়েল এবং নেগেভ মরুভূমির কাছাকাছি এলাকায় বিস্ফোরণ ও বিমান হামলার সাইরেন শোনা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ধারাবাহিক এসব হামলার মাধ্যমে ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে চাপে ফেলার চেষ্টা করছে ইরান। জাতিসংঘে ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি অভিযোগ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলার ক্ষেত্রে কোনো ‘লাল রেখা’ মানছে না এবং এসব হামলা যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধ।
লেবাননের পূর্বাঞ্চলীয় বেকা উপত্যকায় ইসরায়েলি সেনাদের সঙ্গে হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের সংঘর্ষ হয়েছে। লেবাননের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন শহরেও ইসরায়েলি বিমান হামলা হয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলা শুরুর পর থেকে অন্তত ২১৭ জন নিহত হয়েছেন। টাইর ও বৈরুতের দক্ষিণ উপশহর দাহিয়েসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে অনেক বাসিন্দা অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন এবং বৈরুতের কিছু স্কুল আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের এরবিল শহরের একটি হোটেলেও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে।
জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, চলমান সহিংসতায় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অন্তত ৩ লাখ ৩০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও স্পেনসহ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ মিত্রদের স্বার্থ রক্ষায় সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবাহিত হওয়ায় এই পথে জাহাজ চলাচলে বিঘ্নের আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদ যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব নাকচ করায় ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকার পথ আরও শক্ত হয়েছে।
শেয়ার করুন